এই দিনে

–>

ইতিহাসে এই দিনে : ২২ জানুয়ারি
বাংলাদেশ

২২ জানুয়ারি ২০০৬

Bangladesh

হরতালে বেদম পিটুনি ধরপাকড় ভাংচুর

আওয়ামী লীগ, ১১ দল, জাসদ ও ন্যাপের আহ্বানে সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালিত হয়। ভোটার তালিকা প্রণয়নে হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়ন, নতুন দুই নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগ বাতিল এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) পদত্যাগের দাবিতে এ হরতাল ডাকা হয়। হরতাল চলাকালে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হরতালের সমর্থকদের সাথে পুলিশের বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ হয়। এরমধ্যে ঢাকা মহানগরীর মহাখালী, মিরপুর, পল্টন, ধানমন্ডি, মালিবাগ এলাকায় পুলিশের বেধড়ক লাঠিচার্জে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা মোহাম্মদ নাসিম এমপি, কর্নেল (অবঃ) ফারুক খান এমপি, সাবেক এমপি ডাঃ এইচবিএম ইকবাল, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তারসহ আহত হন শতাধিক। পুলিশ বিরোধী দলের দুই শতাধিক নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করে। স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা কাজী মোশতাক এলেন, ঢাকা মহানগর যুব মহিলা লীগের (উত্তর) সাধারণ সম্পাদক সাবিনা আক্তার তুহিনসহ অনেককে পুলিশ বেদম পিটুনিতে আহত করার পর গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।

২২ জানুয়ারি ২০০৭

Bangladesh

জগন্নাথ ভার্সিটিতে শিক্ষার্থী-পুলিশ সংঘর্ষে আহত অর্ধ শতাধিক

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার্থী ও পুলিশের সংঘর্ষে পুলিশ, ছাত্র ও পথচারীসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে। পুলিশ আটক ৮ ছাত্রকে গ্রেফতার করেছে। সংঘর্ষকালে ক্যাম্পাসের সামনের রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। বাংলাবাজার বালিকা বিদ্যালয়, কবি নজরুল কলেজ ও জজ কোর্ট মোড় পর্যন্ত সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। সদরঘাট এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীরা অর্ধশতাধিক রিকশা ও গাড়ি ভাংচুর করে।

২২ জানুয়ারি ২০১৫

Bangladesh

আরো ঘটনা : বাংলাদেশ
 

জন্ম

a

দিলীপ কুমার রায়
(২২শে জানুয়ারি ১৮৯৬ – ৭ই জানুয়ারি ১৯৮০)
কবি, গায়ক, সুরকার ও লেখক

১৮৯৬ খ্রিষ্টাব্দের ২২শে জানুয়ারিতে ভারতের পশ্চিম বাংলার নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন বিখ্যাত কবি ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। বাল্যকালেই তিনি মাতৃহীন হন। ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর পিতার মৃত্যুর পর তিনি পিতামহের গৃহে প্রতিপালিত হন। কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দে অঙ্কে প্রথম শ্রেণিতে অনার্সসহ বি,এ পাস করেন। এরপর তিনি লেখাপড়ার জন্য ইংল্যান্ডে যান। কেম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অঙ্কে ট্রাইপসের প্রথম ভাগ পাস করেন। এরপর জার্মান ও ইতালীয় সঙ্গীত শেখার জন্য বার্লিন যান। ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দে দেশে প্রত্যাবর্তন করেন।

দেশে ফিরে তিনি আবদুল করিম খাঁ, ফয়েজ খাঁ, পণ্ডিত ভাতখণ্ডে প্রমুখ ওস্তাদের কাছে রাগ সঙ্গীতের তালিম গ্রহণ করেন। ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ভারতীয় মার্গ সঙ্গীতে পারদর্শিতা লাভের জন্য সারা ভারত ভ্রমণ করেন। ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে সঙ্গীত সন্বন্ধে বক্তৃতা করতে ইউরোপ যান। ১৯২৮ খ্রিষ্টাব্দে অরবিন্দ ঘোষের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। ১৯২৮ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত অরবিন্দের পণ্ডিচেরী আশ্রমে বসবাস করেন। এই সময়, সঙ্গীতের ন্যায় যোগসাধনাও তাঁর জীবনের অঙ্গ হয়ে দাঁড়ায়। দ্বিজেন্দ্রলাল, অতুলপ্রসাদ, নজরুল, হিমাংশু দত্ত, নিশিকান্ত প্রমুখ গীতিকারের গান স্বকণ্ঠে গেয়ে তিনি খ্যাতি অর্জন করেন। রবীন্দ্রসঙ্গীতের সুরের অনড় রীতি ভেঙে তাতে একটা বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে অনুমতি পায়নি বলে রবীন্দ্রসঙ্গীত গাওয়া ছেড়ে দেন। তাঁর গানের রেকর্ড সংখ্যা প্রায় একশ। ভারত সরকার কর্তৃক প্রেরিত সাংস্কৃতিক দলের প্রতিনিধি হিসাবে ১৯৫৩ খ্রিষ্টাব্দে তিনি ইউরোপের বহু দেশসহ, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও মিশরে সঙ্গীতের উপর বক্তৃতা দান করেন। দেশে ফিরে বন্ধু জি, ভি, মেহতার আমন্ত্রণে পুণায় গিয়ে তাঁর গৃহে বাস করতে থাকেন। ক্রমে সে বাসগৃহটি তাঁর চেষ্টায় শ্রীহরিকৃষ্ণ মন্দিরে পরিণত হয়। সেখানে তিনি সন্ন্যাসীর ন্যায় জীবন যাপন করতেন।

তিনি আধুনিক সঙ্গীতের সমালোচনার অন্যতম পথিকৃৎ ছিলেন। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হলো– অঘটনের শোভাযাত্রা, অনামী, নন্দ ও জলাতঙ্ক, বার ভ্রাম্যমাণ, আমার বন্ধু সুভাষ, আশ্চর্য, উদাসী দ্বিজেন্দ্রলাল, গীতমঞ্জরী, গীতসাগর, ছায়ার আলো, তরঙ্গ রোধিবে কে, তীর্থঙ্কর, দুধারা, দোলা, দ্বিচারিণী, দ্বিজেন্দ্রগীতি, পত্রাবলী, বহুবল্লভ, ভাগবতী কথা, ভিখারিণী, ভূস্বর্গ চঞ্চল, ভ্রাম্যমাণের দিনপঞ্জিকা, মধুমুরলী, মনের পরশ, রঙের পরশ, রাজকন্যা, সাদা কালো, সাঙ্গীতিকী, সুরবাহার, হাসির গানের স্বরলিপি ইত্যাদি। ইনি সঙ্গীত রত্নাকর উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন। ১৯৬৫ খ্রিষ্টাব্দে সঙ্গীত নাটক একাডেমীর সদস্য পদ লাভ করেন। ১৯৮০ খ্রিষ্টাব্দে ৭ই জানুয়ারি ইনি মৃত্যুবরণ করেন।

সূত্র: http://onushilon.org/

জন্ম-মৃত্যু : খ্যাতিমান বাঙালি ব্যক্তিত্ব
 
বহির্বিশ্ব

২০১৭: ওয়াশিংটনসহ বিশ্বজুড়ে নারীদের ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সদ্য ক্ষমতা গ্রহণকারী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নারী অধিকার সংগঠনগুলো ওয়াশিংটনে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশে জড়ো হতে শুরু করেছে। বাস ও ট্রেন ভর্তি করে নারী অধিকার কর্মীরা ওয়াশিংটনে আসছেন। ধারণা করা হচ্ছে সমাবেশে লোক সংখ্যা ২ লাখ ছাড়িয়ে যাবে।

নারীদের ব্যাপারে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথিত ‘পুরুষতান্ত্রিক আচরণের’ প্রতিবাদ জানাতে এ বিক্ষোভ ডাকা হয়েছে। নারীরা মনে করছেন ট্রাম্প সরকারের সময় তাদের অধিকার খর্ব হবার ঝুঁকি রয়েছে। ট্রাম্পের ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম দিনে অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড এবং জাপানেও তার বিরোধীরা বিক্ষোভ করেছেন। অনুমান করা হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মিলিয়ে এরকম প্রায় ৬০০টি সমাবেশ হচ্ছে এই দিনটিতে। লন্ডনেও মার্কিন কনসুলেটের সামনে বিক্ষোভ করেন ট্রাম্প বিরোধীরা। এর পর লন্ডনে ট্রাফালগার স্কোয়ারে একটি বিশাল সমাবেশ হয় – যাতে লেবার নেতা ইভেট কুপার এবং লন্ডনের মেয়র সাদিক খানও যোগ দেন।

আরো ঘটনা : বহির্বিশ্ব
 

মৃত্যু

Qu

রাণী ভিক্টোরিয়া
(২৪ মে ১৮১৯ – ২২ জানুয়ারি ১৯০১)
যুক্তরাজ্য ও ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের রাণী

১৮১৯ সালের ২৪ মে লন্ডনের কেনসিংটন প্রাসাদে তার জন্ম হয়। পুরো নাম আলেকজান্দ্রিনা ভিক্টোরিয়া, মা ডাকতেন দ্রিনা বলে। তিনি ছিলেন ডিউক অব কেন্ট এডওয়ার্ডের একমাত্র সন্তান। এই এডওয়ার্ড ছিলেন রাজা তৃতীয় জর্জের চতুর্থ পুত্র। ১৮২০ সালে ভিক্টোরিয়ার বয়স যখন একবছরও পূর্ণ হয়নি তখন বাবা এডওয়ার্ড মারা যান। এরপর মা একাই তাকে বড় করে তোলেন। ভিক্টোরিয়া কখনো স্কুলে যাননি। তার জন্য একজন জার্মান গৃহশিক্ষিকা রাখা হয়েছিল। ছোট থেকেই জার্মান এবং ইংরেজি দু’ভাষাতেই পারদর্শী হয়ে ওঠেন তিনি। ভিক্টোরিয়াকে কখনোই একা থাকতে হয়নি। কিন্তু তবু তিনি ছিলেন একা, সমবয়সী কারো সাথে মেশার সুযোগ তার কখনো হয়নি। প্রাসাদে কঠোর নিয়ন্ত্রণের মধ্যে বেড়ে ওঠা রানীর একান্ত সময় বলে কিছু ছিল না। রাজকর্মকর্তা জন কনরি ভিক্টোরিয়ার শৈশবকে দুর্বিষহ করে তুলেছিলেন। রানীর মুকুট মাথায় দেয়ার পর ভিক্টোরিয়ার প্রথম নির্দেশ ছিল এক ঘণ্টা একা থাকতে দাও। মা’কে দূরের একটি কক্ষে থাকার ব্যবস্থা করেন আর জন কনরিকে নিষিদ্ধ করেন।

১৮৩৭ এর জুনে রাজা চতুর্থ উইলিয়াম মারা যাওয়ার পর খুব সকালে ভিক্টোরিয়াকে বলা হয় তিনি এখন ব্রিটেনের রানী। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ রানীর সাথে দেখা করেন। ২৮ জুন ছিল রানীর সিংহাসনে বসার দিন। প্রথা অনুযায়ী ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবেতে রানীর মাথায় মুকুট পরিয়ে দেয়া হয়। উপস্থিত জনতা রানী দীর্ঘজীবী হোক বলে স্লোগান দিতে থাকে। পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলেছিল এ অনুষ্ঠান। ব্রিটেনের আইন প্রণীত হত ব্রিটিশ সংসদে। সরকার কি করতে চলেছে তা জানাতে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীরা রানীর সাথে দেখা করতেন। সব প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্য রানী পছন্দ করতেন না। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন ডিজরেইলিকে সবচেয়ে পছন্দ করতেন রানী ভিক্টোরিয়া। শুরুর দিকে জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীদের সাথে কাজ করতে হলেও রানী সবসময় চাইতেন তাকে যেন ছোট মেয়ে হিসেবে না দেখে রানী হিসেবেই দেখা হয়।

ভিক্টোরিয়ার ১৭ তম জন্মদিনে জার্মানি থেকে তার আত্মীয়রা বেড়াতে আসে। তাদের মধ্য ছিলেন তার খালাতো ও মামাতো ভাই-বোনেরা। এদের মধ্যে অ্যালবার্টকে খুব পছন্দ করেছিলেন ভিক্টোরিয়া। ভিক্টোরিয়ার শপথ গ্রহণের দু’বছর বছর পর ১৮৩৯ সালে মামাতো ভাই অ্যালবার্ট ব্রিটেনে যান। অ্যালবার্ট অবশ্য ভিক্টোরিয়াকে বিয়ে করতে মুখিয়ে ছিলেন। কিন্তু ভিক্টোরিয়া তখন ব্রিটেনের রানী তাকে তো আর বিয়ের প্রস্তাব দেয়া যায় না। ভিক্টোরিয়া নিজেই প্রস্তাব দেন আর পরের বছর অর্থাৎ ১৮৪০ সালে তারা বিয়ে করেন। বিয়ের পর প্রতিদিন একসাথে কাজ করতেন তারা। তাদের ডেস্কগুলো ছিল পাশাপাশি। প্রতিদিন ব্রিটিশ সরকারের প্রচুর কাগজপত্র দেখতে হত রানীকে। ১৮৪১ সালে রানীর প্রথম সন্তান ভিকির জন্ম হয়। মোট নয় ছেলেমেয়ের জন্ম হয়েছিল তাদের ঘরে। অ্যালবার্ট কখনোই ব্রিটেনের রাজা হননি। ভিক্টোরিয়া তাকে পছন্দ করলেও অ্যালবার্ট কখনো ব্রিটেনে জনপ্রিয় হতে পারেননি। তিনি মাঝেমধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়তেন। ১৮৬১ সালে ৪২ বছর বয়সে মারা যান। ভিক্টোরিয়া ভীষণ ভেঙে পড়েন। তিনি মানুষের সাথে সাক্ষাত বন্ধ করে দেন। সে সময় ব্রিটেনের লোকেরা শোকের প্রতীক হিসেবে কিছুদিন কালো পোশাক পরত। কিন্তু রানী ভিক্টোরিয়া বাকি জীবনের পুরো সময় কালো পোশাক পরে কাটিয়েছেন এবং অ্যালবার্টের কক্ষ তার জীবিতাবস্থায় যেভাবে ছিল সেভাবেই রেখে দিয়েছিলেন।

ভারতে ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহে বহু ইউরোপীয় মারা যাওয়ার প্রেক্ষাপটে ব্রিটিশ সরকার ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছ থেকে সরাসরি ভারতের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। ১৮৭৭ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে রয়েল টাইটেল অ্যাক্ট পাশের মাধ্যমে ভারতের সম্রাজ্ঞী হন রানী ভিক্টোরিয়া। উপনিবেশ ভারতকে রানীর খুবই পছন্দ হয়েছিল। গর্বের সাথে ভারতকে মুকুটের মণি হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। ১৮৪০ সালে এডওয়ার্ড অক্সফোর্ড নামে এক ১৮ বছর বয়সী তরুণ লন্ডনের রাস্তায় রানীর ঘোড়ার গাড়ি লক্ষ্য করে দু’টি গুলি ছোঁড়ে। বিকৃত মস্তিষ্কের যুক্তিতে সে তরুণ ছাড়া পেয়ে যায়। ১৮৪২ সালে জন উইলিয়াম নামে আরেক তরুণ দু’বার রানীকে হত্যার ব্যর্থ চেষ্টা চালায়। সে তরুণও আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যায়। ১৮৪৯ সালে এক ক্ষুব্ধ আইরিশ নাগরিক রানীর ঘোড়ার গাড়ির ওপর হামলা চালায়। পরের বছর রবার্ট পেট নামে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা লাঠি নিয়ে রানীর ওপর হামলা চালান। ১৮৮২ সালে স্কটল্যান্ডের এক বিখ্যাত কবি রানীর ঘোড়ার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়েন। এটি ছিল রানীকে হত্যার লক্ষ্য তার তৃতীয় প্রচেষ্টা। তাকেও মস্তিষ্ক বিকৃতির অভিযোগে রেহাই দেয়া হয়। এসব হত্যা প্রচেষ্টা বরং রানীর জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছিল। স্বামী অ্যালবার্টের মৃত্যুর পর সরকারি দায়িত্ব থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন রানি। এমনকি সংসদ অধিবেশন ডাকতেও অস্বীকৃতি জানান। পত্রপত্রিকা রসিকতা করে লিখতে শুরু করে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে টু-লেট ঝুলছে। পরে অবশ্য রানী সরকারি দায়িত্ব পালন শুরুর মাধ্যমে আবার মানুষের আস্থা অর্জন করেন। ১৯০১ সালে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে রানী ভিক্টোরিয়া মারা যান আর এরপর তার বড় ছেলে এডওয়ার্ড সিংহাসনে বসেন।

সূত্র: উইকিপিডিয়া
জন্ম-মৃত্যু : খ্যাতিমান আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব
 

Hot Sauce Day

Hot Sauce Day

Hot sauce must be hot. If you don’t like it hot, use less.
–David Tran

Are you more of a Tabasco person, or do the spicy chili peppers of Southeast Asia the ones that get your mouth watering? Should hotness be combined with salty flavors, or rather sweet ones? Whatever you believe and whatever your preferences, if you are one of those people who feels that “spicy” is never quite spicy enough, Hot Sauce Day is the perfect holiday for you!

Humans started using chili peppers and other such spices thousands of years ago. In South and Central America, there is evidence for chili peppers being used for cooking as early as 6,000 years ago, but they never reach Europe until the 16th century, when Portuguese and Spanish explorers began sending all sorts of unusual foods from the New World back home. The first hot sauce to be available in a bottle appeared in shops in the state of Massachusetts in the year 1807, and then suddenly, hot sauce was everywhere, and being added to everything. Tabasco sauce is one of the earliest brands to have come into existence that still exists today, being bottled and sold for the first time in 1868.

Tongue-burning food-lovers the world over, unite! January 22nd is your special day created so you can have the perfect excuse to enjoy the feeling of fire in your mouth all day long. The best way to celebrate this smoking hot holiday is to get together with like-minded people who aren’t afraid of a little spice and are up for a good challenge, and then spend the afternoon sampling different hot sauces from all over the world.

দেশেবিদেশে : আজকের ছুটির দিন ও উদযাপনা

আজকের তারিখ ও এখনকার সময় (বাংলাদেশ)

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।