এই দিনে

ইতিহাসে এই দিনে : ২৬ নভেম্বর
বাংলাদেশ

২৬ নভেম্বর ২০০৬

Bangladesh

তিনটি রিট

রাজনৈতিক উত্তাপ আদালতে ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনরত রাজনৈতিক দলের এগারজন নেতা হাইকোর্টে হাজির হয়ে তিনটি রিট দায়ের করেছেন। রিট আবেদনে রাষ্ট্রপতি প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ, অন্য উপদেষ্টাদের সঙ্গে আলোচনা না করে প্রধান উপদেষ্টার একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং খসড়া ও চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ না করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার উদ্যোগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। বিচারপতি মোঃ আওলাদ আলি ও বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে র্ঋমহহতৃদ সোমবার তিনটি রিট আবেদনের শুনানি হবে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, ওয়ার্কার্স পার্টি সভাপতি রাশেদ খান মেনন, গণফোরামের পঙ্কজ ভট্টাচার্য, এলডিপির মেজর (অবঃ) আবদুল মান্নান, সাম্যবাদী দলের দিলীপ বড়ুয়া, গণতন্ত্রী পার্টির নূরুল ইসলাম, ইসলামী ঐক্যজোটের মিছবাহুর রহমান চৌধুরী, জাতীয় পার্টির জিএম কাদের, জাকের পার্টির মুন্সি আব্দুল লতিফ ও ইসলামিক ফ্রন্টের সৈয়দ বাদশা গতকাল হাইকোর্টে হাজির হয়ে পৃথক তিনটি হলফনামার মাধ্যমে রিট পিটিশনগুলো দায়ের করেন।

গোপন বৈঠকের তদন্ত শুরু

রাজধানীর উত্তরায় গত শুক্রবার রাতে বিগত জোট সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমানের ব্যবসায়িক অফিসে অর্ধশত সরকারি কর্মকর্তার গোপন বৈঠকের ব্যাপারে গোয়েন্দা ও পুলিশী তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রশাসনিক তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নীতি নির্ধারক মহলে এবং সার্বিক প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় সৃষ্টিকারী এ ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির দাবি উঠেছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির স্বার্থে ষড়যন্ত্রমূলক বৈঠকে যোগদানকারী কর্মকর্তাদের নির্বাচনী ও প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়ার কথা উঠেছে। বিশেষ করে নির্বাচনকে সামনে রেখে এ ধরনের বৈঠককে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং-এর অংশ বলে সচিবালয়ে ব্যাপক আলোচনা চলে। বৈঠকে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের তালিকা ও ছবি দেখে সাধারণ কর্মকর্তারা মত দেন, বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে বিশেষ সুবিধা ও আনুকূল্য নিয়ে দলীয় ভূমিকা পালন করেন তারা।

সামাজিক অনুষ্ঠান হলে তস্করের মত পালানোর দরকার কি : আকবর আলী
মনে হচ্ছিল ওরা যেন পতিতালয় থেকে বেরিয়ে এসেছেন : স্বরাষ্ট্র সচিব

২৬ নভেম্বর ২০০৭

Bangladesh

সারাদেশে কারাগারে সতর্কতা

কুমিল্লায় ৫ জঙ্গির পলায়নের চেষ্টার ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি, সাসপেন্ড ৩
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সেলের তালা খুলে জেএমবি প্রধান শায়খ আবদুর রহমানের পুত্র নাবিল রহমানসহ ৫ জেএমবি জঙ্গীর পলায়ন চেষ্টার পর দেশের সকল কারাগারে সতর্কাবস্থা জারি করা হয়েছে। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ডিআইজি (প্রিজন) মেজর শামসুদ্দিন হায়দার সিদ্দিকী গতকাল সোমবার দুপুরে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে ঘটনা তদন্তে এসে স্থানীয় সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, দেশের কারাগারগুলোতে কঠোর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এদিকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারা কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক তদন্ত শেষে ৩ কারারক্ষীকে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। এরা হলেন আনোয়ার হোসেন, রমজান আলী এবং কারারক্ষী কমান্ডার আব্দুস সোবহান।

পালিয়ে যাবার সময় কারাগারের দেয়াল থেকে পড়ে গুরুতর আহত মিজানুর রহমান মিনহাজ ও কারারক্ষীদের প্রহারে আহত রঙ্গিলকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। এই দুইজনসহ ৫ জেএমবি ক্যাডারকে রাতে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দেয়াল টপকে কারাগারের বাইরে পড়ে গিয়ে আহত হয় শায়খের ছেলে নাবিল রহমান। কারারক্ষীদের প্রহারে আহত হয় রেদোয়ান ও ছোটন। অপরদিকে ৫ জঙ্গীর আক্রমণে আহত ৩ কারারক্ষী সোমবার হাসপাতাল ত্যাগ করে। তারা হলেন প্রণব আচার্য, রমজান আলী ও আনোয়ার।

তারেক রহমান আবারো ৫ দিনের রিমান্ডে

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমানের পৃথক দুইটি মামলায় আবারো ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এ.সি.এল-আর.সি.এল-এর প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর সৈয়দ আবু শাহেদ সাহেলের গুলশান থানায় দায়ের করা মামলায় ৩ দিন এবং রেজা কন্সট্রাকশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আফতাব উদ্দিনের কাফরুল থানায় দায়ের করা মামলায় ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। ২টি মামলার এজাহারে তারেক রহমানের কোন নাম নেই। তদন্তকারী কর্মকর্তার (আইও) আবেদনের প্রেক্ষিতে কারাগারে আটক তারেক রহমানকে গুলশান থানায় দায়ের করা মামলায় ১৪ মে এবং কাফরুল থানায় দায়ের করা মামলায় ১৩ এপ্রিল গ্রেফতার দেখান হয়।

২৬ নভেম্বর ২০১৩

Bangladesh

আরো ঘটনা : বাংলাদেশ
 

জন্ম

abdul-hai

মুহম্মদ আবদুল হাই
(২৬ নভেম্বর ১৯১৯ – ৩ জুন ১৯৬৯)
বাংলা ভাষার প্রধানতম ধ্বনিবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক

তিনি ১৯১৯ সালের ২৬শে নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার রাণীনগর থানার মরিচা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম আবদুল গণি, মায়ের নাম ময়মুন্নেসা খাতুন। বাবা আবদুল গণি রাজশাহীর পোরেশা গ্রামে ‘সাহু’ পরিবারে শিক্ষকতা ও ইমামতি করতেন। তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু হয় মরিচা গ্রামের কাছে বর্ধনপুর জুনিয়ার মাদ্রাসায়। তিনি ১৯৩২ সালে এ মাদ্রাসার পাঠ সমাপ্ত করে রাজশাহী হাই মাদ্রাসায় ভর্তি হন এবং ১৯৩৬ সালে হাই মাদ্রাসা, ১৯৩৮ সালে ঢাকা ইসলামিক ইন্টারমিডিয়েট কলেজ থেকে আইএ পাস করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৪১ সাতলে বাংলায় বিএ অনার্স এবং ১৯৪২ সালে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর তিনিই ছিলেন বাংলা বিভাগের প্রথম মুসলমান ছাত্র।

মুহম্মদ আবদুল হাইয়ের কর্মজীবন শুরু হয় ঢাকা ইসলামিক ইন্টারমিডিয়েট কলেজে। এ কলেজে এক মাস শিক্ষকতা করে তিনি ১৯৪২ সালে বাংলার লেকচারার পদে বেঙ্গল জুনিয়ার এডুকেশন সার্ভিসে যোগ দেন। একই পদে তিনি ১৯৪৩ সালে কৃষ্ণনগর কলেজ, ১৯৪৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বর রাজশাহী সরকারি কলেজে অধ্যাপনা করেন। ১৯৪৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে প্রভাষক পদে তিনি নিয়োগ লাভ করেন। মুহম্মদ আবদুল হাই ১৯৫০ সালে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজে ভাষাতত্ত্বে অধ্যয়ন ও গবেষণার জন্য গেলে ভাষাতত্ত্ব, ধ্বনিতত্ত্ব ছাড়াও ইংরেজি, আরবি, সংস্কৃত, দ্রাবিড় প্রভৃতি ভাষা শিক্ষার সুযোগ লাভ করেন এবং ১৯৫২ সালে A Phonetic and Phonological Study of Nasal and Nasalization in Bengali শীর্ষক অভিসন্দর্ভ রচনা করে ডিস্টিংশন সহ এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। তাঁর এ অভিসন্দর্ভটি ১৯৬০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়।

১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের পর শাসকশ্রেণীর বিরূপ মনোভাবের কারণে বাংলাভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সঙ্কটের মধ্যে পড়ে। আরবি হরফে বাংলা লেখন, আরবি-ফারসি-উর্দু শব্দের অধিক প্রয়োগ, বাংলা সাহিত্য থেকে ’হিন্দুয়ানি’ বিষয় বর্জন, রবীন্দ্র-সঙ্গীত প্রচার বন্ধ, এমনকি কাজী নজরুল ইসলামের শ্যামা-সঙ্গীত প্রচাররোধ-এরকম বিতর্কিত কর্মকান্ড শুরু হয়। সংস্কৃতির এ দুর্দিনে দৃঢ়চিত্ত আবদুল হাই পেশাগত দায়িত্ব ও নৈতিক অঙ্গীকার নিয়ে এগিয়ে চলেন। ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিভাগে ফিরে এসে প্রথমে তিনি যোগ্য ও দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে বাংলা বিভাগকে পুনর্গঠিত করেন। তাঁর আগ্রহে সৈয়দ আলী আহসান, মুনীর চৌধুরী, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, আহমদ শরীফ, আনিসুজ্জামান, আবু হেনা মোস্তফা কামাল প্রমুখ কৃতিমান শিক্ষক বাংলা বিভাগে যোগদান করেন।

মুহম্মদ আবদুল হাই ১৯৫৪ সালে বাংলা বিভাগের রিডার ও অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন। ১৯৬২ সালে যখন তিনি অধ্যাপক পদে নিয়োগ লাভ করেন, তখন বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির অঙ্গনে ছিল এক দুঃসময়। গবেষণার ক্ষেত্র প্রস্ত্তত ও প্রসারের লক্ষ্যে তিনি সাহিত্য পত্রিকা (১৯৫৭) প্রকাশ করেন। উচ্চমানের জন্য খুব দ্রুত পত্রিকাটি আন্তর্জাতিক খ্যাতি লাভ করে। আবদুল হাই এ পত্রিকাটি সম্পাদনার পাশাপাশি নিরলসভাবে নিজের গবেষণাও চালিয়ে যান। প্রকাশিত হয় সাহিত্য ও সংস্কৃতি (১৯৫৪), বিলেতে সাড়ে সাত শ’দিন (১৯৫৮), তোষামোদ ও রাজনীতির ভাষা (১৯৫৯), ভাষা ও সাহিত্য (১৯৬০), ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব (১৯৬৪) প্রভৃতি গ্রন্থ। বাংলা ভাষার ধ্বনির গঠন, উচ্চারণ ও ব্যবহারবিধি সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা-বিশে­ষণ দিয়ে রচিত তাঁর ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব গ্রন্থটি মুহম্মদ আবদুল হাইকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি দান করে।

মুহম্মদ আবদুল হাইয়ের অপর উল্লেখযোগ্য অবদান বাংলা বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ভাষা ও সাহিত্য সপ্তাহ’ (২২-২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৩) পালন। এর প্রধান লক্ষ্য ছিল বাঙালির ওপর চাপিয়ে দেওয়া পাকিস্তানি সংস্কৃতির বিরোধিতা করা এবং নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য জনসাধারণের কাছে তুলে ধরা। আয়োজনটি অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছিল এবং সেটা সকল শ্রেণীর মানুষের মনে বিপুল সাড়া জাগায়। বিদেশের বৌদ্ধিক সমাজের সঙ্গে জ্ঞানের অংশীদার হওয়ার জন্য তিনি বহু আন্তর্জাতিক সেমিনার-সিম্পজিয়ামে, প্রশিক্ষণমূলক প্রোগ্রামে যোগদান ও সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে তিনি দশ মাস মেয়াদে ১৯৬৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর আমেরিকার মিজোরি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করেন। ১৯৬৯ সালের ৩ জুন ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া

জন্ম-মৃত্যু : খ্যাতিমান বাঙালি ব্যক্তিত্ব
 
বহির্বিশ্ব

২০১৬: ৯০ বছর বয়সে মারা গেলেন কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল ক্যাস্ত্রো

৯০ বছর বয়সে মারা গেলেন কিউবার বিপ্লবী নেতা ও সাবেক সাবেক প্রেসিডেন্ট ফিদেল ক্যাস্ত্রো। ১৯২৬ সালের ১৩ আগস্ট উত্তর-পশ্চিম স্পেনে বাবার ফার্মে জন্ম গ্রহণ করেন তিনি। দীর্ঘ অর্ধশত বছরের বেশি নিজ দেশের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ফিদেল ক্যাস্ত্রো। বাংলাদেশের স্থানীয় সময়ে আজ শনিবার সকালে মারা গেছেন তিনি। ফিদেল আলজেন্দ্রো ক্যাস্ত্রো রুস সকলের কাছে পরিচিত ফিদেল ক্যাস্ত্রো নামে। তার নেতৃত্বে ১৯৫৯ সালে কিউবার বিপ্লবীরা দেশটির যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত একনায়ককে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ করে। এরপর প্রায় অর্ধ-শতাব্দী ধরে কিউবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

১৯২৬ সালে কিউবার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ওরিয়েন্টে প্রদেশে ক্যাস্ত্রো জন্মগ্রহণ করেন। হাভানা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন পড়ার সময় ফিদেল ক্যাস্ত্রোর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। এরপর কিউবার রাজনীতিতে একজন বিখ্যাত ব্যক্তিতে পরিণত হন। তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় প্রেসিডেন্ট বাতিস্তা এবং কিউবার উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক প্রভাবের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী সমালোচনামূলক নিবন্ধ লিখে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব থেকে কিউবাকে বের করে নিয়ে এসে বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করার কারণে দেশটির অনেকেই তাকে গভীর শ্রদ্ধা করেন। প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ফিদেল ক্যাস্ত্রো দেশের অর্থনীতিকে জাতীয়করণ করেছিলেন এবং প্রায় একাই দেশ শাসন করেছিলেন। স্বাস্থ্যগত কারণে ২০০৮ সালে আরেক বিপ্লবী নেতা ছোটভাই রাউল ক্যাস্ত্রোর (৮৫) কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন তিনি।

এক নজরে ফিদেল ক্যাস্ত্রো:
১৯২৬: এ বছর আগস্ট মাসের ১৩ তারিখে উত্তর-পশ্চিম স্পেনে বাবার ফার্মে জন্ম নেন ক্যাস্ত্রো।
১৯৫৩: বাতিস্তা সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে বিদ্রোহের জন্য তাকে জেলে প্রেরণ করা হয়।
১৯৫৫: শান্তি চুক্তির মাধ্যমে জেল থেকে ছাড়া পান ক্যাস্ত্রো।
১৯৫৬: চে গুয়েভারাকে সঙ্গে নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ শুরু করেন।
১৯৫৯: বাতিস্তা সরকারের পতন এবং কিউবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ।
১৯৬০: যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেলিজেন্স সিআইএ-এর সহায়তায় কিউবার বিরুদ্ধে চলা ‘বে অব পিগস’ ষড়যন্ত্র মোকাবেলা।
১৯৬২: কিউবায় সোভিয়েত রাশিয়া মিসাইল স্থাপন করতে যাচ্ছে বলে ঘোষণা দিয়ে চমক সৃষ্টি করেন।
১৯৭৬: কিউবার ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন।
১৯৯২: কিউবার রিফুজি বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রে সঙ্গে সমঝোতা করেন।
২০০৮: স্বাস্থ্যগত কারণে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরে দাড়ান।

‘আমি হিমালয় পর্বতমালা দেখিনি। কিন্তু আমি শেখ মুজিবকে দেখেছি।’
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা এমন উক্তিতেই করেছিলেন সদ্য প্রয়াত কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও কমিউনিস্ট বিপ্লবের কিংবদন্তি নেতা ফিদেল ক্যাস্ট্রো। ১৯৭৩ সালে আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) চতুর্থ সম্মেলনে যোগ দেয় বাংলাদেশ ও কিউবা। সে সময়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল ক্যাস্ট্রোর সাক্ষাত্ হয়। তিনি সেদিন বঙ্গবন্ধুকে আলিঙ্গন করে বলেছিলেন, ‘আই হ্যাভ নট সিন দ্য হিমালয়েজ। বাট আই হ্যাভ সিন শেখ মুজিব। ইন পারসোনালিটি অ্যান্ড ইন কারেজ, দিস ম্যান ইজ দ্য হিমালয়েজ। আই হ্যাভ দাজ হ্যাড দ্য এক্সপিরিয়েন্স অব উইটনেসিং দ্য হিমালয়েজ।’ অর্থাত্ ‘আমি হিমালয় পর্বতমালা দেখিনি। কিন্তু আমি শেখ মুজিবকে দেখেছি। ব্যক্তিত্ব ও সাহসিকতায়, এই মানুষই হিমালয়। এভাবে আমার হিমালয়ও দেখা হয়ে গেল।’ বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে ক্যাস্ট্রোর এই উক্তি বাংলাদেশের মানুষের আজীবন মনে থাকবে।

আরো ঘটনা : বহির্বিশ্ব
 

জন্ম

Tina

টিনা টার্নার
(২৬ নভেম্বর ১৯৩৯ – )
মার্কিন সংগীত তারকা

বলা যায় রক সংগীতের ইতিহাসে, বিশেষ করে বিংশ ও একবিংশ শতাব্দিতে টিনা টার্নারই সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী সফল নারী রক সংগীত শিল্পী৷ ষাটের দশকের শুরু থেকেই ‘আইকে অ্যান্ড টিনা টার্নার রিভিউ’ গোষ্ঠী নিয়ে সংগীত জগতে তাঁর জয়যাত্রা৷ এই গোষ্ঠীর পরিবেশনায় ‘রিভার ডিপ, মাউন্টেন হাই’ গানটি তাঁকে এনে দেয় আন্তর্জাতিক খ্যাতি৷ তারপর থেকে অসংখ্য অ্যালবাম ও কনসার্টের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক রক সংগীতাঙ্গনে বিশেষ স্থান করে নেন টিনা৷ সত্তরের মাঝামাঝি সময় থেকেই অভিনেত্রী হিসেবেও তিনি পান বিশেষ সমাদর৷ উল্লেখযোগ্য, ৮৫ সালের বক্স অফিস হিট ‘মেড ম্যাক্স’ ছায়াছবি৷ এই ছবির প্রধান মহিলা চরিত্রে অভিনয়ের জন্য বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি৷ তাঁরই গাওয়া এ ছবির হিট গান ‘উই ডোন্ট নিড অ্যানাদার হিরো’৷

তাঁর আসল নাম আনা মেই বুলোক৷ জন্ম ১৯৩৯ সালে টেনেসির ব্রাউনসভিলে৷ ছোটবেলা থেকেই গান গাইতে আগ্রহী ছিলেন৷ স্কুল জীবনে তিনি ছিলেন ‘আর অ্যন্ড বি’ সংগীতের অনুরাগী৷ সেন্ট লুইসে হাই স্কুল শেষ করার পর ১৯৫৮ সালে তাঁর পরিচয় হয় সংগীত শিল্পী আইকে টার্নার ও তাঁর ব্যান্ড ‘কিংস অফ রিডেম’-এর সাথে এবং এই গোষ্ঠীর নেপথ্য শিল্পী হিসেবে শুরু হয় তাঁর সংগীত জীবন৷ কিছুকাল পরই আইকে তাঁকে এই গোষ্ঠীর প্রধান গায়িকা হিসেবে নির্বাচন করেন এবং আনা, নামগ্রহণ করেন টিনা টার্নার৷ ‘কিংস অফ রিডেম’ ব্যান্ডের নতুন নাম হয় ‘আইকে আন্ড টিনা টার্নার রিভিউ’৷ আইকে ও টিনা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন৷ বেশ কটি অ্যালবাম ও কনসার্টের মধ্য দিয়ে এই জুটি জয় করেন বিপুল জনপ্রিয়তা৷ কিন্তু এই দাম্পত্য জীবন সুখের হয়নি৷ সত্তরের শেষার্ধে ভেঙে যায় এই বন্ধন৷ টিনা শুরু করেন তাঁর একক ক্যারিয়ার৷ ৮৪ সালে তাঁর অ্যালবাম ‘প্রাইভেট ডেন্সার’ তাঁকে এনে দেয় বিশ্বখ্যাতি৷

আজও ‘কুইন অফ রক অ্যান্ড রোল’ হিসেবে খ্যাত টিনা টার্নারের সাফল্য ও জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি৷ আজও রক সংগীতের অঙ্গনে রয়েছে তাঁর সজীব পদচারণা৷ ১৮ কোটিরও বেশি অ্যালবাম বিক্রি হয়েছে তাঁর৷ ‘রক অ্যান্ড রোল হল অফ ফ্যাম’-এ অভিষিক্ত হওয়া ছাড়াও সাতবার গ্র্যামি সহ আরো বহু পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন ‘রক-আইকন’ টিনা টার্নার৷

সূত্র: উইকিপিডিয়া,
জন্ম-মৃত্যু : খ্যাতিমান আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব
 

Cake Day

cake-day

Cakes are special. Every birthday, every celebration ends with something sweet, a cake, and people remember. It’s all about the memories.
Valastro

“Qu’ils mangent de la brioche!” or, “Let them eat cake!” Perhaps the most famous quote about cake ever, these were the words of a great French princess, often likely Marie Antoinette herself, upon being informed that the peasants were so poor that they had no bread to eat during one of the famines that occurred in France during the reign of her husband, Louis XVI. Needless to say, the ignorance and arrogance of that disdainful statement did not win either Marie Antoinette or her husband any respect or sympathy from their people, who then proceeded to behead both of them during the French Revolution.
However, none of this changes the fact that cake is arguably one of the most delicious things humans have ever made to eat, and its numerous varieties continue to astound every cake fan. For that reason, it is obvious that cake is more than deserving of its own little holiday.

The history of cake dates back to ancient times, and the first cakes are thought to have been made in Ancient Greece and Egypt. These first cakes were rather heavy and flat and were eaten at the end of a meal with nuts and honey. Nowadays, this type of cake has evolved into baklava, a traditional Greek dessert and a must-try for any fan of sweet stickiness. In later years the ancient Romans also created their own version of this sweet treat, which was rather creamy and rich. However, like in many cultures around the world, this cake was often reserved for the gods and was offered to them at their temples as a sign of respect, love, and reverence. The Oxford English Dictionary traces the English word cake back to the 13th century. During the Great Depression, it was necessary to provide easy, relatively cheap food to millions of Americans who were living in poverty, and the boxed cake mix was born. The idea turned out to be pure gold, as millions of housewives all over the United States took advantage of this way to make their lives easier.

Of course, the best way to celebrate Cake Day is by eating cake with family and friends. You can buy a number of different types of cakes to celebrate the event, or have fun making your own cakes mark the occasion. There are many different kinds of cake to choose from. Yeast cakes are one of the oldest types and are pretty similar to bread in texture, due to the yeast content. There are many different types of cheesecake, from the rich and creamy New York style cheesecakes baked in a graham cracker crust and drowned in cherry syrup, to the healthier varieties made from cottage cheese and filled with orange and lemon peel and raisins that are lower in calories and fat and higher in protein. Sponge cakes rely on the air trapped inside them during baking for their light texture, and are famously paired with rich butter or cream cheese-based icings for balance; however, these icings tend to be a bit complicated to make and are easily ruined, so if you are a novice baker, perhaps go for something a bit simpler. So pick a type of cake that suits you and you family’s or friends’ needs the best and start baking! The experience will be both fun and educational.

দেশেবিদেশে : আজকের ছুটির দিন ও উদযাপনা
 
আজকের উদ্ধৃতি

‘দেশে গণতন্ত্র আবার গভীর খাদের কিনারে গিয়ে একদলীয় কর্তৃত্ববাদী শাসনের কবলে পড়েছে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচনের পর গণতন্ত্র এখন মৃতপ্রায়। ’
খালেদা জিয়া : বিএনপির চেয়ারপারসন (২৬ নভেম্বর, ২০১৫)


আজকের তারিখ ও এখনকার সময় (বাংলাদেশ)

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।