ভিডিও

প্রামাণ্যচিত্র ও শিক্ষামূলক ভিডিও

সাপে নেউলে লড়াই

সাপের সাথে নেউল অর্থাৎ বেজির শত্রুতা চিরকালের। সাপে-নেউলের এই শত্রুতা নিয়ে প্রচলিত আছে অনেক কুসংস্কার। প্রকৃতির যেসব ব্যাপার মানুষ নিয়ন্ত্রণ করতে সেসব নিয়ে মানুষের অত মাথঅব্যাথা নেই। কিন্তু যেসব ঘটনার ব্যাখ্যা সাধারণ মানুষ করতে পারে না কিংবা যাকে সে ভয় পায়, সেখানেই জন্ম নেয় কুসংস্কার। সাপ বেজির লড়াইয়ে বেজির জেতার দুটো কারণ। এক, বেজির খিপ্রতা। দুই, তুলনামুল ভালো দৃষ্টিশক্তি। লড়াই করার সময় বেজি খুব দ্রুত নিজের জায়গা বদল করে। সাপ যখন ছোবল দেয় খুব দ্রুত সরে গিয়ে বেজি গা বাঁচায়। কিন্তু সাপ সেটা এড়াতে দ্রুত জায়গা বদল করতে পারে না। সাধারণভাবে ছোটার সময় সাপের গতি মন্দ নয়। কিন্তু ফনা তুলে সাপ দৌড়াতে গেলে সেই গতি আর থাকে। কিছু কিছু সাপ ফনা ধরে অল্প গতিতে চলতে পারে। কিন্তু বেশিরভাগ সাপই ফনা ধরে ছুটতে পারে না। অথচ বেজিকে যদি কামড় দিতে হয়, তবে সাপকে ফনা তুলতে হবে। ফনা তুলে যদি কোনওভাবে বেজিকে একটা ছোবল দিতে পারে, তাহলে খেল খতম। কিন্তু এটাই বড় কঠিন কাজ। সাপ ছোবল দিলে বেজি দ্রুত সরে যায়। সাপ আবার ফনা তোলার আগেই বেজি আক্রমণ শানায়। সোজা গিয়ে কামড়ে ধরে সাপের ফনার ওপরের ভাগটা। সেটা খুব সুচারুভাবে। সাপ শত চেষ্টা করলেও তখন বেজির মুখের ভেতর বিষদাঁত বিঁধাতে পারে না। সাপ তখন চেষ্টা করে বেজিকে তার শরীর দিয়ে পেঁচিয়ে ধরতে। কিন্তু সাপও নিজেকে পেঁচায়। এমনভাবে, যেন সাপের শরীর বেজির শরীরে নাগাল পায় না। সাধারণত সাপের মৃত্যু হলেই বেজি তাকে ছেড়ে দেয়। এই লড়াইয়ে বেজিরও প্রচুর শক্তি ব্যয় হয়। ক্লান্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু কখনও কখনও বেজি ভয়ানক ক্রুব্ধ থাকে। সাপ মরলেও ক্রোধ যায় না। তাই ছাড়ে না মরা সাপেক। দাঁত দিয়ে কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলে।

Mongoose and Snake fight

In any fight flanked by a mongoose and a snake. a Mongoose is bound to be victorious owing to its agility and fearlessness .But what , the majority people don’t know is that most mongoose themselves die after a snake fight . Because during the fight if the snake manage to bite a mongoose but the venom takes effect later. In any fight between a mongoose and a snake. A Mongoose is bound to be victorious owing to its agility and fearlessness .But what, most people don’t know is that most mongoose themselves die after a snake fight. Since through the fight if the snake manages to nibble a mongoose but the venom takes effect later. Depends on the snake and the mongoose. The Indian Grey Mongoose is fairly immune to cobra bites and is very agile, so can win in a fight in the midst of a cobra. However, the mongoose in the wild will probably avoid the snake even though they’re stronger, at the same time as they eat lots of other animals and would rather not labor so hard for their serving of food. This is why efforts to control snakes insure Pacific Islands by import mongooses broken up in disaster: The Mongooses started eating wild birds and rodents and did t touch the snakes.


হার্ট বাইপাস সার্জারি

অনেকের হৃৎপিণ্ডে জন্মগত ত্রুটি থাকে। ওষুধে সেই ত্রুটি দূর করা সম্ভব হয় না। শল্যচিকিৎসাই একমাত্র বিকল্প। অনেকের হৃৎপিণ্ডের রক্তনালি বন্ধ হয়ে যায়। রক্ত সঞ্চালনের বিকল্প পথ তৈরিতে ‘বাইপাস সার্জারি’ করতে হয়। এটাও ওপেন হার্ট সার্জারি। আরও কিছু জটিলতায় ওপেন হার্ট সার্জারি একমাত্র ভরসা। করোনারি আর্টারি বাইপাস গ্রাফটিং, যা বাইপাস সার্জারি নামে পরিচিত, হৃপিণ্ডের ধমনির ব্লকের এটি একটি উত্তম চিকিৎসা। এই চিকিৎসার প্রধান উদ্দেশ্য হলো রক্তনালি বন্ধ হওয়ার কারণে হার্টের যে অংশে রক্ত চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে অথবা একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে, সেই অংশে রক্তের সরবরাহ নিশ্চিত করা। রক্ত প্রবাহিত করার জন্য একটি নতুন পথ (বাইপাস) তৈরি করা হয় পা, বুক বা কবজি থেকে ধমনি বা শিরার একটি সুস্থ টুকরা প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে।

Heart bypass surgery
Heart bypass surgery, or coronary artery bypass graft (CABG) surgery, is used to improve blood flow to your heart. A surgeon uses blood vessels taken from another area of your body to bypass the damaged arteries. Doctors perform approximately 200,000 such surgeries in the United States each year. This surgery is done when coronary arteries become blocked or damaged. These arteries supply your heart with oxygenated blood. If these arteries are blocked or blood flow is restricted, the heart doesn’t work properly. This can lead to heart failure.

তথ্য, ছবি ও ভিডিও সূত্র: উইকিপিডিয়া, বাংলাপিডিয়া, ইউটিউব, পত্র-পত্রিকা ও ইন্টারনেট