এক নজরে নোবেল শান্তি পুরস্কার

nobel-prize
১৮৯৫ সালে সুইডেনের বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল মৃত্যুর পূর্বে একটি উইল-এর মাধ্যমে নোবেল পুরস্কার প্রচলন করেন। এই উইল-এর দলিলে তিনি পাঁচটি বিষয়ে পুরস্কারের জন্য তাঁর সম্পত্তির সিংহভাগ বরাদ্দ করে যান। বিষয়গুলো হল: পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান ও শরীরতত্ত্ব, সাহিত্য, এবং শান্তি। ১৯০১ সাল থেকে সারা বিশ্বের বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে উল্লেখিত পাঁচটি শাখায় অনন্য কৃত্ত্বিত্ব তথা গবেষণা, উদ্ভাবন এবং মানবকল্যাণমূলক অসাধারণ কর্মকাণ্ডের জন্য এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে। নোবেল যখন তাঁর উইলের পরিকল্পনা করেন, তখন নরওয়ে সুইডেনের শাসনাধীন ছিল। নোবেলের ইচ্ছানুসারে শুধুমাত্র শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয় অসলো, নরওয়ে থেকে। বাকি ক্ষেত্রে স্টকহোম, সুইডেন থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।

nobel

১৯৬৮ সালে সুইডিশ কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার ৩০০ বছর পূর্তিতে নোবেল ফাউন্ডেশনকে একটি বড় পরিমাণের অর্থ দান করে। উদ্দ্যেশ্য, এই অর্থ নোবেলের সম্মান রক্ষার্থে অর্থনীতিতে একটি নতুন নোবেল পুরস্কার প্রদান করার কাজে ব্যবহৃত হবে। তার ঠিক পরের বছর থেকে অর্থনীতিতে প্রথমবারের মত নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়। প্রত্যেক বছর পুরস্কারপ্রাপ্তদের প্রত্যেক একটি স্বর্ণপদক, একটি সনদ ও নোবেল ফাউন্ডেশন কর্তৃক কিছু পরিমাণ অর্থ পেয়ে থাকেন। এই অর্থের পরিমাণ নোবেলের উইলকৃত সম্পদের বার্ষিক আয়ের ওপর নির্ভর করে। ২০১৫ খ্রিস্টাব্দে এই অর্থের পরিমান ছিল ৮০ লক্ষ সুইডিশ ক্রোনা (প্রায় সাড়ে নয় লক্ষ ইউ এস ডলার)। যা-ই হোক, এই পোস্টের বিষয়বস্তু নোবেল শান্তি পুরস্কার, তাই এখানে শুধু নোবেল শান্তি পুরস্কার সম্পর্কে (১৯০১ থেকে ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দ) আলোচনা করা হয়েছে।

নোবেল শান্তি পুরস্কারের টুকিটাকি

  • এ পর্যন্ত নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে ৯৬ বার। যুদ্ধ এবং উপযুক্ত প্রার্থীর অভাবে ১৯ বার কোনো পুরস্কার প্রদান করা হয় নাই। (1914-1916, 1918, 1923, 1924, 1928, 1932, 1939-1943, 1948, 1955-1956, 1966-1967, 1972)
  • ৬৫ বার বিজয়ী ছিলেন একক প্রার্থী, ২৯ বার পুরস্কার ভাগ হয়েছে দুজনের মধ্যে এবং ২ বার ভাগ হয়েছে তিন জনের মধ্যে। উল্লেখ্য, উইল অনুযায়ী যে কোনো বিষয়ে নোবেল পুরস্কার ভাগ হবে সর্বোচ্চ তিন জনের (ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান) মধ্যে।
  • এ পুরস্কার বিজয়ীদের মধ্যে রয়েছেন ১০৩ জন ব্যক্তি (যার মধ্যে ৮৭ জন পুরুষ, ১৬জন নারী) এবং ২৬টি সংস্থা।

    Female Nobel Peace Prize Laureates
    1905 – Bertha von Suttner
    1931 – Jane Addams
    1946 – Emily Greene Balch
    1976 – Betty Williams
    1976 – Mairead Corrigan
    1979 – Mother Teresa
    1982 – Alva Myrdal
    1991 – Aung San Suu Kyi
    1992 – Rigoberta Menchú Tum
    1997 – Jody Williams
    2003 – Shirin Ebadi
    2004 – Wangari Maathai
    2011 – Ellen Johnson Sirleaf
    2011 – Leymah Gbowee
    2011 – Tawakkol Karman
    2014 – Malala Yousafzai
  • শান্তি পুরস্কারের জন্য মহাত্মা গান্ধীকে মনোনয়ন করা হয় পাঁচবার এবং চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন দেয়া হয় তিনবার: ১৯৩৭, ১৯৪৭ ও ১৯৪৮ সালে। অনেকের মতে বৃটেনের প্রতি নরওয়ের ভৃত্যসূলভ আনুগত্যের কারণে গান্ধী নোবেল শান্তি পুরস্কার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
  • ১৯৩৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার কমিটির এক সদস্য জার্মানির অ্যাডলফ হিটলারকে নোবেল দেওয়ার জন্য মনোনয়ন দিয়েছিলেন।
  • দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতি টানার প্রচেষ্টাকে কারণ হিসেবে দেখিয়ে ১৯৪৫ ও ১৯৪৮ সালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের তৎকালীন প্রধান জোসেফ স্তালিনকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছিল।
  • পুরস্কার বিজয়ীদের গড় বয়স ৬১ বৎসর, সর্বকনিষ্ট বিজয়ী মালালা ইউসুফজাই ১৭ বৎসর (২০১৪)। সবচেয়ে বেশি বয়সী বিজয়ী জোসেফ রটব্লাট ৮৭ বৎসর (১৯৯৫)।
  • আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি তিনবার (১৯১৭, ১৯৪৪, ১৯৬৩), United Nations High Commissioner for Refugees দুইবার (১৯৫৪, ১৯৮১) এবং লিনাস পাউলিং একবার রসায়নে (১৯৫৪) ও আরেকবার শান্তির জন্য (১৯৬২) নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
  • ভিয়েতনামের রাজনীতিবিদ লি ডাক থো নোবেল শান্তি পুরস্কার (১৯৭৩) প্রত্যাখ্যান করেন।
  • নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদানের সময় গ্রেফতার/বন্দী অবস্থায় ছিলেন :
    জার্মান সাংবাদিক কার্ল ফন অসিয়েত্‌স্কি (১৯৩৫),
    বার্মার রাজনীতিবিদ অং সান সু কি (১৯৯১),
    চীনের মানবাধিকার কর্মী লিও জিয়াবো (২০১০)।
  • বৃটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। তবে তিনি একই সাথে নোবেল শান্তি ও সাহিত্য পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। (১৯৫৩)
  • ১৯৬১ সালে সুইডেনের নাগরিক জাতিসংঘের মহাসচিব ড্যাগ হেমার্শেল্ড মরণোত্তর নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছিলেন। যদিও মৃত্যু পরবর্তী মনোনয়ন অনুমোদিত নয়, তথাপিও যদি প্রার্থীর মৃত্যু মনোনয়ন প্রদান ও নোবেল কমিটির পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহনের মধ্যবর্তী সময়ে হলে তবে তা নির্বাচিত হবার যোগ্য হবে।
  • জেইন অ্যাডাম্‌স ১৯১৬ থেকে ১৯৩১ সাল পর্যন্ত মোট ৯১ বার মনোনীত হওয়ার পর অবশেষে ১৯৩১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার অর্জন করেন।

Nobel Peace Prize Winners Chart (1901-2015)

peace-prize winners

বিতর্কিত নোবেল শান্তি পুরস্কার

নোবেল পুরস্কার যাদেরকে দেওয়া হচ্ছে তাঁরা শান্তি পুরস্কারের জন্য উপযুক্ত কিনা, কী বিষয়ে কোন অবদানের জন্য দেওয়া হচ্ছে ইত্যাদি বিষয় নিয়ে বিতর্ক অনেক পুরানো। যেমন যুক্তরাষ্ট্রের হেনরি কিসিঞ্জার একজন যুদ্ধবাজ কূটনৈতিককে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে অথচ ‘অহিংসা রাজনীতি’-র ধারক ও মানবতাবাদী নেতা মহাত্মা গান্ধী একাধিকবার মনোনীত হয়েও শান্তি পুরস্কার পায়নি। পুরস্কার প্রাপক মনোনয়নে যে রাজনৈতিক প্রভাব ও লবি কাজ করে তা অস্বীকার করার উপায় নেই। এছাড়াও অনেকের ক্ষেত্রে আবার দেখা যায় যেসব কাজ বা অবদানের জন্য ‘শান্তি’ পুরস্কার দেয়া হয়েছে সেগুলো ছিল অন্য বিষয়ের এখতিয়ারে, যেমন: রসায়ন, জীববিজ্ঞান, অর্থনীতি ইত্যাদি। যদিও নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির দুর্বল যুক্তি হচ্ছে এসব কাজ বা অবদান পরোক্ষভাবে মানুষের উপকারে আসবে। নোবেল প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সারা দুনিয়াতেই ইতিবাচক ও নেতিবাচক আলোচনা-সমালোচনা আছে। সবকিছুর পরেও নোবেল পুরস্কারকে এখনও বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ হিসাবে গন্য করা হয়।

বিতর্কিত নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীদের তালিকা:

  • ১৯৩৫: বিতর্কিত নোবেল শান্তি পুরস্কারের শুরুটা হয়েছিল ১৯৩৫ সালে। ওই বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয় জার্মানির শান্তিবাদী লেখক কার্ল ফন অসিয়েত্‌স্কি। ওই সময়ে এটি ছিল সবচেয়ে বিতর্কিত। কারণ তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতারণা ও গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ ছিল।
  • ১৯৪৫: কর্ডেল হাল ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে সক্রিয় অবদানের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ১৯৩৯ সালে প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের আমলে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র সচিব ছিলেন। সেসময় জার্মানী থেকে এস এস সেন্ট লুইস জাহাজে করে আসা প্রথম ৯৫০জন ইহুদী শরণার্থীকে প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের ইচ্ছা থাকা স্বত্ত্বেও কর্ডেল হালের সিদ্ধান্তে জার্মানীতে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে এসব শরণার্থীর অনেকেরই মৃত্যু হয় হিটলারের নির্যাতন ক্যাম্পে।
  • ১৯৭৩: এ বছর উত্তর ভিয়েতনামের নেতা লি ডাক থোর সঙ্গে যৌথভাবে পুরস্কৃত করা হয় কুখ্যাত যুদ্ধবাজ কূটনীতিক হেনরি কিসিঞ্জারকে যিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের বিরোধিতা করেছিলেন, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি বা ইন্টারন্যাশনাল বাস্কেট কেস বলে বিদ্রূপ করেছিলেন, কম্বোডিয়ায় বোমাবর্ষণ ও দক্ষিণ আমেরিকায় অপারেশন কনডরের মত কুখ্যাত সামরিক অভিযানে সক্রিয় ছিলেন।
    যুদ্ধবিরতির পরও আরো দু’ বছর অব্যাহত ছিল যুদ্ধটি। এই কারণে, লি ডাক থোকে এ পুরস্কার গ্রহণ করেননি।
  • ১৯৮৯: অনেকের মতে, ১৯৮৯ সালে তিব্বতের স্বাধিকার আন্দোলনের নেতা ও ধর্মীয় গুরু দালাই লামাকে শান্তি পুরস্কার দেয়ার অন্যতম উদ্দ্যেশ্য ছিল তাঁকে বহির্বিশ্বে সুপরিচিত করা এবং চীনের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করা।
  • ১৯৯২: এবারের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী গুয়েতামালার যিনি ১৯৮১ সালে গুয়েতেমালা থেকে মেক্সিকোতে পালিয়ে যান। তিনি স্বেচ্ছায় নির্বাসনে থেকে ‘আমি রিগোবার্তা মেঞ্চু’ শীর্ষক আত্মজীবনী লেখেন। এই গ্রন্থে তিনি গুয়েতেমালার জাতিগত বিভেদ, আদিবাসী-উপজাতিদের প্রতি শোষণ-বঞ্চনা-নিপীড়নের এক মেলোড্রামাটিক বর্ণনা উপস্থাপন করেন। পরবর্তীতে মার্কিন নৃতত্ত্ববিদ ডেভিড স্টোল প্রমাণ করতে সক্ষম হন যে, তাঁর আত্মজীবনীর বেশ কিছু তথ্য অসঙ্গত, বিভ্রান্তিকর এবং মিথ্যা। তাছাড়া শুধুমাত্র একটি গ্রন্থ দিয়েই দ্বন্দ্ব, সংঘাত, যুদ্ধের অবসান হয়েছে এমন কোনো নজির বিশ্ব ইতিহাসে নেই।
  • ১৯৯৪: এ বছর ফিলিস্তিনের ইয়াসির আরাফাত এবং ইসরাইলের ইসহাক রবিন ও সিমন পেরেজকে যৌথভাবে মনোনীত করা হয়। আরাফাত মুসলিম বিশ্বে ফিলিস্তিনের অবিসংবাদিত নেতা হিসাবে গন্য হলেও ৭০-৮০ দশকে তাঁর সংঘটন পিএলও-র ছিনতাই এবং জিম্মি কার্যকলাপের কারণে পশ্চিমা বিশ্বে একজন সন্ত্রাসী হিসেবেই পরিচিত। ইযহাক রাবিন ও শিমন পেরেজ নোবেল প্রাইজ পাওয়ার মত কোন কাজ করেননি। বাস্তবতা হচ্ছে, ইসরায়েল-প্যালেস্টাইন দুপক্ষকেই শান্ত করার জন্য নরওয়েতে অসলো চুক্তি সম্পাদন করে তাদেরকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। যদিও এ চুক্তি কখনোও পুরোপুরি কার্যকর হয়নি এবং ফিলিস্তিন সমস্যারও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। বরংচ পুরস্কার ভাগাভাগি করে নেয়ার পর আবারো একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ময়দানে ফিরে গিয়েছিলেন তাঁরা।
  • ২০০৪: এবারের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী কেনিয়ার ওয়াঙ্গারি মাথাই যিনি দাবি করেন,এইডসের জীবাণু এইচআইভি-র উৎপত্তি কোন বানর থেকে নয়, বরং আফ্রিকার জনসংখ্যা হ্রাস করার জন্য শ্বেতাঙ্গ চিকিৎসকেরাই নাকি এই ভাইরাস সৃষ্টি করেছেন। এর জন্য বিশ্বব্যাপী সমালোচনার ঝড় উঠলে নিজেকে বায়োলজিতে বিএস বলে দাবি করা ওয়াঙ্গারি মাথাই পূর্ববক্তব্যকে অস্বীকার করে বলেন, এইচআইভি কোন বায়োলজিক্যাল এজেন্ট কিনা উনি তা সঠিক জানেন না। কিছু বৃক্ষরোপণ আর নারী অধিকার ও গণতন্ত্র নিয়ে বক্তৃতা-বিবৃতি ছাড়া এই বিজয়ীর অন্য কোন ভূমিকা ছিল না।
  • ২০০৭: পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন ডেমোক্র্যাট সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বেশকটি অতিবিশাল প্রাসাদসম বাড়ির মালিক আল গোর মুখে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কথা বললেও নিজ বাড়িতে অন্যান্য বাড়ির তুলনায় ২০ গুণ বেশি বিদ্যুৎ খরচ করেছেন। লোক দেখানো পরিবেশবাদী আল গোর সবুজ প্রযুক্তিকে পুঁজি করে বিপুল অর্থের মালিক হওয়ার কারণে ব্যাপকভাবে জনসমালোচিত হয়েছেন।
  • ২০০৯: মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ক্ষমতা গ্রহণের এক বছর পূর্ণ হতে না হতে তাকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়। তার এ পুরস্কার চরম সমালোচনার ও হাস্যকর বিষয়ে পরিণত হয়। মাত্র এক বছরে বিশ্ব-সহযোগিতা ও কূটনীতিতে কোন অবদান রাখা দূরে থাক প্রেসিডেন্ট হিসাবে পুরোপুরি কাজই শুরু করতে পারেননি। তাই পুরস্কৃত হয়ে স্বয়ং বারাকা ওবামা নিজেই বিস্মিত হয়েছিলেন।
  • মহাত্মা গান্ধী: নেলসন ম্যান্ডেলা বর্ণবাদী আচরণের প্রতিবাদ করতে যেয়ে ২৭ বছর কারাগারে ছিলেন । তখন কিন্তু তাঁকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়নি। এমনকি তখন পশ্চিমা বিশ্ব দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ শাসকদের পক্ষেই ছিল। যখনই ম্যান্ডেলা আন্দোলনের পরিসমাপ্তি টেনে সাবেক বর্ণবাদী শ্বেতাঙ্গ শাসক এফ.ডব্লিউ.ডি-ক্লার্কের সাথে ক্ষমতা ভাগাভাগি করলেন এবং তখনই তাঁকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হল। একই কথা মহাত্মা গান্ধীর বেলায়ও প্রযোজ্য। তিনি ভারতবর্ষে বৃটিশ শাসকদের শোষণ-নির্যাতনের বিরুদ্ধে ‘নন-ভায়োলেন্স’ আন্দোলন করে দীর্ঘদিন জেল-জুলুম সহ্য করার পরও এমনকি পাঁচ বার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হওয়ার পরও ফাইনাল সিলেকশনে বাদ পড়েছেন। কারণ একটাই–তিনি বৃটিশ শাসকদের সাথে কোন আপোষ করেননি। পরবর্তীতে নরওয়েজীয়ান নোবেল কমিটি স্বীকার করেছেন যে মহাত্মা গান্ধীর মত একজন ব্যক্তিকে নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রদান করতে না পারাটা হচ্ছে তাদের বড় ব্যর্থতা।

নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা

বর্ষ ছবি বিজয়ী অবদান
১৯০১ হেনরি ডুনান্ট
Henry Dunant
(1828 – 1910)
সুইজারল্যান্ড
For his role in founding the International Committee of the Red Cross.
ফ্রেদেরিক পাসি
Frédéric Passy
(1822 – 1912)
ফ্রান্স
For being one of the main founders of the Inter-Parliamentary Union and also the main organizer of the first Universal Peace Congress.
১৯০২ এলি দ্যুকম্যুন
Élie% Ducommun
(1833 – 1906)
সুইজারল্যান্ড
For his role as the first honorary secretary of the International Peace Bureau.
চার্লস আলবার্ট গোবাট
Charles Albert Gobat
(1822 – 1912)
সুইজারল্যান্ড
For his role as the first Secretary General of the Inter-Parliamentary Union.
১৯০৩ স্যার রেন্ডাল ক্রেমার
William Randal Cremer
(1828 – 1910)
যুক্তরাজ্য
For his role as the the ‘first father’ of the
Inter-Parliamentary Union
১৯০৪ ইনস্টিটিউট অফ
ইন্টারন্যাশনাল ল
Institute of International Law
বেলজিয়াম
Its efforts as an unofficial body to formulate the general principles of the science of international law
১৯০৫ বের্থা ফন সুটনার
Bertha von Suttner
(1843 – 1914)
অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি
For authoring Lay Down Your Arms and contributing to the creation of the Prize
১৯০৬ থিওডোর রুজ্‌ভেল্ট
Theodore Roosevelt
(1828 – 1910)
যুক্তরাষ্ট্র
For his successful mediation to end the Russo-Japanese war and for his interest in arbitration, having provided the Hague arbitration court with its very first case
১৯০৭ এর্নেস্তো মোনেতা
Ernesto Teodoro Moneta
(1833 – 1918)
ইতালি
For his work as a key leader of the Italian peace movement
লুই রেনো
Louis Renault
(1833 – 1918)
ফ্রান্স
For his work as a leading French international jurist and a member of the Permanent Court of Arbitration at The Hague
১৯০৮ ক্লাস পন্টাস আর্নল্ডসন
Klas Pontus Arnoldson
(1844 – 1916)
সুইডেন
For his work as founder of the Swedish Peace and Arbitration League
ফ্রেডরিক বাইয়ের
Fredrik Bajer
(1844 – 1916)
ডেনমার্ক
For being the foremost peace advocate in Scandinavia, combining work in the Inter-Parliamentary Union with being the first
president of the International Peace Bureau
১৯০৯ আউগুস্ত্‌ বিয়ের্‌নার্ট
Auguste Beernaert
(1829 – 1912)
বেলজিয়াম
For being a representative to the two Hague conferences, and a leading figure in the Inter-Parliamentary Union
পল-অঁরি কঁস্‌তোঁ
Paul Henri de Constant
(1852 – 1924)
ফ্রান্স
For combined diplomatic work for Franco-German and Franco-British understanding with a distinguished career in international arbitration
১৯১০ পার্মানেন্ট ইন্টারন্যাশনাল
পীস্‌ ব্যুরো
Permmanet Intl. Peace Bureau
সুইজারল্যান্ড
For acting] as a link between the peace societies of the various countries
১৯১১ টোবিয়াস অ্যাসার
Tobias Asser
(1838 – 1913)
নেদারল্যান্ড
For being a] member of the Court of Arbitration as well as the initiator of the Conferences on International Private Law
আলফ্রেড ফ্রিড্‌
Alfred Fried
(1864 – 1921)
অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি
For his work as founder of the German Peace Society
১৯১২ এলিহু রুট
Elihu Root
(1845 – 1937)
যুক্তরাষ্ট্র
For his strong interest in international arbitration and for his plan for a world court
১৯১৩ অঁরি লা ফন্তেন্‌
Henri La Fontaine
(1854 – 1943)
বেলজিয়াম
For his strong interest in international arbitration and for his plan for a world court
১৯১৪
১৯১৫
১৯১৬
Not awarded due to World War I.
১৯১৭ ইন্টারন্যাশনাল কমিটি
অফ দ্য রেড ক্রস
Intl. Committee of the Red Cross
সুইজারল্যান্ড
For undertaking] the tremendous task of trying to protect the rights of the many prisoners of war on all sides of World War I, including their right to establish contacts with their families
১৯১৮ Not awarded due to World War I.
১৯১৯ উড্রো উইল্‌সন
Woodrow Wilson
(1856 – 1924)
যুক্তরাষ্ট্র
For his crucial role in establishing the League of Nations
১৯২০ লেওন বুর্জোয়া
Léon Bourgeois
(1851 – 1925)
ফ্রান্স
For his participation in both the Hague Conferences of 1899 and 1907″ and for his work towards “what became the League to such an extent that he was frequently called its ‘spiritual father
১৯২১ হিয়ালমার ব্রান্টিং
Hjalmar Branting
(1860 – 1925)
সুইডেন
For his work in the League of Nations
ক্রিস্টিয়ান ল্যাং
Christian Lange
(1869 – 1938)
নরওয়ে
For his work as the first secretary of the Norwegian Nobel Committee” and “the secretary-general of the Inter-Parliamentary Union
১৯২২ ফ্রিট্‌ইয়োফ নান্‌সেন
Fridtjof Nansen
(1861 – 1930)
নরওয়ে
For his crucial role in establishing the League of Nations
১৯২৩
১৯২৪
Not awarded.
১৯২৫ স্যার অস্টিন চেম্বারলেইন
Sir Austen Chamberlain
(1863 – 1937)
যুক্তরাজ্য
For work on the Locarno Treaties
চার্লস গেইট্‌‌স ডজ্‌
Charles G. Dawes
(1865 – 1951)
যুক্তরাষ্ট্র
For work on the Dawes Plan for German reparations which was seen as having provided the economic underpinning of the Locarno Pact of 1925.
১৯২৬ আরিস্তিদ্‌ ব্রিয়োঁ
Aristide Briand
(1862 – 1932)
ফ্রান্স
For work on the Locarno Treaties
গুস্তাভ স্ট্রেসেমান
Gustav Stresemann
(1878 – 1929)
জার্মানি
For work on the Locarno Treaties
১৯২৭ ফার্দিনান্দ বুইসোঁ
Ferdinand Buisson
(1841 – 1932)
ফ্রান্স
For contributions to Franco-German popular reconciliation.
লুড্‌ভিগ কুইডে
Ludwig Quidde
(1858 – 1941)
জার্মানি
For contributions to Franco-German popular reconciliation.
১৯২৮ Not awarded.
১৯২৯ ফ্রাঙ্ক বি. কেলোগ
Frank B. Kellogg
(1856 – 1937)
যুক্তরাষ্ট্র
For the Kellogg-Briand pact, whose signatories agreed to settle all conflicts by peaceful means and renounced war as an instrument of national policy
১৯৩০ নেথান সোডারব্লম
Nathan Söderblom
(1866 – 1931)
সুইডেন
For his efforts to involve the churches not only in work for ecumenical unity, but also for world peace
১৯৩১ জেইন অ্যাডাম্‌স
Jane Addams
(1860 – 1935)
যুক্তরাষ্ট্র
For her social reform work” and “leading the Women’s International League for Peace and Freedom”.
নিকোলাস মারে বাটলার
Nicholas Murray Butler
(1862 – 1947)
যুক্তরাষ্ট্র
For his promotion of the Briand-Kellogg pact” and for his work as the “leader of the more establishment-oriented part of the American peace movement”.
১৯৩২ Not awarded.
১৯৩৩ স্যার নরম্যান অ্যাঞ্জেল
Sir Norman Angell
(1872 – 1967)
যুক্তরাজ্য
For authoring The Great Illusion and for being a “supporter of the League of Nations as well as an influential publicist and educator for peace in general”.
১৯৩৪ আর্থার হেন্ডারসন
Arthur Henderson
(1863 – 1935)
যুক্তরাজ্য
For his work for the League, particularly its efforts in disarmament”.
১৯৩৫ কার্ল ফন অসিয়েত্‌স্কি
Carl von Ossietzky
(1889 – 1938)
জার্মানি
For his struggle against Germany’s rearmament”.
১৯৩৬ কার্লোস সাভেদ্রা লামাস
Carlos Saavedra Lamas
(1878 – 1959)
আর্জেন্টিনা
For his mediation of an end to the Chaco War between Paraguay and Bolivia”.
১৯৩৭ রবার্ট সেসিল
Cecil of Chelwood
(1864 – 1958)
যুক্তরাজ্য
For his work with the League of Nations.
১৯৩৮ নান্‌সেন ইন্টারন্যাশনাল অফিস ফর রেফিউজিস
Nansen International Office for Refugees
UN
For his efforts to involve the churches not only in work for ecumenical unity, but also for world peace
১৯৩৯
১৯৪০
১৯৪১
১৯৪২
১৯৪৩
Not awarded due to World War II.
১৯৪৪ ইন্টারন্যাশনাল কমিটি
অফ দ্য রেড ক্রস
Intl. Committee of the Red Cross
সুইজারল্যান্ড
For his efforts to involve the churches not only in work for ecumenical unity, but also for world peace
১৯৪৫ কর্ডেল হাল
Cordell Hull
(1871 – 1955)
যুক্তরাষ্ট্র
For his fight against isolationism at home, his efforts to create a peace bloc of states on the American continents, and his work for the United Nations Organization”
১৯৪৬ এমিলি গ্রিন বল্‌চ্‌‌
Emily Greene Balch
(1867 – 1961)
যুক্তরাষ্ট্র
“Formerly Professor of History and Sociology; Honorary International President, Women’s International League for Peace and Freedom”
জন মট্‌
John Raleigh Mott
(1865 – 1955)
যুক্তরাষ্ট্র
“Chairman, International Missionary Council; President, World Alliance of Young Men’s Christian Associations”.
১৯৪৭ ফ্রেন্ডস সার্ভিস কাউন্সিল
Friends Service Council
যুক্তরাজ্য
“compassion for others and the desire to help them”
অ্যমেরিকান ফ্রেন্ডস
সার্ভিস কমিটি
“compassion for others and the desire to help them”
১৯৪৮ Not awarded because “there was no suitable living candidate.”
১৯৪৯ জন বয়েড অর্‌
The Lord Boyd-Orr
(1880 – 1971)
যুক্তরাজ্য
“Physician; Alimentary Politician; Prominent organizer and Director, General Food and Agricultural Organization; President, National Peace Council and World Union of Peace Organizations”
১৯৫০ রালফ বাঞ্চি
Ralph Bunche
(1903 – 1971)
যুক্তরাষ্ট্র
“Professor, Harvard University Cambridge, MA; Director, division of Trusteeship, U.N.; Acting Mediator in Palestine, 1948”
১৯৫১ লেওন জুহো
Léon Jouhaux
(1879 – 1954)
ফ্রান্স
“President of the International Committee of the European Council, vice president of the International Confederation of Free Trade Unions, vice president of the World Federation of Trade Unions, member of the ILO Council, delegate to the United Nations.”
১৯৫২ আলবার্ট শ্‌ফাইত্‌সার
Albert Schweitzer
(1875 – 1965)
জার্মানী
“Missionary surgeon; Founder of Lambaréné (République de Gabon)”
১৯৫৩ জর্জ মার্শাল
George Catlett Marshall
(1880 – 1959)
যুক্তরাষ্ট্র
“General President American Red Cross; Former Secretary of State and of Defense; Delegate U.N.; Originator of [the] ‘Marshall Plan'”
১৯৫৪ জাতিসংঘ উদ্বাস্তু বিষয়ক হাই কমিশন
United Nations High
Commissioner for Refugees

সুইজারল্যান্ড
“An international relief organization founded by the U.N. in 1951.”
১৯৫৫
১৯৫৬
Not awarded
১৯৫৭ লেস্টার পেয়ারসন
Lester Bowles Pearson
(1897 – 1972)
কানাডা
“former Secretary of State for External Affairs of Canada; former President of the 7th Session of the United Nations General Assembly”; “for his role in trying to end the Suez conflict and to solve the Middle East question through the United Nations.”
১৯৫৮ জর্জ পির্‌
Dominique Pire
(1910 – 1969)
বেলজিয়াম
“Father in the Dominican Order; Leader of the relief organization for refugees “L’Europe du Coeur au Service du Monde””
১৯৫৯ ফিলিপ নোয়েল-বেকার
Philip Noel-Baker
(1889 – 1982)
যুক্তরাজ্য
“Member of Parliament; lifelong ardent worker for international peace and co-operation”
১৯৬০ আলবার্ট লুথুলি
Albert Lutuli
(1898 – 1967)
দক্ষিণ আফ্রিকা
“President of the African National Congress was in the very forefront of the struggle against apartheid in South Africa.”
১৯৬১ ড্যাগ হ্যামারশোল্ড
Dag Hammarskjöld
(1905 – 1961)
সুইডেন
“Secretary General of the U.N.,”awarded “for strengthening the organization.”
১৯৬২ লাইনাস পলিং
Linus Carl Pauling
(1901 – 1994)
যুক্তরাষ্ট্র
“for his campaign against nuclear weapons testing”
১৯৬৩ ইন্টারন্যাশনাল কমিটি
অফ দ্য রেড ক্রস
Intl. Committee
of the Red Cross

সুইজারল্যান্ড
For their work in the protection of human rights in the ICRC’s 100 years of existence.
রেড ক্রস সোসাইটিজ
League of Red Cross Societies
সুইজারল্যান্ড
For their work in the protection of human rights in the ICRC’s 100 years of existence.
১৯৬৪ মার্টিন লুথার কিং
Martin Luther King, Jr.
(1929 – 1968)
যুক্তরাষ্ট্র
Campaigner for civil rights, “first person in the Western world to have shown us that a struggle can be waged without violence.”
১৯৬৫ জাতিসংঘ শিশু
বিষয়ক তহবিল
UNICEF
“An international aid organization.”
১৯৬৬
১৯৬৭
Not awarded
১৯৬৮ অঁরি লা ফন্তেন্‌
Henri La Fontaine
(1854 – 1943)
বেলজিয়াম
For his strong interest in international arbitration and for his plan for a world court
১৯৬৯ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আই.এল.ও)
International Labour Organization
(1819 – )
“An International Organization.”
১৯৭০ নরম্যান বোরলাউগ
Norman E. Borlaug
(1856 – 1924)
যুক্তরাষ্ট্র
“For his contributions to the “green revolution” that was having such an impact on food production particularly in Asia and in Latin America.”
১৯৭১ উইলি ব্র‌্যান্ট
Willy Brandt
(1851 – 1925)
পশ্চিম জার্মানি
“Chancellor of the Federal Republic of Germany; for West Germany’s Ostpolitik”
১৯৭২ Not awarded
১৯৭৩ হেনরি কিসিঞ্জার
Henry Kissinger
(1923 – )
যুক্তরাষ্ট্র
“For the 1973 Paris agreement intended to bring about a cease-fire in the Vietnam war and a withdrawal of the American forces”
লি ডাক থো
Lê Đức Thọ
(1911 – 1990)
উত্তর ভিয়েতনাম
“For the 1973 Paris agreement intended to bring about a cease-fire in the Vietnam war and a withdrawal of the American forces”
১৯৭৪ শন্‌ ম্যাকব্রাইড
Seán MacBride
(1904 – 1988)
আয়ারল্যান্ড
President of the International Peace Bureau; President of the Commission of Namibia. “For his strong interest in human rights: piloting the European Convention on Human Rights through the Council of Europe, helping found.”
এইসাকু সাতো
Eisaku Satō
(1901 – 1975)
জাপান
“for his renunciation of the nuclear option for Japan and his efforts to further regional reconciliation”
১৯৭৫ আন্দ্রে সাখারভ
Andrei Sakharov
(1821 – 1989)
সোভিয়েত রাশিয়া
“for his struggle for human rights, for disarmament, and for cooperation between all nations”
১৯৭৬ মাইরিয়াড কোরিগান
Mairead Corrigan
(1944 – )
উত্তর আয়ারল্যান্ড
“Founder[s] of the Northern Ireland Peace Movement (later renamed Community of Peace People)”
বেটি উইলিয়ামস
Betty Williams
(1943 – )
উত্তর আয়ারল্যান্ড
“Founder[s] of the Northern Ireland Peace Movement (later renamed Community of Peace People)”
১৯৭৭ অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
Amnesty International
(1961 – )
“[for] protecting the human rights of prisoners of conscience”
১৯৭৮ মেনাখেম বেগিন
Menachem Begin
(1977 – 1983)
ইসরাইল
“for the Camp David Agreement, which brought about a negotiated peace between Egypt and Israel”
আনোয়ার সাদাত
Anwar Al-Sadat
(1918 – 1981)
মিশর
“for the Camp David Agreement, which brought about a negotiated peace between Egypt and Israel.”
১৯৭৯ মাদার তেরেসা
Mother Teresa
(1910 – 1997)
ভারত
“Founder of Missionaries of Charity”
১৯৮০ আদোলফো পেরেজ এস্কিভেল
Adolfo Pérez Esquivel
(1931 – )
আর্জেন্টিনা
“Human rights leader;” “founded non-violent human rights organizations to fight the military junta that was ruling his country (Argentina).”
১৯৮১ জাতিসংঘ উদ্বাস্তু বিষয়ক
হাই কমিশন
United Nations High
Commissioner for Refugees

United Nations
“An international relief organization founded by the U.N. in 1951”
১৯৮২ আলভা মিরদল
Alva Myrdal
(1902 – 1986)
সুইডেন
For contributions to Franco-German popular reconciliation.
অ্যালফোনসো গার্সিয়া রোব্‌লস
Alfonso García Robles
(1911 – 1991)
মেক্সিকো
For contributions to Franco-German popular reconciliation.
১৯৮৩ লেচ ওয়ালেসা
Lech Wałęsa
(1943 – )
পোল্যান্ড
“Founder of Solidarność; campaigner for human rights”
১৯৮৪ ডেসমন্ড টুটু
Desmond Tutu
দক্ষিণ আফ্রিকা
“Bishop of Johannesburg; former Secretary General, South African Council of Churches”
১৯৮৫ ইন্টার. ফিজিসিয়ানস ফর দি প্রিভেনশন অফ নিউক্লিয়ার ওয়ার
International Physicians for the Prevention of Nuclear
যুক্তরাষ্ট্র
For authoritative information and by creating an awareness of the catastrophic consequences of atomic warfare.
১৯৮৬ এলি ওয়াইসেল
Elie Wiesel
(1928 – )
যুক্তরাষ্ট্র
“Chairman of “The President’s Commission on the Holocaust”.
১৯৮৭ অস্কার অ্যারিয়াস সাঞ্চেজ
Óscar Arias
(1940 – )
কোস্টারিকা
For authoring The Great Illusion and for being a “supporter of the League of Nations as well as an influential publicist and educator for peace in general”.
১৯৮৮ জাতিসংঘ শান্তি রক্ষী বাহিনী
United Nations Peace-Keeping Forces
যুক্তরাজ্য
“For their efforts [that] have made important contributions towards the realization of one of the fundamental tenets of the United Nations”.
১৯৮৯ দালাই লামা
14th Dalai Lama
(1935 – )
তিব্বত
“In his struggle for the liberation of Tibet. He consistently has opposed the use of violence.”
১৯৯০ মিখাইল গর্বাচেভ
Mikhail Gorbachev
(1931 – )
সোভিয়েত রাশিয়া
President of the Soviet Union, “for his leading role in the peace process which today characterizes important parts of the international community”
১৯৯১ অং সান সু কি
Aung San Suu Kyi
(1945 – )
মায়ানমার
“for her non-violent struggle for democracy and human rights”
১৯৯২ রিগোবার্টা মেঞ্চু
Rigoberta Menchú
(1959- )
গুয়াতেমালা
For his efforts to involve the churches not only in work for ecumenical unity, but also for world peace
১৯৯৩ ফ্রেডেরিক উইলেম
দ্য ক্লার্ক
Frederik Klerk
(1936 – )
দক্ষিণ আফ্রিকা
“for their work for the peaceful termination of the apartheid regime, and for laying the foundations for a new democratic South Africa”
নেলসন মেন্ডেলা
Nelson Mandela
(1918 – 2013)
দক্ষিণ আফ্রিকা
“for their work for the peaceful termination of the apartheid regime, and for laying the foundations for a new democratic South Africa”
১৯৯৪ ইয়াসির আরাফাত
Yasser Arafat
(1929 – 2004)
ফিলিস্তিন
“to honour a political act which called for great courage on both sides, and which has opened up opportunities for a new development towards fraternity in the Middle East.”
আইজ্যাক রবিন
Yitzhak Rabin
(1922 – 1995)
ইসরাইল
“to honour a political act which called for great courage on both sides, and which has opened up opportunities for a new development towards fraternity in the Middle East.”
শিমন পেরেজ
Shimon Peres
(1923 – )
ইসরাইল
“to honour a political act which called for great courage on both sides, and which has opened up opportunities for a new development towards fraternity in the Middle East.”
১৯৯৫ পাগওয়াশ কনফারেন্সেস ফর সাইন্স অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স
Pugwash Conferences on Sc. & World Affairs
(1957 – )
কানাডা
“for their efforts to diminish the part played by nuclear arms in international politics and, in the longer run, to eliminate such arms”
জোসেফ রটব্লাট
Joseph Rotblat
(1908 – 2005)
যুক্তরাষ্ট্র
“for their efforts to diminish the part played by nuclear arms in international politics and, in the longer run, to eliminate such arms”
১৯৯৬ কার্লোস ফিলিপ জিমেনেস বেলো
Carlos Filipe Belo
(1948 – )
তিমুর
“for their efforts to diminish the part played by nuclear arms in international politics and, in the longer run, to eliminate such arms”
জোসে রামোস হোর্টা
José Ramos-Horta
(1949 – )
তিমুর
for their efforts to diminish the part played by nuclear arms in international politics and, in the longer run, to eliminate such arms”
১৯৯৭ ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু ব্যান ল্যান্ডমাইনস
Intl. Campaign to Ban Landmines
সুইজারল্যান্ড
“for their work for the banning and clearing of anti-personnel mines”
জোডি উইলিয়ামস
Jody Williams
(1950 – )
যুক্তরাষ্ট্র
“For their work for the banning and clearing of anti-personnel mines”
১৯৯৮ জন হিউম
John Hume
(1937 – )
উত্তর আয়ারল্যান্ড
“for their efforts to find a peaceful solution to the conflict in Northern Ireland”
ডেভিড ট্রিম্বল
David Trimble
(1944 – )
উত্তর আয়ারল্যান্ড
“for their efforts to find a peaceful solution to the conflict in Northern Ireland”
১৯৯৯ ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস বা মেডিসিন্‌স সান ফ্রন্টিয়ার্‌স
Médecins Sans Frontières
সুইজারল্যান্ড
“in recognition of the organization’s pioneering humanitarian work on several continents”
২০০০ কিম দায়ে জং
Kim Dae-jung
(1924 – 2009)
দক্ষিণ কোরিয়া
“for his work for democracy and human rights in South Korea and in East Asia in general, and for peace and reconciliation with North Korea in particular”
২০০১ জাতিসংঘ
United Nations
(1945 – )
“for their work for a better organized and more peaceful world”
কফি আনান
Kofi Annan
(1938 – )
ঘানা
“for their work for a better organized and more peaceful world”
২০০২ জিমি কার্টার
Jimmy Carter
(1924 – )
যুক্তরাষ্ট্র
For his efforts to involve the churches not only in work for ecumenical unity, but also for world peace
২০০৩ শিরিন এবাদি
Shirin Ebadi
(1947 – )
ইরান
“for her efforts for democracy and human rights. She has focused especially on the struggle for the rights of women and children.”
২০০৪ ওয়াংগারি মাথাই
Wangari Muta Maathai
(1940 – 2011)
কেনিয়া
For his efforts to involve the churches not only in work for ecumenical unity, but also for world peace
২০০৫ মোহাম্মদ এল বারাদি
Mohamed ElBaradei
(1942 – )
মিশর
“for their efforts to prevent nuclear energy from being used for military purposes and to ensure that nuclear energy for peaceful purposes is used in the safest possible way”
ইন্টারন্যাশনাল এটমিক
এনার্জি এজেন্সি
International Atomic
Energy Agency

United Nations
For his efforts to involve the churches not only in work for ecumenical unity, but also for world peace
২০০৬ মুহাম্মদ ইউনুস
Muhammad Yunus
(1940 – )
বাংলাদেশ
For his efforts to involve the churches not only in work for ecumenical unity, but also for world peace
Grameen Bank
গ্রামীণ ব্যাংক
(1983 – )
বাংলাদেশ
“for advancing economic and social opportunities for the poor, especially women, through their pioneering microcredit work”
২০০৭ ইন্টারগভার্নমেন্টাল প্যানেল
ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ
Intergovernmental Panel on Climate Change
জাতিসংঘ
For his efforts to involve the churches not only in work for ecumenical unity, but also for world peace
আল গোর
Al Gore
(1948 – )
যুক্তরাষ্ট্র
“for their efforts to build up and disseminate greater knowledge about man-made climate change, and to lay the foundations for the measures that are needed to counteract such change”
২০০৮ মার্টি আহ্‌তিসারি
Martti Ahtisaari
(1937 – )
ফিনল্যান্ড
“for his efforts on several continents and over more than three decades, to resolve international conflicts”
২০০৯ বারাক ওবামা
Barack Obama
(1961 – )
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
“for his extraordinary efforts to strengthen international diplomacy and cooperation between peoples.”
২০১০ লিও জিয়াবো
Liu Xiaobo
(1863)
চীন
“for his long and non-violent struggle for fundamental human rights in China”
২০১১ এলেন জনসন সারলিফ
Ellen Johnson Sirleaf
(1938 – )
লাইবেরিয়া
“for their non-violent struggle for the safety of women and for women’s rights to full participation in peace-building work”
লেহমাহ বয়ই
Leymah Gbowee
(1972 – )
লাইবেরিয়া
“for their non-violent struggle for the safety of women and for women’s rights to full participation in peace-building work”
তাওয়াকেল কারমান
Tawakkul Karman
(1979 – )
ইয়েমেন
“for their non-violent struggle for the safety of women and for women’s rights to full participation in peace-building work”
২০১২ ইউরোপীয় ইউনিয়ন
European Union
(1863)
ইউরোপ
“for over six decades contributed to the advancement of peace and reconciliation, democracy and human rights in Europe.”
২০১৩ আন্তর্জাতিক রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ সংস্থা
Organisation for the Prohibition of Chemical Weapons
International
“for its extensive efforts to eliminate chemical weapons”
২০১৪ মালালা ইউসুফজাই
Malala Yousafzai
(1997 – )
পাকিস্তান
“for their struggle against the suppression of children and young people and for the right of all children to education”
কৈলাস সত্যার্থী
Kailash Satyarthi
(1954 – )
ভারত
“for their struggle against the suppression of children and young people and for the right of all children to education”
২০১৫ তিউনিসিয়ার চারটি সংগঠন
Tunisian National
Dialogue Quartet

তিউনিসিয়া
“for its decisive contribution to the building of a pluralistic democracy in Tunisia in the wake of the Jasmine Revolution of 2011”

সূত্র:
উইকিপিডিয়া
http://www.nobelprize.org/
দেশ-বিদেশের পত্র-পত্রিকা
ইন্টারনেট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।