ইতিহাস

ইতিহাস
Sunday, 3rd March, 2024

 

world history

বিশ্ব ইতিহাসের যুগ বিভাজন

লিখন পদ্ধতি আবিষ্কারের আগের সময়কালকে প্রাগৈতিহাসিক বা প্রাক-ইতিহাস যুগ (Pre Historic Age) বলে। মানব ইতিহাসে যে অংশের কোনো লিখিত বিবরণ নেই বা পাওয়া যায় না সেই সময়কালকে প্রাক-ইতিহাস বা প্রাগৈতিহাসিক যুগ বলে। প্রত্নতত্ত্ব ও নৃতত্ত্বের বিচারে প্রায় ২৫ লাখ বছর আগে পৃথিবীতে মানুষের আবির্ভাব হয়েছে। প্রত্নতত্ত্ববিদরা মিসর থেকে আবিষ্কার করেছেন এমন কিছু লিখিত দলিল, যেগুলো খ্রিস্টপূর্ব তিন হাজার ২০০ অব্দের সময়কার।

এর চেয়ে প্রাচীন লিখিত দলিল আর কোথাও পাওয়া যায়নি। তাই আমরা ধরে নিতে পারি, ইতিহাসের সূচনা হয়েছে খ্রিস্টপূর্ব তিন হাজার ২০০ অব্দেই। এর আগ পর্যন্ত, অর্থাৎ পৃথিবীর বুকে আধুনিক মানুষের আগমন থেকে খ্রিস্টপূর্ব তিন হাজার ২০০ অব্দ পর্যন্ত পুরো সময়টাই প্রাগৈতিহাসিক যুগ। এভাবেও বলা যায়, পৃথিবীতে মানবসভ্যতার আগমনের পরের মোট ৪১ ভাগের ৪০ ভাগ সময়কাল প্রাগৈতিহাস, আর বাকি ১ ভাগ ইতিহাস।

world history Time line

প্রাগৈতিহাসিক যুগকে প্রস্তর যুগ (Stone Age), ব্রোঞ্জ যুগ (Bronze Age) ও লৌহ যুগে (Iron Age) ভাগ করা হয়। প্রস্তর যুগ আবার তিনটি ভাগে বিভক্ত, যেমন—প্রত্নপ্রস্তর যুগ (Lower Paleolithic), মধ্য-প্রস্তর যুগ (Middle Paleolithic) ও নব্য-প্রস্তর যুগ (Upper Paleolithic)। এই যুগেই প্রথম মানুষের পূর্বপুরুষরা খ্রিস্টপূর্ব ৩০ হাজার অব্দের দিকে কৃষিকাজ ও খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে বিভিন্ন অস্ত্র ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার শুরু করে।

ব্রোঞ্জ যুগের স্থায়িত্ব ছিল খ্রিস্টপূর্ব তিন হাজার থেকে খ্রিস্টপূর্ব এক হাজার ৩০০ অব্দ পর্যন্ত। এই সময়কালে ধাতুর ব্যবহারে ব্যাপক উন্নতি ঘটে। ব্রোঞ্জ, কপার ও টিনের আকরিকের মিশ্রণের মাধ্যমে উন্নত ধাতু তৈরি হয়। অপেক্ষাকৃত শক্ত, টেকসই ও মজবুত এই ধাতু পাথরের বিকল্প হিসেবে আবির্ভূত হয়। এর ফলেই ষাঁড় দিয়ে হালচাষ ও চাকা আবিষ্কারের ক্ষেত্র তৈরি হয়। এ যুগে স্থাপত্যকলা ও শিল্পে বিশেষ উন্নতি ঘটে। একাধারে যেমন কামাররা চাকা প্রস্তুত করতে শিখে যায়, তেমনই কাপড় তৈরিতেও আসে অভূতপূর্ব সাফল্য।

লোহাকে উত্তপ্ত করা ও পুনর্গঠনের বিদ্যা যখন মানুষ আয়ত্ত করে, তখন থেকেই যাত্রা শুরু হয় লৌহ যুগের (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১,৩০০ থেকে ৯০০ অব্দে)। তখনকার দিনে সোনার চেয়েও অধিক মূল্যবান হিসেবে বিবেচিত হতো লোহা।

Ref: Wikipedia, Banglapedia, Newspapers, Internet


স্থাপত্য, ভাস্কর্য্য, শিল্পকর্ম, সংস্কৃতি

Pablo Neruda

পাবলো নেরুদা

পাবলো নেরুদা [১৯০৪–১৯৭৩], আসল নাম রিকার্দো এলিসের নেফতালি রেইয়েস বাসোয়ালতো একজন কবি-কূটনীতিক ও রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি ১৯৭১ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। নেরুদা তার জীবদ্দশায় বিভিন্ন দেশের বহু কূটনীতিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন এবং চিলীয় কমিউনিস্ট পার্টির সেনেটর হিসেবে এক মেয়াদ দায়িত্ব পালন করেন। নেরুদাকে চিলির জাতীয় কবি বলে বিবেচনা করা হয়। তার সাহিত্যকর্মগুলো বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় এবং প্রভাব বিস্তারকারী।

রিকার্দো এলিয়েসের নেফতালি রেইয়েস বাসোয়ালতো ১৯০৪ সালের ১২ই জুলাই দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলির লিনারেস প্রদেশের পাররাল শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা হোসে দেল কারমেন রেইয়েস মোরেলস একজন রেলওয়ের কর্মকর্তা এবং মাতা রোসা নেফতালি বাসোয়ালতো ওপাজো একজন বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন। তার মাতা তার জন্মের দুমাস পর মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর পরই তার পিতা তেমুকোতে পাড়ি জমান। তিনি সেখানে ত্রিনিদাদ কানদিয়া মালভারদে নামক একটি মহিলাকে বিয়ে করেন। সৎ মা নেরুদাকে ভালবাসতেন নিজের সন্তানের মত। সংসারের আর্থিক অনটনের জন্য নেরুদার বাবা স্থির করলেন আরাউকো প্রদেশের অরণ্য অঞ্চলে বসবাস করবেন। সেখানে তিনি রাস্তা তৈরির ঠিকাদারির কাজ নিলেন। এ এক সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশ। চারদিকে ঘন সবুজ অরণ্য। অরণ্যের নিত্য সঙ্গী হয়ে সারা বছর ঝরে পড়ে অবিশ্রান্ত বৃষ্টি। শিশু নেরুদার জীবনে এই বৃষ্টি আর অরণ্য গভীর প্রভাব ফেলেছিল। সকলের অজান্তেই তাঁর মধ্যে জেগে উঠেছিল এক কবি স্বত্তা। যখন তাঁর বয়স মাত্র দশ। তখনই শুরু হয়ে তাঁর কবিতা লেখা।

১৯২০ সালের মাঝামাঝি থেকে তিনি পাবলো নেরুদা ছদ্মনাম গ্রহণ করে তিনি কবিতা ও গদ্য প্রকাশ এবং সাংবাদিকতা শুরু করেন। তিনি চেক কবি ইয়ান নেরুদা নামানুসারে তার ছদ্মনাম গ্রহণ করেছিলেন বলে ধারণা করা হয়। ছদ্মনামে লেখা প্রকাশের ক্ষেত্রে তরুণ এই কবির উদ্দেশ্য ছিল তার কবিতার ব্যাপারে তার পিতার অসম্মতিকে উপেক্ষা করা। তাঁর সাহিত্য জীবনে স্থানীয় মেয়েদের স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা গ্যাব্রিয়েল মিস্ত্রালের ভূমিকা বিরাট। মিস্ত্রাল শুধু চিলির নন, বিশ্বসাহিত্যের এক শ্রেষ্ঠ মহিলা কবি । তাঁর অসামান্য সৃষ্টির জন্য নোবেল পুরস্কার পান । মিস্ত্রাল নেরুদার মধ্যে একজন শ্রেষ্ঠ কবির সম্ভাবনাকে খুঁজে পেয়েছিলেন । তিনি শুধু তাঁকে উৎসাহিত করতেন তাই নয়, নিয়মিত তাঁর কবিতা সংশোধন করে দিতেন। ১৯২১ সালে ১৬ বছর বয়সে নেরুদা শিক্ষক হওয়ার অভিপ্রায়ে সান্তিয়াগোতে চিলি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফরাসি পড়তে যান। তবে তিনি অল্পদিনের মধ্যেই দিন-রাত এক করে তিনি সাহিত্য ও কবিতা লেখায় মন দেন। ১৯২৩ সালে নাসিমেন্তোর সম্পাদনায় তার কবিতার প্রথম খণ্ড ক্রেপুস্কুলারিও প্রকাশিত হয় এবং এরপর ’Twenty Love poems’ প্রকাশিত হয়। ২য় বইটি প্রকাশিত হতেই কবি হিসাবে তাঁর খ্যাতি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল।

১৯২৭ সালে আর্থিক হতাশার কারণে তিনি ব্রিটিশ উপনিবেশ বার্মার রাজধানী রাঙ্গুনে সম্মানসূচক কনসুলার পদ গ্রহণ করেন। পরবর্তীকালে তিনি কলম্বো (সিলন), বাটাভিয়া (জাভা) এবং সিঙ্গাপুরে কর্মরত ছিলেন। বাটাভিয়াতে থাকাকালীন তিনি ওলন্দাজ ব্যাংকের কর্মকর্তা মারিইকে আন্তোনিয়েতা হাগেনার ভোগেলসাঙ্গের (মারুকা নামে পরিচিত) সাথে পরিচিত হন এবং ১৯৩০ সালের ৬ ডিসেম্বর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। চিলিতে ফেরার পর নেরুদাকে বুয়েনোস আইরেসে কূটনৈতিক পদ দেওয়া হয়েছিল, এবং পরে স্পেনের বার্সেলোনায় পাঠানো হয়। এই সময়ে নেরুদা তার স্ত্রীর থেকে বিচ্ছিন্ন হতে থাকেন এবং তার চেয়ে ২০ বছরের বড় অভিজাত আর্জেন্টিনীয় শিল্পী দেলিয়া দেল কারিলের সাথে সম্পর্কে জড়ানোর কারণে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায় তাঁদের। স্পেন গৃহযুদ্ধে লিপ্ত হলে নেরুদা প্রথমবারের মত রাজনৈতিক হওয়ার হয়ে বাকি জীবনে অত্যন্ত উৎসাহী কমিউনিস্ট হয়ে পড়েন। ১৯৪৫ সালে সরকারিভাবে তিনি চিলির সাম্যবাদী দলে যোগ দেন। সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পর তাঁর লেখার মধ্যেও পরিবর্তন আসছিল। তিনি হয়ে উঠছিলেন সাধারণ মানুষের কবি, শ্রমিক, কৃষক, খেটে খাওয়া মানুষের কবি।

Pablo Neruda
লা চাসকোনা, সান্তিয়াগোতে নেরুদার বাড়ি

১৯৪৮ সালে চিলির প্রেসিডেন্ড ভিদেলার সাথে প্রত্যক্ষ বিরোধে জড়িয়ে পড়লেন । প্রেসিডেন্ড ভিদেলা ছিলেন স্বৈরাচারী মনোভাবের মানুষ। কমিউনিস্ট পার্টিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল। বিশ্বস্ত সূত্রে সংবাদ পেয়ে পালিয়ে গেলেন নেরুদা। এই সময় তাঁর সঙ্গী ছিল স্ত্রী দলিয়া। কোথাও বেশি দিন থাকতে পারেন না। এক শহর থেকে আরেক শহরে পালিয়ে বেড়াতে থাকেন । শেষে সীমান্ত পেরিয়ে আর্জেন্টিনায় এসে আত্মগোপন করেন। দলিয়া শুধু যে তাঁর সঙ্গী ছিলেন তাই নয়, সর্ব কাজে ছিলেন প্রধান প্রেরণা। পলাতক জীবনে কবির পরিচয় হয় চিলির এক তরুণীর সাথে। দু’জনের মধ্যে ধীরে ধীরে গড়ে উঠল নিবিড় সম্পর্ক। এই সম্পর্ককে ঘিরেই বিবাদ দেখা দিল দলিয়ার সাথে। দীর্ঘ ১৬ বছরের বিবাহিত জীবনের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেল।

১৯৭০ সালে নেরুদা চিলির রাষ্ট্রপতি পদের জন্য মনোনীত ছিলেন, কিন্তু তিনি বন্ধু সালভাদোর আইয়েন্দেকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। আইয়েন্দে পরবর্তীকালে নির্বাচনে জয় লাভ করেন এবং ১৯৭০ সালে চিলির প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে অভিষিক্ত হন। নেরুদা রাষ্ট্রদূত হয়ে গেলেন ফ্রান্সে। এক বছর পরেই নেরুদাকে তাঁর অসাধারণ সাহিত্য সৃষ্টির জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হল (১৯৭১)। চিলির জনগণের পক্ষ থেকে তাঁকে গণ সংবর্ধনা দেওয়া হল।

বাস্থ্য ভেঙে গিয়েছিল নেরুদার। মাঝে মাঝেই অসুস্থ হয়ে পড়ছিলেন। পরীক্ষায় জানা গেল তিনি ক্যানসারে আক্রান্ত সব কাজ থেকে অবসর নিয়ে ফিরে গেলেন নিজের বাড়িতে। চিলির ভাগ্য আকাশে তখন বিপর্যয় শুরু হয়ে গিয়েছে। আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ষড়যন্ত্র শুরু করল। কিভাবে কমিউনিস্ট সরকারকে উৎখাত করা যায়। ১৯৭৩ সালে দেশ জুড়ে শুরু হয় গৃহযুদ্ধ। ১১ই সেপ্টেম্বর প্রথমে নৌবাহিনী তারপর সৈন্যবাহিনী বিদ্রোহ ঘোষণা করে রাষ্ট্রপতি ভবন আক্রমণ করে। সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে নিহত হলেন প্রেসিডেন্ট আলেন্দ। সারা দেশে সামরিক শাসন জারি হল। নিজের গৃহে বন্দী হলেন অসুস্থ্য মৃত্যুপথযাত্রী কবি। সেই বন্দী অবস্থায় ১২ দিন পর ২৩শে সেপ্টেম্বর ১৯৭৩ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন কবি। সামরিক শাসনের সমস্ত নিষেধ উপেক্ষা করে পথে বের হল লক্ষ লক্ষ মানুষ কবিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাবার জন্য।

Ref: Wikipedia, Banglapedia, Newspapers, Internet


রেকর্ড/ব্যতিক্রম

brothers

ভাইকে মাথায় নিয়ে সিঁড়ি ভেঙে গিনেস বুকে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, এক ব্যক্তি অন্য একজনকে মাথায় নিয়ে দ্রুত সিঁড়ি ভাঙছেন। আশপাশে অনেকেই হাততালি দিয়ে তাঁদের উৎসাহ দিচ্ছেন। ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, এই দুই ব্যক্তি ভিয়েতনামিজ বংশোদ্ভূত সহোদর গিয়াং কুয়োক কো ও গিয়াং কুয়োক নিয়েপ। এক ভাই উল্টো করে অন্য ভাইকে মাথায় তুলে নিয়ে দ্রুততম সময়ে ১০০ সিঁড়ি ভেঙে ওপরে ওঠার রেকর্ড করেছেন।

বিচিত্র এই কাজের জন্য বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন ওই ভাই। নাম উঠেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে। মজার বিষয় হলো, অপর এক ব্যক্তিকে উল্টো করে মাথায় নিয়ে স্বল্প সময়ে সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠার জন্য আগেও বিশ্ব রেকর্ড করেছিলেন এই দুই ভাই। এবার তাঁরা নিজেদের আগের রেকর্ড ভেঙেছেন। সংবাদমাধ্যম ভিয়েতনামনেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বড় ভাই গিয়াং কুয়োক কোর বয়স ৩৭ বছর। আর ছোট ভাই গিয়াং কুয়োক নিয়েপের বয়স ৩২ বছর। তাঁরা সার্কাসে কাজ করেন। সম্প্রতি এই দুই ভাই স্পেনের উত্তর–পূর্বাঞ্চলীয় কাতালোনিয়া অঞ্চলের সেইন্ট ম্যারিস ক্যাথেড্রালের বাইরের সিঁড়িতে তাঁদের নৈপুণ্য দেখান।

গিয়াং কুয়োক কো জানান, ওই ক্যাথেড্রালে ৯০টি সিঁড়ি রয়েছে। এ জন্য বাড়তি আরও ১০টি সিঁড়ি যোগ করা হয়েছিল। তাঁরা দুই ভাই ভারসাম্য রক্ষা করে মাত্র ৫৩ সেকেন্ডে ১০০টি সিঁড়ি ভেঙে ওপরে ওঠেন। এর মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তিকে মাথার ওপরে উল্টো করে নিয়ে দ্রুত ১০০ সিঁড়ি ভাঙার নতুন রেকর্ড গড়েন এই দুই ভাই।

Ref: Internet, Newspapers


ধাঁধাঁ

Africa is home to the world’s largest living land animal, the African elephant, and the tallest, the Giraffe.


তথ্য ও ছবির সূত্র: এই পাতার সব তথ্য-উপাত্ত ও ছবি বিভিন্ন বই-পুস্তক, পত্র-পত্রিকা, বাংলাপিডিয়া, উইকিপিডিয়া এবং ইন্টারনেট থেকে সম্পূর্ণ বা আংশিক সংগৃহীত

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।