তালেবান, আল-কায়েদা এবং আইএস

terror
সন্ত্রাস বিশেষ করে ‘ইসলামী সন্ত্রাস’ এখন কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা জাতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, এটি এখন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। ইসলামের নামে এসব সন্ত্রাসের ব্যাপারে মতপার্থক্য থাকলেও তালেবান, আল-কায়েদা, আইএস, বোকো হারাম, আল-শাবাব, লস্কর-ই-তৈয়বা ও এই জাতীয় বিভিন্ন ইসলামী সংগঠনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপকে বিশ্ব পরিসরে ‘ইসলামী সন্ত্রাস’ হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়। অনেকের মতে ইসলাম ধর্ম এধরনের সন্ত্রাসকে সমর্থন করে না। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সন্ত্রাসী হামলার কারণে বিশেষ করে আল-কায়েদা ও আইএস এখন আন্তর্জাতিক ইসলামী সন্ত্রাসী দল হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে। আফগানিস্তানে সোভিয়েত হস্তক্ষেপের পর মোজাহেদিন ও তালেবানীদের সাহায্যার্থে সৃষ্টি হয়েছিল আল-কায়েদা আর পরবর্তীতে আল-কায়েদা থেকে সৃষ্টি হয়েছে আইএস।

তালেবান

‘তালেবান’ বা ‘তালিবান’ ইসলামী সুন্নী মতাবলম্বী আফগানিস্তানের মৌলবাদী একটি জঙ্গি গোষ্ঠির নাম। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তানে তালেবানরা ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করে মধ্যযুগীয় বর্বরতায় শরীয়া আইন চালু করে নিরীহ মানুষদের হত্যা, নারী শিক্ষা নিষিদ্ধকরন, মহিলাদের উপর নির্যাতন ইত্যাদি অপকর্ম চালায়। আফগানিস্তানের ইতিহাসে তালেবানী শাসন একটি কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসাবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। তালেবানদের উত্থানের কারণ জানতে হলে আফগানিস্তানের রাজনৈতিক ইতিহাস সম্পর্কে কিছুটা ধারণা থাকা প্রয়োজন।

৬০ ও ৭০-এর দশকে আফগানিস্তানের রাজনীতি +
আফগানিস্তানে সোভিয়েত হস্তক্ষেপ (১৯৭৯ – ১৯৮৯) +
তালেবান ও ওসামা বিন লাদেনের সূচনা পর্ব +
সোভিয়েত আর্মীর প্রস্থান (১৯৮৯) +
তালেবানি রাষ্ট্রের উত্থান (১৯৯৬) +
তালেবানদের ক্ষমতা দখলের কারণসমূহ +
তালেবানদের শরীয়া আইন ও কার্যক্রম (১৯৯৬ – ২০০১) +
আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ ও তালেবানের পতন (২০০১) +
তালেবান সরকারের পতনের কারণসমূহ +
তালেবানদের বর্তমান অবস্থা +

আল-কায়েদা

৯/১১ এর ঘটনার পর আল-কায়েদা সারা বিশ্বে ব্যপক পরিচিতি লাভ করে। আল-কায়েদার সন্ত্রাসী কার্যকলাপে অনুপ্রাণিত হয়ে বিভিন্ন দেশের ইসলামী মৌলবাদী দলগুলো আল-কায়েদার সাথে নেটওয়ার্ক স্থাপন করে সংগঠিত হতে থাকে। আল-কায়েদার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে বা অনুপ্রেরণায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গড়ে উঠে ইসলামী জঙ্গি সংগঠন।

আল-কায়েদার উত্থান +
আল-কায়েদা ও সমমনা সন্ত্রাসী গ্রুপ +
আল-কায়েদা ও বাংলাদেশ +

আইএস

আইএস-এর নাটকীয় উত্থান ও ভয়াবহ সন্ত্রাসী তান্ডব নিয়ে বিশ্বে চলছে এক ধরনের কৌতূহল আর ভীতি। কারণ আল কায়েদার পর আইএস বর্তমানে বিশ্বে সবচেয়ে সংগঠিত ও আর্থিকভাবে ধনী গোষ্ঠি বলে বিবেচিত হচ্ছে। সুন্নি আরব জঙ্গিদের সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিস্ময়কর উত্থানে ওসামা বিন লাদেনের জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার প্রভাব এখন চাপা পড়ে গেছে। ২০১৪ সালের আগস্টের শুরুতেই সিরিয়ার রক্কায় নিজেদের আধিপত্য কায়েম করে আইএস ৷ প্রথমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও এর মিত্ররা এবং পরবর্তীতে রাশিয়াও সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট (আইএস) যোদ্ধাদের ওপর বিমান হামলা শুরু করে।

আইএসের উত্থান +
আইএস’র নিষ্ঠুরতা +
আইএস দমনে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার হস্তক্ষেপ +
আইএস ও বাংলাদেশ +

বিশ্বব্যাপী ইসলামী মৌলবাদী সংগঠনের ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা

+

সূত্র : উকিপিডিয়া, পত্র-পত্রিকা, ইন্টারনেট

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।