ভিডিও

প্রামাণ্যচিত্র ও শিক্ষামূলক ভিডিও

রক্ত সংবহন তন্ত্র

যে প্রক্রিয়ায় প্রাণীদেহের রক্ত পরিবহনের কাজ সম্পন্ন হয় তাকে সংবহন প্রক্রিয়া বলে। রক্ত, হৃৎপিন্ড, ধমনী, শিরা এবং লসিকা ও লসিকাবাহী নালির সমন্বয়ে মানব দেহের সংবহনতন্ত্রগঠিত। যে তন্ত্রের মাধ্যমে দেহে রক্ত সঞ্চালিত হয় তাকে রক্ত সংবহন তন্ত্রবলে। হৃৎপিন্ড, রক্ত ও রক্তবাহী নালির সমন্বয়ে রক্ত সংবহনতন্ত্রগঠিত। রক্তের উপাদান দুইটি – রক্তরস ও রক্তকণিকা
১। রক্তরস (plasma) – রক্তের তরল অংশ। সাধারণত রক্তের শতকরা ৫৫ ভাগ রক্তরস। এতে আমিষ, লবণ ও অন্ত্র থেকে শোষিত খাদ্য উপাদান থাকে। রক্তরসে রক্তকণিকা ভাসমান অবস্থায় থাকে। রক্তরস দেহের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন, খাদ্যসার, হরমোন ইত্যাদি বহন করে এবং দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে ক্ষতিকর পদার্থ (কার্বন ডাই-অক্সাইড, ইউরিয়া, ইউরিক এসিড ইত্যাদি) বহন করে বিভিন্ন রেচন অংগের মাধ্যমে দেহ থেকে বের করে দেয়।

২। রক্তকণিকা (blood cells) রক্তে তিন ধরনের কণিকা রয়েছে।

  1. লোহিত রক্তকণিকা (Red blood cells) যার জন্য রক্তের রঙলাল দেখায়। এর মধ্যে হিমোগ্লোবিন নামক একটি রঞ্জক পদার্থ থাকে। হিমোগ্লোবিন সাথে অক্সিজেন যুক্ত হয়ে দেহকোষে পৌছায়।
  2. শ্বেত রক্তকণিকা (White blood cells) লোহিত রক্তকণিকার চেয়ে আকারে কিছুটা বড় ও অনিয়মিত আকারের হয়। এদের নিউক্লিয়াস আছে। পিহা ও অস্থিমজ্জায় এদের জন্ম। দেহে কোন রোগ-জীবাণু প্রবেশ করলে শ্বেত রক্তকণিকা সেগুলোকে ধ্বংস করে।
  3. অনুচক্রিকা (Platelets) দেখতে গোলাকার বা বৃত্তের মতো। এরা লোহিত রক্তকণিকার চেয়েআকারে ছোট হয় ও নিউক্লিয়াস থাকে না। এরা গুচ্ছাকারে থাকে। এদের উৎপত্তি লোহিত অস্থিমজ্জায়। দেহের কোন অংশ কেটে রক্তপাত ঘটলে অনুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।

রক্তের কাজ : ১. খাদ্য পরিবহন, ২. অক্সিজেন পরিবহন, ৩. কার্বন ডাইঅক্সাইড ত্যাগ, ৪. বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশন, ৫. রোগ প্রতিরোধ, ৬. হরমোন পরিবহ, ৭. তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, ৮. রক্ত জমাট বাধা।

    আমাদের দেহে তিন ধরনের রক্তনালি আছে:

  • ধমনী (artery) – যে সকল রক্তবাহী নালি হৃৎপিন্ড থেকে উৎপন্ন হয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত বহন করে তাকে ধমনী বলে।
  • শিরা (vein) – যে সকল রক্তনালি দ্বারা দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্তহৃৎপিন্ডে ফিরে আসে তাকে শিরা বলে।
  • কৈশিকনালি।(Capillaries) – ধমনী ক্রমান্বয়ে শাখা প্রশাখায় বিভক্ত হয়ে শেষ পর্যন্ত অতিসূক্ষ্ম নালি তৈরি করে। এই সকল সূক্ষ্মনালিকে কৈশিকনালি বা কৈশিক জালিকা বলে।

হৃৎপিন্ড বক্ষ গহ্বরের বাম দিকে দুই ফুসফুসের মাঝখানে অবস্থিত একটি মোচাকৃতির অঙ্গ। হৃৎপেশি এক ধরনের স্বাধীন অনৈচ্ছিক পেশি যা কারো নিয়ন্ত্রণ ছাড়া নিজে নিজেই সংকোচন ও প্রসারণে সক্ষম। প্রতি মিনিটে কমবেশী ৭২ বার হৃৎপিন্ড সংকোচিত ও প্রসারিত হয়। এটাকে বলে হৃদস্পন্দন।
হৃৎপিন্ড একটি চার প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট ফাঁপা অঙ্গ। হৃৎপিন্ডের উপরের প্রকোষ্ঠ দুইটির নাম ডান অলিন্দ ও বাম অলিন্দ এবং নিচের প্রকোষ্ঠ দুইটি যথাক্রমে ডান ও বাম নিলয়। অলিন্দে প্রাচীর পাতলা ও নিলয়ের প্রাচীর পুরু থাকে। অলিন্দ ও নিলয় দুইটি আলাদা প্রাচীর দ্বারা পৃথক থাকে। আয়তনে অলিন্দগুলো নিলয়ের চেয়ে আকারে ছোট হয়। ডান অলিন্দ ও ডান নিলয়ের মাঝে ডান অলিন্দ-নিলয় ছিদ্র থাকে। ঐ ছিদ্র পথ কপাটিকা থাকে। রক্ত এ কপাটিকার মাধ্যমে অলিন্দ থেকে নিলয়ে প্রবেশ করতে পারে। অনুরূপভাবে বাম অলিন্দ ও নিলয়ের মাঝে কপাটিকা থাকে। এক্ষেত্রেও বাম অলিন্দ থেকে রক্ত কেবল মাত্র নিলয়ে প্রবেশ করতে পারে। এছাড়া মহাধমনী ও বাম নিলয়ের সংযোগস্থলে ও ফুসফুসীয় ধমনী এবং ডান নিলয়ের সংযোগস্থলে অর্ধচন্দ্রাকৃতির কপাটিকা রয়েছে। এ কপাটিকাগুলো রক্তের গতিপথ একদিকে নিয়ন্ত্রণ করে।
যখন হৃৎপিন্ডের সংকোচন হয় তখন হৃৎপিন্ড থেকে রক্ত ধমনী পথে বিভিন্ন অংশে সঞ্চালিত হয়। আবার হৃৎপিন্ডে যথন প্রসারণ ঘটে তখন দেহের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে রক্ত শিরা পথে হৃৎপিন্ডে ফিরে আসে। এভাবে হৃৎপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণ দ্বারা রক্ত একবার হৃৎপিন্ডে প্রবেশ করে আবার হৃৎপিন্ড থেকে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সঞ্চালিত হয়।

Cardiovascular System

In modern medical treatments, patients may receive a pint of whole blood or just the specific components of the blood that are needed to treat their particular condition.
Whole blood contains red cells, white cells, and platelets (~45% of volume) suspended in blood plasma (~55% of volume). Whole Blood is the simplest, most common type of blood donation. It’s also the most flexible because it can be transfused in its original form, or used to help multiple people when separated into its specific components of red cells, plasma and platelets.
Red blood cells (RBCs), or erythrocytes, give blood its distinctive color. Produced in our bone marrow, they carry oxygen from our lungs to the rest of our bodies and take carbon dioxide back to our lungs to be exhaled. There are about one billion red blood cells in two to three drops of blood.
Platelets, or thrombocytes, are small, colorless cell fragments in our blood whose main function is to stick to the lining of blood vessels and help stop or prevent bleeding. Platelets are made in our bone marrow.
Plasma is the liquid portion of blood; our red and white blood cells and platelets are suspended in plasma as they move throughout our bodies.
White blood cells, or leukocytes, are one of the body’s defenses against disease: some destroy bacteria and others create antibodies against bacteria and viruses or fight malignant disease. But while our own white cells help us stay healthy, they can be dangerous to someone who receives donated blood. That’s because leukocytes may carry viruses that cause immune suppression and release toxic substances in the recipient. To avoid these negative reactions, leukocytes are often removed from transfusable blood components, a process called leuko-reduction.

The cardiovascular system consists of the heart, blood vessels, and the approximately 5 liters of blood that the blood vessels transport. Responsible for transporting oxygen, nutrients, hormones, and cellular waste products throughout the body, the cardiovascular system is powered by the body’s hardest-working organ — the heart, which is only about the size of a closed fist. Even at rest, the average heart easily pumps over 5 liters of blood throughout the body every minute.

The heart is a muscular pumping organ located medial to the lungs along the body’s midline in the thoracic region. The bottom tip of the heart, known as its apex, is turned to the left, so that about 2/3 of the heart is located on the body’s left side with the other 1/3 on right. The top of the heart, known as the heart’s base, connects to the great blood vessels of the body: the aorta, vena cava, pulmonary trunk, and pulmonary veins.
There are 2 primary circulatory loops in the human body: the pulmonary circulation loop and the systemic circulation loop.
Pulmonary circulation transports deoxygenated blood from the right side of the heart to the lungs, where the blood picks up oxygen and returns to the left side of the heart. The pumping chambers of the heart that support the pulmonary circulation loop are the right atrium and right ventricle.
Systemic circulation carries highly oxygenated blood from the left side of the heart to all of the tissues of the body (with the exception of the heart and lungs). Systemic circulation removes wastes from body tissues and returns deoxygenated blood to the right side of the heart. The left atrium and left ventricle of the heart are the pumping chambers for the systemic circulation loop.


পানির অভাবে শরীরে যা ঘটে

মানুষের শরীরে ৭০ ভাগই পানি৷ তবে শরীর বেশিক্ষণ পানি সংরক্ষণ করে রাখতে পারে না। ফলে কিডনি, অন্ত্র, ত্বক ও ফুসফুসের মাধ্যমে শরীর থেকে প্রতিদিন আড়াই লিটার পানি বেরিয়ে যায়। শরীরে পানির অভাবে সাধারণত মাথা ব্যথা, মনোযোগে ব্যাঘাত, মাথা ঘোরা, শুষ্ক ত্বক, ঘন প্রস্রাব ইত্যাদি হয়ে থাকে।

What would happen if you didn’t drink water?
Completely depleting your body of water, even with fluids that contain water such as juice, coke, or tea, causes the brain to detect this change and creates the urge to drink something immediately. When we don’t drink water, we being to experience the initial signs of dehydration such as dry mouth, followed by dark urine with a strong odor. This signals the body’s attempt to conserve more fluids. With one to two days of no fluids, we stop peeing altogether, have trouble swallowing, suffer from muscle spasms, and are more likely to experience nausea. The attention to digestion does not become a priority as victims become delirious and begin to suffer from severe brain function. Blood flow stops flowing to the skin, reduces heat loss, increases cork body temperature, and then gives us a bluish tint. Within three to five days, say Moffit and Brown, our organs and brain shut down.

তথ্য, ছবি ও ভিডিও সূত্র: উইকিপিডিয়া, বাংলাপিডিয়া, ইউটিউব, পত্র-পত্রিকা ও ইন্টারনেট