এই দিনে

ইতিহাসে এই দিনে : ৬ মে
বাংলাদেশ

৬ মে ২০০৬

Bangladesh

মেয়াদের শেষ প্রান্তে গভীর সংকটে সরকার

মেয়াদের শেষ প্রান্তে এসে সরকারের সমস্যা ও সংকট বাড়ছে। পরিস্থিতি দ্রুত জটিল ও কঠিন হতে শুরু করেছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সমস্যার সংখ্যা। বিরোধী দলের সংস্কার আন্দোলন সরকারকে কাবু করতে না পারলেও বিদ্যুৎ, পানি, দ্রব্যমূল্য ও জ্বালানি তেল নিয়ে সরকার এখন কঠিন সংকটের মুখোমুখি। কানসাটের আন্দোলনের পর শনির আখড়ায় জনবিস্ফোরণ হয়েছে। পর্যবেক্ষক মহল আশংকা করছেন সারাদেশে এ ধরনের আন্দোলন ছড়িয়ে পড়তে পারে। বিষয়টি সরকারের নীতিনির্ধারকদের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছে। ২০০১ সালের অক্টোবরে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে চারদলীয় জোট ক্ষমতায় আসে। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী সংসদের মেয়াদকালই সরকারের মেয়াদ। এ হিসাব অনুযায়ী আগামী ২৮ অক্টোবর অষ্টম সংসদ বিলুপ্ত হবে। তারপর তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৫ দিন জোট সরকার ক্ষমতায় থাকবে। এ হিসাবে জোট সরকার আর ছয় মাস ক্ষমতায় আছে।

সেনাবাহিনী পানি সরবরাহ করলেও অনেকে পানি পায়নি

প্রচণ্ড জনবিস্ফোরণের পর গতকাল শনিবার শনির আখড়া ও এর আশপাশের আবাসিক এলাকা ছিল কার্যতঃ শান্ত। ভোর থেকেই সেনা সদস্যরা পুরো এলাকাকে ছয় ভাগে ভাগ করে পানি সরবরাহ শুরু করেছে। সকাল থেকেই ঐ এলাকায় সরকারি ক্যাডারদের পদচারণা ছিল যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি। তারা পানি-বিদ্যুৎ সংগ্রাম কমিটির ডাকা সাংবাদিক সম্মেলন ভণ্ডুল করে দিয়েছে। পানি ও বিদ্যুতের দাবিতে গত শুক্রবার রাস্তায় নামা হাজার হাজার জনতা গতকাল রাস্তায় নামেনি। মেয়র সাদেক হোসেন খোকার সাথে সংগ্রাম কমিটির বৈঠকে পাওয়া আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে পুরো এলাকা ছিল শান্ত। ভোর থেকেই সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের সদস্যরা এলাকায় এলাকায় পানি সরবরাহ শুরু করে।

৬ মে ২০০৮

Bangladesh

ঘুষ লেনদেন : তারেক ও বাবরসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির হত্যা মামলা থেকে আসামির নাম প্রত্যাহারের জন্য ২১ কোটি টাকা ঘুষের মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব তারেক রহমান ও বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান ওরফে শাহ আলমসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের উপ-সহকারি পরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রূপক কুমার সাহা গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর হাকিম (এমএম) গোলাম রব্বানীর আদালতে এই চার্জশিট দাখিল করেন। মামলার তিন আসামি বাবর, তারেক ও আবু সুফিয়ানকে শ্যোন এরেস্ট দেখানোর জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে আবেদন করেছেন।

দুদকের উপ-সহকারি পরিচালক মো. আবুল কাশেম বাদি হয়ে গত বছরের ৪ অক্টোবর রমনা থানায় ৬ জনকে আসামি করে এই মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন: লুৎফুজ্জামান বাবর, আহমেদ আকবর সোবহান ওরফে শাহ আলম, শাহ আলমের ছেলে সাফায়াত সোবহান সানভীর, সাদাত সোবহান, বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক আবু সুফিয়ান ও তারেক রহমানের এপিএস মিয়া নুরউদ্দিন অপু। মামলার তদন্তে তারেক রহমান এবং প্রাইম ব্যাংকের পরিচালক কাজী সলিমুল হক কামালের সম্পৃক্ততা খুঁজে পেয়েছে তদন্তকারী কর্মকর্তা। ফলে চার্জশিটে তাদের নামও আসামি হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেন, সাব্বির হত্যা মামলা থেকে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান শাহ আলমের ছেলে সানভীরের নাম বাদ দেয়ার বিনিময়ে ১০০ কোটি টাকা দাবি করেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। পরে তার সরকারি বাসভবনে এ নিয়ে দুই দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে তারেকসহ অন্য আসামিরা উপস্থিত ছিলেন। মূল পরিকল্পনায় তারেক রহমান উপস্থিত থাকার কারণে তাকে আসামি করা হয়েছে এবং ঘুষের ২০ কোটি টাকা কাজী সলিমুল হকের হেফাজতে ছিল বলে তাকেও আসামি করা হয়েছে।

৬ মে ২০১৩

Bangladesh

 

জন্ম

Gopal Sen

আলাউদ্দিন আল আজাদ
(৬ মে ১৯৩২ – ৩ জুলাই ২০০৯)
ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি ও অধ্যাপক

জন্ম নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার রামনগর গ্রামে। পিতা গাজী আব্দুস সোবহান। আলাউদ্দিন আল আজাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্সসহ স্নাতক (১৯৫৩) ও স্নাতকোত্তর (১৯৫৪) এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের জীবন ও কবিতা বিষয়ে গবেষণা করে পিএইচডি ডিগ্রি (১৯৭০) লাভ করেন। তিনি সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক (১৯৫৩-৫৪), ঢাকা জেলা যুবলীগের সভাপতি ও পূর্ব পাকিস্তান যুবলীগের সহসভাপতি (১৯৫৭-৬০) ছিলেন। পাকিস্তানের প্রগতিশীল ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা তাঁকে সাহিত্যচর্চায় অনুপ্রাণিত করে। দেশ বিভাগের পরে তিনি দেশের চলমান প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। অধ্যয়ন শেষে তিনি নারায়ণগঞ্জের তোলারাম কলেজ (১৯৫৫), ঢাকা জগন্নাথ কলেজ (১৯৫৬-৬১), সিলেট এমসি কলেজ (১৯৬২-৬৮) এবং চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ (১৯৬৪-৬৭)-এ অধ্যাপনা করেন। তিনি ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন এক বছর (১৯৭৪-৭৫)।

কিছুকাল (১৯৭৬-৮১) মস্কোতে বাংলাদেশ দূতাবাসে Education Attaché কাজ করার পর তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি উপদেষ্টার দায়িত্ব (১৯৮২-৮৯) পালন করেন। বিশ শতকের পঞ্চাশের দশকে সাহিত্যক্ষেত্রে তাঁর আবির্ভাব। এ সময়ে যাঁরা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করে তোলার চেষ্টা করেন, তিনি তাঁদের মধ্যে অন্যতম। প্রগতিশীল ও মানবতাবাদী ভাবধারায় তিনি সাহিত্যচর্চা করেছেন। প্রথম জীবনে গ্রামের মানুষ ও তাদের সংগ্রাম, প্রকৃতির ঐশ্বর্য ও সংহারমূর্তি দুইই তাঁর মনে ছাপ ফেলে গেছে। নগরজীবনের কৃত্রিমতা, রাজনীতিক সংগ্রাম, নিপীড়ন, প্রতারণা তিনি তাঁর কথাসাহিত্যের বিষয়বস্ত্ত করেছেন। এ পর্যায়ের তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগন্থ জেগে আছি (১৯৫০), ধানকন্যা (১৯৫১), জীবন জমিন (১৯৮৮) প্রভৃতি। ষাটের দশকে রচিত তাঁর উপন্যাস, তেইশ নম্বর তৈলচিত্র (১৯৬০) ও কর্ণফুলী (১৯৬২) ব্যাপক সাড়া জাগায়। তেইশ নম্বর তৈলচিত্র উপন্যাসটির বিষয়বস্ত্ত অবলম্বনে বসুন্ধরা নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক সুভাষ দত্ত। এ চলচ্চিত্রটি দেশে-বিদেশে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য আলাউদ্দিন আল আজাদ বেশসংখ্যক পুরস্কারে ভূষিত হন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া

 
বহির্বিশ্ব
International

০৬ মে, ২০১৫: ইতিহাস গড়লেন হাসিনা-মোদী

বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা স্থল সীমান্ত বিলটি (১১৯তম সাংবিধানিক সংশোধনী) পাস হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই ইতিহাসের রূপকার। ভারতের রাজ্যসভায় বিলটি পাসের ক্ষেত্রেও ইতিহাস তৈরি হলো। সর্বসম্মতিক্রমে গতকাল বিলটি পাস হয়। রাজ্যসভায় বিলটি উত্থাপন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। বিলটি আজ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ লোকসভায় উত্থাপন করার কথা রয়েছে। আজ পাস হলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আগামী জুনে বাংলাদেশ সফরের ক্ষেত্রেও অগ্রগতি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগের দিন মঙ্গলবার ভারতের মন্ত্রিসভায় বিলটির অনুমোদন দেয়া হয়। এদিকে, রাজ্যসভায় স্থল সীমান্ত চুক্তি বিল পাস হওয়ায় স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ।

বহু প্রতীক্ষিত বিলটি রাজ্যসভায় পাস হওয়ায় দুই দেশের ছিটমহল বিনিময়ের পথ প্রশস্ত হলো। বাংলাদেশের সঙ্গে ভূমি বিনিময়ে ভারতের সংবিধান সংশোধনের এই বিলে ১৮০ সদস্য পক্ষে ভোট দেন। বিপক্ষে কোনো ভোট পড়েনি। ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) বুধবার রাতের মধ্যে রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির কাছ থেকে বিলটি সই করিয়ে নেবে বলে দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছেন। আজ বিলটি লোকসভায় উঠবে। পরশু লোকসভার অধিবেশন শেষ হবে। ইতোমধ্যে বিজেপি নেতৃত্ব দলের সব সংসদ সদস্যদের বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার লোকসভায় উপস্থিত থাকার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠ লোকসভায় বিলটি পাস হলে দুর্ভোগের অবসান ঘটবে বলে আশায় আছেন দুই দেশের ১৬২টি ছিটমহলের বাসিন্দারা। বাংলাদেশি ছিটমহলগুলোতে জনসংখ্যা রয়েছে প্রায় ১৪ এবং ভারতীয় ছিটমহলগুলোতে জনসংখ্যা রয়েছে প্রায় ৩৭ হাজার।

 
দেশেবিদেশে : আজকের ছুটির দিন ও উদযাপনা

Bulgaria : Shepherd’s & Herdsman’s Day
Denmark : Prayer Day
Lebanon : Martyrs’ Day

 
আজকের উদ্ধৃতি

‘বিএনপি জাতীয়তাবাদী দল নয়, আওয়ামী লীগই দেশের আসল জাতীয়তাবাদী দল।’
সজীব ওয়াজেদ জয় : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা (০৬ মে, ২০১৫)


আজকের তারিখ ও এখনকার সময় (বাংলাদেশ)

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।