এই দিনে

ইতিহাসে এই দিনে : ৪ ফেব্রুয়ারি
বাংলাদেশ

৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৬

Bangladesh

রাজধানীতে গ্রেফতার ৫ সহস্রাধিক ঢাকার বাইরেও অসংখ্য

রবিবার রাজধানীতে আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলের লংমার্চ শুরু হবে। এই কর্মসূচীকে সামনে রেখে শনিবার রাজধানীর ২৮টি থানা এলাকায় পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগসহ বিরোধী দলের ২ সহস্রাধিক নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করে। এই নিয়ে গতকাল পর্যন্ত রাজধানীতে লংমার্চকে কেন্দ্র করে গ্রেফতারের সংখ্যা ৫ সহস্রাধিক বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে বেশীরভাগ নিরীহ লোক ও দিনমজুর। তারা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নয়। গতকাল থেকে পুলিশ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। নিরীহ ও দিনমজুর গ্রেফতারকৃতদের আত্মীয়-স্বজনদের পুলিশ জানিয়ে দেয়, লংমার্চ শেষে তারা ছাড়া পাবে। কোন কোন ক্ষেত্রে আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে উৎকোচ আদায় করা হচ্ছে। উৎকোচ না দিলে থানার পুরাতন চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, এমনকি খুনের মামলার আসামী হিসেবে দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করছে।

জনতার সংগ্রামের সামনে পরাজয় স্বীকার করাই এখন জোট সরকারের শেষ পরিণতি

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা গতকাল শনিবার আহূত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেছেন, লংমার্চের মত একটি গণতান্ত্রিক কর্মসূচীকে বাধা দিতে গিয়ে সরকার পরিস্থিতিকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিয়েছে। অত্যাচার-নির্যাতন, দমন-পীড়ন বন্ধ না করা হলে উদ্ভূত যেকোন পরিস্থিতির জন্য সরকারকেই দায়ি থাকতে হবে। জনগণের প্রতিপক্ষের ভূমিকায় অবতীর্ণ প্রশাসন ও পুলিশের এক শ্রেণীর কর্মকর্তার উদ্দেশে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বেতন পান। সরকার জনগণের টাকা লুট করছে, অগাধ সম্পদের মালিক হয়েছে। তারা দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করছে, বিলাসিতায় গা ভাসাচ্ছে। কিš’ আপনারা কি পাচ্ছেন? আপনাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ কি? দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির ভুক্তভোগী আপনারাও। তাহলে এই দুর্নীতিবাজদের তাঁবেদারি করছেন কেন? তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, কোন ব্যক্তি বা দলের ক্যাডার হওয়ার চেষ্টা করবেন না।

মির্জাপুরে বাংলাভাইয়ের সেকেন্ড ইন কমান্ড সাইফুল গ্রেফতার

নওগাঁয় জেএমবি’র ৬ জঙ্গি গ্রেফতার, বিস্ফোরক ও অস্ত্র উদ্ধার। এই উপজেলার গজারি বনে জেএমবি’র ঘাঁটি গাড়ার প্রধান কারিগর সাইফুল ইসলাম (৫০) ও তার সহযোগী একরামকে (৩৫) পুলিশ অবশেষে গ্রেফতারে সক্ষম হয়েছে। শনিবার মির্জাপুর থানার পুলিশ অফিসার তাপসের নেতৃত্বে ঢাকা জেলার ধামরাই থানার এক মাদ্রাসা ঘেরাও করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত সাইফুল এই এলাকায় বাংলা ভাইয়ের সেকেন্ড-ইন কমান্ড হিসেবে পরিচিত।

৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৭

Bangladesh

বড় দুই দলের ১৫ নেতা আটক

যৌথ বাহিনীর একটি বিশেষ দল গত শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, উত্তরা, ধানমণ্ডি, মহাখালী ও মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাবেক দুই মন্ত্রী, সাবেক চার প্রতিমন্ত্রী ও সাবেক তিন সংসদ সদস্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা, আওয়ামী লীগ নেতা ও এফবিসিসিআই’র সাবেক সভাপতিসহ দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ ১৫ শীর্ষ নেতাকে আটক করেছে।
যৌথ বাহিনীর এ চাঞ্চল্যকর অভিযানে আটক হয়েছেন বিএনপি’র সহ-সভাপতি ও সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন ও আমান উল্লাহ আমান, সাবেক উপ-মন্ত্রী এডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সাবেক অর্থ মন্ত্রী সাইফুর রহমানের ছেলে নাসের রহমান, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান বিএনপি’র সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূুঁইয়া, সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী, টিএন্ডটি’র সিবিএ বিএনপি নেতা ফিরোজ আহমেদ, আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মহিউদ্দীন খান আলমগীর, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা ও এফবিসিআই’র সাবেক সভাপতি সালমান এফ রহমান, আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহসম্পাদক আ ন হ মোস্তফা কামাল ওরফে লোটাস কামাল, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথকে। আটককৃতদের মধ্যে বিএনপি’র ১০জন এবং আওয়ামী লীগের ৫ জন রয়েছে। এই গ্রেফতারের সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকে গা ঢাকা দিয়েছেন। ঐরাতে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, ব্যবসায়ীসহ মোট ৪০ জন রাজনৈতিক নেতার বাসায় অভিযান চালায়।

৬০ দিনের মধ্যে বিশেষ ট্রাইবুন্যালে বিচার ।। জড়িত থাকলে দলের শীর্ষ নেতাদেরও ধরা হবে

অকার্যকর ও নিষ্ক্রিয় দুর্নীতি দমন কমিশনের আমূল সংস্কার করে দুর্নীতিবাজদের বিচার করবে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার। ‘চুনোপুঁটি’ নয়, ‘বড় বড় রুই-কাতলা’ দুর্নীতিবাজদের আইনের আওতায় আনা হবে। দুর্নীতিতে জড়িত থাকার প্রমাণ মিললে শীর্ষ রাজনীতিকরাও রেহাই পাবেন না। দুর্নীতি প্রতিরোধে বিদ্যমান কমিশনকে আইনগত, প্রশাসনিক, পদ্ধতিগত- সব দিক দিয়ে সংস্কারের মাধ্যমে সত্যিকার অর্থে স্বাধীন করা হবে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে কমিশন পুনর্গঠনসহ সব কাজ সম্পন্ন করা হবে। দুর্নীতি দমন কমিশনকে সচল করার উদ্দেশ্যে গঠিত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন উপদেষ্টা কমিটি এসব সংস্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গতকাল রবিবার উপদেষ্টা কমিটির আহবায়ক আইন, তথ্য, ভূমি ও গণপূর্ত উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কমিটির প্রথম সভায় যোগাযোগ উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অবঃ) আবদুল মতিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত অকার্যকর দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি সুলতান হোসেন খান ও অপর দুই কমিশনার মনিরুজ্জামান মিয়া ও মনিরউদ্দিন আহমেদকে বাদ দিয়ে দক্ষ, নিরপেক্ষ ও যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সমন্বয়ে কমিশন পুনর্গঠন করা হবে। খুব দ্রুত এ কাজ সম্পন্ন করে কমিশনের আইনগত সংস্কারের কাজে হাত দেয়া হবে। যেকোন দুর্নীতির মামলা দায়েরের ৪৫ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করে চার্জশিট প্রদান এবং ৬০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করার বিধান করা হবে। কমিশনের নিজস্ব আইনজীবী ও তদন্তকারী ইউনিট থাকবে। দুর্নীতির মামলা বিচারের জন্য ঢাকায় ও বড় বড় শহরে একাধিক বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে। কমিশনের অন্যান্য জনবল কাঠামো পর্যালোচনা করা হবে।

সহস্রাধিক ব্যক্তির তালিকা নিয়ে যৌথ বাহিনীর বিশেষ দল মাঠে

দুর্নীতিবাজ, কালো টাকার মালিক, ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎকারী ও ভূমিদস্যূসহ সহস্রাধিক ব্যক্তির তালিকা নিয়ে যৌথবাহিনীর বিশেষ দল মাঠে নেমেছে। এই তালিকার মধ্যে বিএনপি-জামায়াত জোট ও আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সাবেক মন্ত্রী, এমপি ও শীর্ষ স্থানীয় নেতারা রয়েছেন। পুলিশ, ডিবি, এসবি, সিআইডি ও অপর দুইটি গোয়েন্দা সংস্থার তালিকা যাচাই বাছাই এবং সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন সংবাদপত্রে দুর্নীতিবাজ মন্ত্রী, এমপি, রাজনৈতিক নেতা ও ভূমিদস্যুদের দুর্নীতির প্রকাশিত সচিত্র প্রতিবেদন নিয়ে এই তালিকা করা হয়। তালিকায় পেশাদার সন্ত্রাসী ও তাদের গডফাদাররা রয়েছে বলে জানা যায়। যৌথবাহিনীর হেফাজতে আলোচিত ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুন ও তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ডাঃ জাহাঙ্গীর সাত্তার টিংকুর দেয়া তথ্যে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎকারী ও দুর্নীতিবাজ মন্ত্রী এমপিদের তথ্য বের হয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে। গত শনিবার মধ্যরাত থেকে যৌথবাহিনী রাজধানী ও ঢাকার বাইরে অভিযান চালিয়ে মন্ত্রী এমপিসহ ১৫ জনকে গ্রেফতার করে। এছাড়া সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাস ও তরিকুল ইসলাম, মোসাদ্দেক হোসেন ফালু, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহসানুল হক মিলন, আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানক, মির্জা আজম ও ডাঃ ইকবালের বাসায় যৌথবাহিনী অভিযান চালায়। ঐ সময় তারা বাসায় ছিলেন না। খুলনা-২ আসনে বিএনপির এমপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমল আহমেদ তপনের বাসায় অভিযান চালান হয়।

৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

Bangladesh

আরো ঘটনা : বাংলাদেশ
 

জন্ম

Provat

নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
(৪ ফেব্রুয়ারি ১৯১৮ – ৬ নভেম্বর ১৯৭০)
ভারতীয় বাঙালি প্রাবন্ধিক, সাহিত্যিক

প্রকৃত নাম তারকনাথ গঙ্গোপাধ্যায়, ‘নারায়ণ’ তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম। ১৯১৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি দিনাজপুর জেলার বালিয়াডিঙ্গিতে তাঁর জন্ম। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল বরিশাল জেলার বাসুদেবপুরের নলচিরায়। পিতা প্রমথনাথ গঙ্গোপাধ্যায় ছিলেন দারোগা। নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় ১৯৩৩ সালে দিনাজপুর জেলা স্কুল থেকে প্রবেশিকা পাস করেন। তারপর ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজে ভর্তি হলেও রাজনৈতিক কারণে ১৯৩৫ সালের ১ মে তাঁকে ফরিদপুর ত্যাগ করতে হয় এবং রিভোলিউশনারি সাসপেক্ট হিসেবে অন্তরীণ থাকার কারণে তিনি পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে পারেননি। পরে তিনি বরিশালের বিএম কলেজে দ্বিতীয় বার্ষিক শ্রেণিতে ভর্তি হন এবং নন-কলেজিয়েট ছাত্র হিসেবে আইএ পাস করেন (১৯৩৬)। একই কলেজ থেকে তিনি ডিস্টিংকশনসহ বিএ (১৯৩৮) পাস করেন। তারপর ১৯৪১ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পরীক্ষায় অসাধারণ ফলাফল অর্জন করায় তিনি ‘ব্রহ্মময়ী স্বর্ণপদক’ লাভ করেন। ওই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই ১৯৬০ সালে তিনি ডিফিল ডিগ্রি অর্জন করেন।

নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় আনন্দচন্দ্র কলেজে অধ্যাপনার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। তারপর জলপাইগুড়ি (১৯৪২-৪৫) ও সিটি কলেজে (১৯৪৫-১৯৫৫) অধ্যাপনা করার পর ১৯৫৬ সাল থেকে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন। নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের সাহিত্যচর্চা শুরু হয় ছাত্রজীবনে কাব্য রচনার মধ্য দিয়ে। কালক্রমে তিনি গল্প, উপন্যাস, নাটক প্রভৃতি রচনা করে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনাগুলি হলো: উপন্যাস উপনিবেশ (৩ খন্ড, ১৯৪৪-৪৭), সম্রাট ও শ্রেষ্ঠী (১৯৪৪), মন্দ্রমুখর (১৯৪৫), শিলালিপি (১৯৪৯), লালমাটি (১৯৫১), কৃষ্ণপক্ষ (১৯৫১), বৈতালিক (১৯৫৫), অসিধারা (১৯৫৭); গল্পগ্রন্থ ট্রফি (১৯৪৯), বীতংস, জন্মান্তর, ভাঙ্গাবন্দর, দুঃশাসন, ভাটিয়ালী (১৯৫৭), একজিবিশন (১৯৬১), ছায়াতরী, ঘূর্ণি, আলেয়ার রাত; প্রবন্ধগ্রন্থ সাহিত্য ও সাহিত্যিক (১৯৫৬), সাহিত্যে ছোটগল্প (১৯৫৬), কথাকোবিদ রবীন্দ্রনাথ (১৯৬৫), ছোটগল্পের সীমারেখা (১৯৬৯); রম্যরচনা সুনন্দর জার্নাল (১৯৬৬); কিশোরগ্রন্থ সপ্তকান্ড, অন্ধকারের আগন্তুক, ছোটদের শ্রেষ্ঠ গল্প (১৯৫২), ছুটির আকাশ, খুশির হাওয়া, ঝাউ বাংলোর রহস্য, পঞ্চাননের হাতি, পটলডাঙ্গার টেনিদা, গল্প বলি গল্প শোন, অব্যর্থ লক্ষ্যভেদ, টেনিদার অভিযান (১৯৪১) ইত্যাদি। তাঁর রচিত নাটক ভাড়াটে চাই এবং আগন্তুক সে সময় বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। তিনি কয়েকটি চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যও রচনা করেন। তাঁর রচিত বহু গান, চলচ্চিত্র ও রেকর্ডে গৃহীত হয়েছে।

নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় শনিবারের চিঠির নিয়মিত লেখক ছিলেন। জীবনের শেষ সময়ে তিনি সাপ্তাহিক দেশ পত্রিকায় ‘সুনন্দ’ ছদ্মনামে লিখতেন। ইতিহাসবোধ ও স্বাদেশিকতা তাঁর রচনার উপজীব্য। বাংলার নিসর্গ ও নদনদীর তরঙ্গমালা, বাঙালির আদিম ও আরণ্যক জীবন তাঁর উপন্যাসে রোম্যান্টিকতার নিরিখে মনোজ্ঞভাবে চিত্রিত হয়েছে। তাঁর ছোটগল্পগুলি নাটকীয় ব্যঞ্জনায় সমৃদ্ধ। বাংলা সাহিত্যে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে আনন্দ পুরস্কার (১৯৪৬) ও সাপ্তাহিক বসুমতীর পক্ষ থেকে সম্বর্ধনা (১৯৬৮) জ্ঞাপন করা হয়। ১৯৭০ সালের ৬ নভেম্বর তিনি কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া

জন্ম-মৃত্যু : খ্যাতিমান বাঙালি ব্যক্তিত্ব
 
বহির্বিশ্ব

২০১৭: রোমানিয়ায় দুর্নীতি সহায়ক ডিক্রির বিরুদ্ধে স্মরণকালের বিক্ষোভ

দুর্নীতির বিরুদ্ধে চতুর্থ দিনের মতো বিক্ষোভ করেছে রোমানিয়ার জনগণ। সরকারের ডিক্রি জারির প্রতিবাদে শুক্রবার সারাদেশে স্মরণকালের সর্বোচ্চ লোকসগম ঘটে। রাস্তায় লাখো মানুষ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। এর আগে ডিক্রির চ্যালেঞ্জ করে আদালতে যান দেশটির ন্যায়পাল ভিক্টর সিওরবিস।

গত কয়েকদিন ধরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে দেশটির জনগণ। তারা মনে করেন, দুর্নীতি দেশকে পিছিয়ে নেওয়ার একটি অশনি সংকেত। এ লক্ষ্যে শুক্রবার সারাদেশে ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ বিক্ষোভ করে। এদের বেশিরভাগ লোক রাজধানী বুখারেস্টের রাস্তায় জমায়েত হয়। ১৯৮৯ সালে কমিউনিস্ট নেতা নিকোলি সিসেস্কুর পতনের পর সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষ এ সমাবেশে অংশগ্রহণ করে। সরকার একটি বিতর্কিত ডিক্রি জারি করলে দেশটিতে এ রাজনৈতিক সঙ্কট দেখা দেয়। এর আগে দেশটির ন্যায়পাল ডিক্রিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সাংবিধানিক আদালতে যান। কেননা এ ডিক্রি ক্ষমতার অপব্যবহার কমাবে না।

আরো ঘটনা : বহির্বিশ্ব
 

জন্ম

Col-Charles

চার্লস অগাস্টাস লিন্ডবার্গ
(৪ ফেব্রুয়ারি ১৯০২ – ২৬ আগস্ট ১৯৭৪)
আমেরিকান বিমান চালক, প্রকৌশলী

চার্লস অগাস্টাস লিন্ডবার্গ মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেট্রয়েট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিশিষ্ট আমেরিকান বিমান চালক, প্রকৌশলী ও পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী ব্যক্তি। স্লিম, লাকি লিন্ডি এবং দ্য লোন ঈগল ডাক নামে তিনি পরিচিত ছিলেন। মে, ১৯২৭ সালে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে একাকী বিরতিহীনভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি থেকে ফ্রান্সের প্যারিস পর্যন্ত বিমান চালনা করে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দেন।

ডেট্রয়েটে ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯০২ তারিখে জন্মগ্রহণ করেন চার্লস লিন্ডবার্গ। শৈশবের কয়েক বছর মিনেসোটা এবং ওয়াশিংটনে অতিবাহিত করেন। তাঁর বাবা মিনেসোটার ৬ষ্ঠ জেলার হয়ে কংগ্রেসে ১০ বছর প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ম্যাডিসনের উইসকনসিন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে অধ্যয়ন করেন। কিন্তু নেব্রাস্কার লিঙ্কনে আকাশে উড়ার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি বিদ্যালয়ে অধ্যয়নের জন্য দুই বছর পরই উইসকনসিন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা ত্যাগ করেন। ১৯২২ সালে তিনি আকাশে উড়েন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কার্টিস জেনি বিমান ক্রয় করেন। এ বিমান দিয়ে তিনি দক্ষিণের রাজ্য থেকে মধ্য-পশ্চিমের রাজ্যগুলোয় সুনিপুণভাবে বিমান পরিচালনা করতেন। চার বছর পর তিনি একটি মেইল প্লেনের পাইলট হন যা মিসৌরী ও শিকাগো শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।

১৯১৯ সালে নিউইয়র্কের রেমন্ড বি অর্টিগ নামীয় ফ্রাঙ্কো-আমেরিকান বিশ্বপ্রেমিকের আমন্ত্রণে ২৫,০০০ মার্কিন ডলার পুরস্কারের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে সিদ্ধান্ত নেন। এটি ছিল প্রথম নিরবিচ্ছিন্নভাবে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে নিউইয়র্ক থেকে প্যারিসে পারাপারের বিমান চালনা। এক আসন ও এক ইঞ্জিনবিশিষ্ট স্পিরিট অব সেন্ট লুইস রায়ান মনোপ্লেন নিয়ে ২০ মে, ১৯২৭ তারিখে সকাল ৭:৫২ ঘটিকায় নিউইয়র্কের গার্ডেন সিটির রুজভেল্ট ফিল্ড থেকে ৩,৬০০ statute mile (৫,৮০০ কিমি) দূরত্বের পথ অতিক্রমণের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করেন। ৩৩ ঘন্টা ৩২ মিনিট পর প্যারিসের কাছাকাছি লে বোরগেট বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করেন। মানব ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তিরূপে প্রথম দিন নিউইয়র্কে ও পরদিন প্যারিসে গমনের সৌভাগ্য অর্জন করেন। এরফলে বিশ্ববাসী তাঁর এ অর্জনকে অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে দেখে এবং তিনি ইউরোপ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় বীরে পরিণত হন।

সূত্র: উইকিপিডিয়া
জন্ম-মৃত্যু : খ্যাতিমান আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব
 

World Cancer Day

World Cancer Day

Time is shortening. But every day that I challenge this cancer and survive is a victory for me.
– Ingrid Bergman

It is hard to find a person in society today that has not been touched by cancer in some way, either directly or indirectly. World Cancer Day hopes to honor those who are fighting and those who have been lost to this dreadful disease. Take a moment and sit with me while I tell you about this unique day of remembrance and determination. I promise you’ll understand the day more and be ready to take your part in helping others so that perhaps one day there will be some in society that are not touched by cancer.

World Cancer Day is a fairly new holiday to bring light to this ages old disease. At the World Summit Against Cancer for the New Millennium in Paris, this day was formally organized by what is called the Paris Charter. The charter was created with many goals. The Paris charter aimed at promoting research for a prevention and cure for cancer. Also, the charter hopes to bring awareness and change to the services provided to patients. They knew that increased awareness and information would help to mobilize the global community to help combat cancer. In the spirit of this charter, World Cancer Day was created.

Wondering what you can do to honor this day? Glad you asked! You can honor World Cancer Day by educating yourself and those around you. The “We can. I can.” campaign is a global movement to bring awareness, research, and information to everyone it can reach. Find more information about them by putting World Cancer Day into your browser and all the answers will be right there in front of you. There are more places to find answers as well. The Cancer Societies in many nations have resources available as well. If you look in your community you will be sure to find many activities that you can join into to help raise funds for research and education. There are events all through the year, not just on this day that you can attend.

দেশেবিদেশে : আজকের ছুটির দিন ও উদযাপনা

Sri Lanka : Independence Day
USA : Kosciuszko Day
Switzerland : Homstrom-celebrates end of winter

আজকের তারিখ ও এখনকার সময় (বাংলাদেশ)

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।