এই দিনে

ইতিহাসে এই দিনে : ২১ জানুয়ারি
বাংলাদেশ

২১ জানুয়ারি ২০০৬

Bangladesh

গোপন বৈঠকে বিচারকদের ওপর হামলার পরিকল্পনা নেয়া হয়

দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বরিশাল জেলার সাগরদি এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবি’র শীর্ষ নেতারা গোপন বৈঠক করে বিচারকদের উপর বোমা হামলার পরিকল্পনা নিয়েছিল। এরপরই চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ঝালকাঠি ও গাজীপুর জেলায় বোমা হামলা চালানো হয়। ঝালকাঠি শহরে গত বছরের ১৪ নভেম্বর দুই বিচারক হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত জেএমবি’র আত্মঘাতী জঙ্গি মামুন চাঞ্চল্যকর এই তথ্য প্রকাশ করেছে। পুলিশ প্রথম দফায় শায়খ ও বাংলা ভাইসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট প্রদান করার পর গত বৃহস্পতিবার সম্পূরক চার্জশীট দাখিল করেছে।

হরতাল সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ

আগামীকাল রবিবার দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা হরতালের সমর্থনে আওয়ামী, ১১ দল, জাসদ গতকাল শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে মিছিল বের করলে পুলিশের সাথে মিছিলকারীদের সংঘর্ষ বাধে। বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের মিছিলে পুলিশ বাধা দিলে মিছিলকারীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ দেড়ঘণ্টা স্থায়ী হয়। এতে শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়। আহতদের মধ্যে পুলিশ ও সাংবাদিকও রয়েছে। পুলিশ কমপক্ষে ২৫ জনকে আটক করেছে। সংঘর্ষকালে পুলিশ অর্ধশতাধিক কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষ ও যানবাহন ভাংচুরে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ ও আশপাশের এলাকার সমস্ত দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। এ ঘটনায় রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে প্রচণ্ড যানজটের সৃষ্টি হয়। এর আগে দুপুরে নগর আওয়ামী লীগ হরতালের সমর্থনে মিছিল বের করলে ইডেন কলেজের সামনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটে। এছাড়াও জিপিও’র সামনে সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগ এবং বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের পশ্চিম গেটে ছাত্রলীগ মিছিল বের করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটে।

রাজশাহী ভার্সিটিতে শিক্ষক ও পুলিশ বনাম কর্মচারী সংঘর্ষ ।। আহত ৪০

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষক-কর্মচারী ও পুলিশের সংঘর্ষে ৪০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত ২ জন শিক্ষক ও ৪ জন পুলিশকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

২১ জানুয়ারি ২০০৭

Bangladesh

যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে

জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ
০ বিতর্কিত নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন জরুরি
০ দুর্নীতিবাজ কালো টাকার মালিকদের নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে দূরে রাখতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান
০ নির্বাচন গ্রহণযোগ্য অবাধ সুষ্ঠু করতে পদক্ষেপ নেয়া হবে
০ দুর্নীতি দমন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে পুনর্বিন্যাস ও সক্রিয় করা হবে
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দীন আহমদ রাতে জাতির উদ্দেশে প্রদত্ত ভাষণে বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও সর্বজন গ্রহণযোগ্য রীতিসম্মত সাধারণ নির্বাচন সম্পাদন করে যথাসম্ভব স্বল্পতম সময়ে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এক্ষেত্রে তিনি দেশবাসীসহ রাজনৈতিক দলগুলোর সক্রিয় সমর্থন কামনা করে বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্ভুল ও সঠিক ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও প্রকাশ সমান জরুরি। এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে। ভোটার আইডি কার্ড, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সের ব্যাপারে বিভিন্ন মহলের দাবির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

পদত্যাগ করলেন সিইসি আজিজ

দুই মাস আগে ছুটিতে যাওয়া প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বিচারপতি এমএ আজিজ পদত্যাগ করেছেন। বিকেলে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের সঙ্গে দেখা করে তিনি পদত্যাগপত্র পেশ করেন। সিইসি পদে বহাল থাকলে কিছু রাজনৈতিক দল গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন আয়োজনের পথে আরো একবার নতুন করে বাধা সৃষ্টি করতে পারে এ আশংকায় পদত্যাগ করেছেন বলে তিনি এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন।
বিচারপতি এম এ আজিজের অধীনে একটি রাজনৈতিক দল ও জোট নির্বাচনে অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ার পর রাষ্ট্রপতি ও তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের অনুরোধে তিনি গত ২২ নভেম্বর তিন মাসের জন্য ছুটিতে যান। এরপর নির্বাচন কমিশন নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ২২ জানুয়ারি ভোট গ্রহণের দিন নির্ধারণ করে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট নির্বাচনে অংশ নেয়ার উদ্দেশ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে আবার তা প্রত্যাহার করে নেয়ার পর পরিস্থিতি আবারও পাল্টে যায়।

নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরু

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে বিচারপতি এম এ আজিজের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে খুব শিগগিরই বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। তবে এখন আর কোন রাজনৈতিক দলের সাথে এ নিয়ে আলোচনা হবে না। একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়েই তা বাস্তবায়ন করবে সরকার। তবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কাজ কিভাবে হবে সে ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। এ জন্য অতীতের নির্বাচন কমিশনাররা কিভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তাদের পদত্যাগইবা কিভাবে সম্পন্ন হয়েছিল সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে নির্বাচন কমিশনাররা নিয়োগ লাভ করে থাকেন এবং নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক সংস্থা। নির্বাচন কমিশনাররা স্বেচ্ছায় কেউ পদত্যাগ না করলে কিংবা দায়িত্ব পালনে অপারগ না হলে তাকে সরানোর সহজ কোন পথ নেই।

২১ জানুয়ারি ২০১৫

Bangladesh

আরো ঘটনা : বাংলাদেশ
 

জন্ম

a

সুচরিত চৌধুরী
(২১ জানুয়ারি ১৯৩০ – ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪)
বাঙালি কথাসাহিত্যিক

সুচরিত চৌধুরী প্রথিতযশা কথাসাহিত্যিক হিসেবে সুপরিচিত। কাব্য ও সংগীত জগতেও তাঁর বিচরণ ছিল, বাজিয়েছেন বাঁশি। তবে সব কিছু ছাপিয়ে কথাশিল্পী হিসেবেই তিনি প্রতিষ্ঠিত ও স্বীকৃত হয়েছেন। ছোটগল্পের জন্যে তিনি ১৯৭৬ সালে বাংলা একাডেমী পুরস্কার লাভ করেছেন।

সুচরিত চৌধুরীর জন্ম ১৯৩০ সালের ২১ জানুয়ারি চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালীতে। বাবা আশুতোষ চৌধুরী ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকগীতিকা সংগ্রাহক। সুচরিতের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বলতে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক। মূলত এসবে তাঁর তেমন আগ্রহ ছিল না। বাবার প্রভাব এবং পারিবারিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল তাঁকে সাহিত্যানুরাগী করে তোলে। বাঁশি, সংগীত আর সাহিত্য ণ্ড এই তিন ভুবনেই নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন সুচরিত। তবে বাঁশি বাজানোয় ছিল প্রবল অনুরাগ। সুচরিত চৌধুরী করাচি থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক দিগন্তের সম্পাদনা ও প্রকাশনার সাথে যুক্ত ছিলেন, জড়িত ছিলেন চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক রেনেসাঁ, মাসিক উদয়ন ও মাসিক সীমান্ত পত্রিকার সাথে। প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই চট্টগ্রাম বেতারের নিয়মিত শিল্পী ছিলেন তিনি। নিভৃতচারী এই লেখক ‘সুরাইয়া চৌধুরী’, ‘চলন্তিকা রায়’ এবং ‘শুধু চৌধুরী’ ছদ্মনামেও লিখেছেন। ‘শুধু’ সুচরিতের ডাক নাম।

তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে ‘শুধু চৌধুরীর সেরা কবিতা’, ‘সুরাইয়া চৌধুরীর শুধু গল্প’, ‘আকাশে অনেক ঘুড়ি’, ‘একদিন একরাত’, ‘নদী নির্জন নীল’, ‘সুচরিত চৌধুরীর শ্রেষ্ঠ গল্প’, ‘সুচরিত চৌধুরীর নির্বাচিত গল্প’, কিংবদন্তীর গল্প: চট্টগ্রাম’ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া ‘সুরলেখা’ নামে গানের সংকলন এবং ‘নানা’ নামে একটি অনুবাদ গ্রন্থ রয়েছে তাঁর। সুচরিতের রচনায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের দৈনন্দিন জীবনাচার, বেদনা, অনুরাগ, দ্রোহ ও আর্তি প্রাঞ্জল আর নিরাভরণ ভাষায় জীবন্তরূপ পেয়েছে। ১৯৯৪ সালের ৫ জানুয়ারি সুচরিত চৌধুরী প্রয়াত হন।

সূত্র: উইকিপিডিয়া

জন্ম-মৃত্যু : খ্যাতিমান বাঙালি ব্যক্তিত্ব
 
বহির্বিশ্ব

২০১৬: সিঙ্গাপুরে ২৭ বাংলাদেশি আটক

মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদকে কখনো সিঙ্গাপুরের মাটিতে আশ্রয় দেয়া হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লুং। ২৭ জন বাংলাদেশিকে জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে গ্রেফতার হওয়ার খবরের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি এই কথা বলেন।

সিঙ্গাপুরে নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ২৭ বাংলাদেশিকে গত বছরের নভেম্বরের ১৬ তারিখ থেকে ডিসেম্বরের ১ তারিখের মধ্যে গ্রেফতার করে সিঙ্গাপুরের ইন্টারনাল সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট। এই প্রসঙ্গে সিয়েন ফেসবুকে দেয়া একটি পোস্টে বলেন, তারা মৌলবাদীতে পরিণত হয়েছিল এবং সশস্ত্র হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। সৌভাগ্যজনকভাবে তারা বাংলাদেশে সশস্ত্র হামলার পরিকল্পনা করছিল। তারপরেও তারা আমাদের জন্য হুমকি। আমারা আমাদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেছি এবং আমাদের বর্ণ ও ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা করতে উদ্যোগ নিয়েছি। লি আরো যোগ করেন, সরকার তার যতটুকু করা সম্ভব সেটা করবে কিন্তু সব নাগরিককে যেকোনো ধরণের সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে যা আমাদের জীবন যাপনের ধরণের ক্ষতি করতে পারে।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এদের মধ্যে অন্তত ২৬ জন আনওয়ার আল আওলাকির মৌলবাদী শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়েছে। সিঙ্গাপুরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, গ্রেফতারকৃতরা আল কায়েদা ও আইএস এর মতো জঙ্গিদের আদর্শে বিশ্বাস রাখে। জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে সিঙ্গাপুরে আটক ২৭ বাংলাদেশির ২৬ জনকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

আরো ঘটনা : বহির্বিশ্ব
 

মৃত্যু

George_Orwell

জর্জ অরওয়েল
(২৫ জুন ১৯০৩ – ২১ জানুয়ারি ১৯৫০)
কালোত্তীর্ণ ইংরেজ সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক লেখক

জর্জ অরওয়েল ছদ্মনামের আড়ালে কালোত্তীর্ণ ভুবন বিখ্যাত ইংরেজ সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক লেখকের প্রকৃত নাম এরিক আর্থার ব্লেয়ার। অবিভক্ত ব্রিটিশ ভারতের বাংলা প্রদেশের মতিহারিতে ১৯০৩ সালে জন্ম হয়েছিল তাঁর। বিশ্ব সাহিত্যের অঙ্গনে তিনি জর্জ অরওয়েল ছদ্মনামে সমধিক পরিচিত। তাঁর দুটি উপন্যাস – ‘এনিমেল ফার্ম’ ও ‘নাইন্টিন এইটি ফোর’- বিংশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থের তালিকায় স্থান পেয়েছে। তিনি আজীবন স্বৈরাচার ও একদলীয় মতবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। রিচার্ড ওয়ামেসলে ব্লেয়ার ও ইদা মাবেল লিমুজিন দম্পতির একমাত্র সন্তান ছিলেন জর্জ অরওয়েল। তাঁর বাবা ভারতের সিভিল সার্ভিসে চাকরি করতেন। ১৯০৭ সালে সপরিবারে ইংল্যান্ডে চলে যান তারা।

১৯১৭ সালে ইটনে পড়াশোনা করার সময় সাহিত্য প্রতিভার বিকাশ ঘটে জর্জ অরওয়েলের। এ সময় বিভিন্ন কলেজ ম্যাগাজিনে নিয়মিত লিখতে থাকেন তিনি। ১৯২২ সাল থেকে ১৯২৭ সাল পর্যন্ত ভারতীয় পুলিশ বিভাগের হয়ে বার্মায় কাজ করেন অরওয়েল। চাকরির এই অভিজ্ঞতা তাঁকে প্রথম উপন্যাস লিখতে অনুপ্রেরণা যোগায়। ১৯৩৪ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর ‘বার্মিজ ডেজ’। পরবর্তীতে ক’টা বছর দারিদ্র্যের কষ্ট পোহাতে হয় অরওয়েলকে। ইংল্যান্ডে ফিরে যাওয়ার আগে দুটো বছর প্যারিসে কাটান তিনি। এ সময় জীবিকার জন্য বিভিন্ন কাজ করতে হয় তাকে। কখনো গৃহশিক্ষক ছিলেন, কখনো স্কুলে পড়াতেন, কখনো বা বইয়ের দোকানে বই বিক্রি করতেন। কাজের ফাঁকে ফাঁকে লেখালেখিও চালিয়ে গেছেন। ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত হয় জর্জ অরওয়েলের ‘ডাউন অ্যান্ড আউট ইন প্যারিস অ্যান্ড লন্ডন’। ১৯৩৬ সালে ভিক্টর গোলাঙ্কজের কাজ নিয়ে তিনি পরিদর্শন করতে যান ল্যাঙ্কাশায়ার এবং ইয়র্কশায়ারের বেকারত্বপূর্ণ এলাকাগুলো। এই অভিজ্ঞতা থেকে পরবর্তীতে লেখেন ‘দ্য রোড টু উইগান পায়্যার’। ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত এই বইটিতে জর্জের নিজ চোখে দেখা দারিদ্র্যের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে নিখুঁত বর্ণনার মাধ্যমে।

১৯৩৬ সালের শেষ দিকে প্রজাতন্ত্রের সমর্থনে যুদ্ধ করতে অরওয়েল স্পেন চলে যান । যুদ্ধক্ষেত্রে তিনি আহত হন। গৃহযুদ্ধের এই অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি লেখেন ‘হোমেজ টু ক্যাটালোনিয়া’ বইটি। ১৯৩৮ সালে তাঁকে শারীরিক অসুস্থতায় পেয়ে বসে। এরপর থেকে কখনো পুরোপুরি সুস্থ হন নি তিনি। মরক্কোতে মাস ছয়েক ছিলেন অরওয়েল। এ সময় লেখেন ‘কামিং আপ ফর এয়ার’। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হোম গার্ড এবং বিবিসির ইস্টার্ন সার্ভিসে কাজ করেন তিনি। ১৯৪১ সাল থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত ওই কাজেই নিয়োজিত ছিলেন অরওয়েল। পরে সাহিত্যসম্পাদক হিসেবে যোগ দেন ‘ট্রিবিউন’ পত্রিকায়। এ সময় রাজনীতি এবং সাহিত্য নিয়ে নিয়মিত লিখতে থাকেন তিনি। একই সঙ্গে অবজারভার’ এবং ‘ম্যানচেস্টার ইভনিং নিউজ’ পত্রিকায়ও লিখেছেন। তাঁর রূপকধৰ্মী চমৎকার রাজনৈতিক উপন্যাস ‘অ্যানিমেল ফার্ম’ প্রকাশিত হয় ১৯৪৫ সালে। এখানে তিনি একটি পশুখামারের ভেতর একটি রাজনৈতিক পটভূমি সৃষ্টি করেছেন। এটা মূলত রাশিয়ান রেভুলেশনের স্টেনের বিদ্রোহের উপর ভিত্তি করে লেখা। গ্রন্থটি অরওয়েলের জন্য খ্যাতি নিয়ে আসে। তাঁর জীবনে প্রথমবারের মত আর্থিক সচ্ছলতা আসে। জর্জ অরওয়েল এর এনিম্যাল ফার্ম উপন্যাসে মানুষের কাছ থেকে পশুপাখিরা ফার্মটি স্বাধীন করে নেয়। স্বাধীনতা অর্জনের পর পরই একটি সংবিধান রচনা করে এনিম্যাল ফার্মের নেতারা।

১৯৪৯ সালে ‘নাইনটিন এইটি ফোর’ গ্রন্থটি লেখা শেষ করেন জর্জ অরওয়েল। ততদিনে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ শেষ হয়েছে, হিটলারের পতন হয়েছে এবং পৃথিবী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন নামক দুই পরাশক্তিতে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। তিনি ইতোমধ্যে হিটলারের জার্মানিকে দেখেছেন। সেদেশে একটি স্বৈরাচারী রাষ্ট্রব্যবস্থার উত্থান দেখেছেন। একই সময় দেখেছেন স্তালিন নামক এক চূড়ান্ত একনায়ক ও সোভিয়েত ইউনিয়ন নামক আরেক স্বৈরাচারী রাষ্ট্রব্যবস্থার সর্বগ্রাসী জয়রথ। এদের সবাইকে ছাপিয়ে মহাসমুদ্রের ওপারে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বিশ্বের প্রথম উত্তর-পুঁজিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আজীবন সমাজতন্ত্রী আদর্শে বিশ্বাসী অরওয়েল এই ভেবে উদ্বিগ্ন ছিলেন। স্বৈরতন্ত্রের বিপদ সম্বন্ধে পৃথিবীর মানুষকে সাবধান করে দিতেই লেখা হয়েছিল ‘নাইনটিন এইটি ফোর’ গ্রন্থটি। গ্রন্থের কাহিনি-বিস্তার হয়েছে লন্ডনের পটভূমিতে। রক্ষণশীল অথবা আধা-উদারনৈতিক লেবার পার্টির নেতৃত্বাধীন ব্রিটেনেও স্বৈরাচার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা অসম্ভব নয়, অরওয়েল এমন ধারণাও পোষণ করতেন। ১৯৯৫ সালে এই বইটি ডাব্লিউ. এইচ. স্মিথ এবং পেঙ্গুইন বুকস থেকে ‘শতাব্দীর সেরা গ্রন্থ’-এর পুরস্কার অর্জন করে। মূলত ‘অ্যানিমেল ফার্ম এবং ‘নাইনটিন এইটি-ফোর’ -এই দুটি বইয়ের জন্যই জর্জ অরওয়েল বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছেন। ‘নাইনটিন এইটি-ফোর’ প্রকাশিত হয় ১৯৪৯ সালে। ১৯৫০ সালের ২১ জানুয়ারি মাত্র ৪৬ বছরবয়সে যক্ষ্মারোগে অাক্রান্ত হয়ে লন্ডনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই খ্যাতিমান লেখক।

সূত্র: https://www.sahos24.com/
জন্ম-মৃত্যু : খ্যাতিমান আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব
 

International Sweatpants Day

International Sweatpants Day

Sweatpants are a sign of defeat. You lost control of your life so you bought some sweatpants.
–Karl Lagerfeld

Everyone has one of those days sometimes. You get up, you attempt to go about your life as usual, but you just don’t have it in you. You feel sleepy, maybe your head hurts a little, and the thought of getting all dressed up in a suit and tie or high heels makes you want to crawl back into your warm bed—and that’s okay, we can’t all be feeling our absolute best 100% of the time, right? Luckily, there is a day dedicated specifically to this occasional mood: International Sweatpants Day. So if you know how it feels to just want to spend the day lounging around comfortably in your sweatpants, this is a day you should be celebrating!

The first pair of sweatpants was introduced in the 1920s by Émile Camuset, the founder of Le Coq Sportif. The first sweatpants to be made were simple knitted gray jersey pants that allowed athletes to stretch and run comfortably. Since then, traditionally, sweatpants have been ash-gray in color, but over the recent years, companies like Nike have put considerable effort into making them more attractive while at the same remaining just as comfortable as the original ones. International Sweatpants Day was created to show people that wearing sweatpants doesn’t necessarily have to be embarrassing—after all, why should anyone be embarrassed of being comfortable? Life is too short to be wearing tight clothing all the time.

International Sweatpants Day is not just about spending the day wearing sweatpants or something equally comfortable, although that is definitely part of the fun involved. International Sweatpants Day is also about giving yourself a break from the often stressful and rushed lives many of us live. Wearing sweatpants means we want to be good to ourselves for a change, put our own comfort before our worries of what other people think of of us.

দেশেবিদেশে : আজকের ছুটির দিন ও উদযাপনা

Learn something new every day:

বাণী চিরন্তনী

পৃথিবীতে যখন কোনো সত্য আত্মপ্রতিষ্ঠা করতিে চাহিয়াছে তখনই তাহার বিরুদ্ধাচরণ হইয়াছে ,এই বিরুদ্ধাচরণের ধারা ও নীতি মূলত সকল ক্ষেত্রে অভিন্ন।
আকরাম খাঁ
 
গ্যাস জ্বালানী নিয়ে আন্দোলন কারী আনু মুহাম্মদরা হলো টোকাই।
হাসান মাহমুদ (আওয়ামী লীগের সাবেক পরিবেশ মন্ত্রী)

QUOTES

I speak to everyone in the same way, whether he is the garbage man or the president of the university.
Albert Einstein
 
I feel beautiful without makeup on, but when I do put makeup on, it just gives me this extra pop.
Cardi B

বাংলা

অংহ বিশেষ্য
১ পাপ; অধর্ম; ২ অধঃপতন।
সমার্থক শব্দাবলি: অংহ, অক, পাপ।
ইংরেজি: sin, sinning।

উদাহরণ:
১। অংহেতে অঙ্কিত অঙ্গ।

ENGLISH

abominable [আবমিনাব্‌ল্] adjevtive
১ জঘন্য; ঘৃণ্য; ন্যক্কারজনক।
২ (কথ্য) অপ্রীতিকর; খারাপ; বিশ্রী: in abominable conditions; For God’s sake, stop these abominable things.
abominable snowman ইয়েতি বা হিমালয়ের তুষারমানব।
abominably [আবমিনাব্‌‌লি] (adverb) জঘন্যভাবে।
abominate Bengali definition [আবমিনেইট্] (verb transitive)
Example:
1. what an abominable mess!
2. This was a horrifying and abominable thing to do.
 
Semicolons (;) Punctuation
It’s no accident that a semicolon is a period atop a comma. Like commas, semicolons indicate an audible pause—slightly longer than a comma’s, but short of a period’s full stop.
Example:
Call me tomorrow; you can give me an answer then.
I am here; you are over there.

বিচিত্র তথ্য

হরিণের কোনো পিত্তাশয় (গল ব্লাডার) নেই।

আজকের তারিখ ও এখনকার সময় (বাংলাদেশ)

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।