এই দিনে

ইতিহাসে এই দিনে : ২১ নভেম্বর
বাংলাদেশ

২১ নভেম্বর ২০০৫

Bangladesh

হঠাৎ পরিবহন ধর্মঘটে জনমনে তীব্র ক্ষোভ

শ্রমিক নেতা মজিবর রহমানের গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী আহূত পরিবহন ধর্মঘটের ফলে জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ পরিলক্ষিত হয়। এই আকস্মিক ধর্মঘটের ফলে সর্বত্রই জনজীবনে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ নেমে আসে। ১৪ দল আহূত মহাসমাবেশের প্রাক্কালে আকস্মিকভাবে এই ধর্মঘট ঘোষণা করায় বিরোধী দলীয় নেতৃবৃন্দ একে মহাসমাবেশ বানচালের অপচেষ্টা বলে অভিহিত করেছেন।

সরকারকে ৪৮ ঘন্টার আলটিমেটাম

উত্তরবঙ্গ আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমানের মুক্তিসহ তিন দফা দাবিতে সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সরকারকে ৪৮ ঘন্টার আলটিমেটাম দিয়েছে। অন্যথায় আগামী বৃহস্পতিবার থেকে দেশব্যাপী অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের আহ্বান করা হবে বলে ফেডারেশন উল্লেখ করে। অপরদিকে সরকার সমর্থিতদের ডাকা পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার না করা হলে বিরোধী দলীয় শ্রমিক সংগঠনগুলো আগামীকাল বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট পালনের ঘোষণা দিয়েছে।

দশ সহস্রাধিক গ্রেফতার

আগামীকাল মঙ্গলবার আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলের মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে গত রবিবার মধ্যরাত থেকে পুলিশসহ নিরাপত্তা কর্মীদের ব্যাপক ধরপাকড় চলে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজধানীতে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনের দুই সহস্রাধিক নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দলীয় নেতারা জানান। গতকালের গ্রেফতারসহ দেশব্যাপী বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মী গ্রেফতারের সংখ্যা ১০ সহস্রাধিক বলে দলীয় কেন্দ্রীয় নেতারা দাবি করেন।

২১ নভেম্বর ২০০৬

Bangladesh

অলির গাড়ি বহরে দফায় দফায় হামলা; ২ জন নিহত ও শতাধিক আহত

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় অপরাহ্ণে বিএনপি ও এলডিপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও দফায় দফায় হামলা এবং সহিংসতার ঘটনায় ২ জন নিহত ও শতাধিক আহত হয়েছে। ভাংচুর করা হয়ে ৩০টি যানবাহন। এলডিপি দাবি করেছে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের হামলায় পটিয়ার শান্তিরহাট এলাকায় নিহত দু’জন এলডিপির কর্মী। গুরুতর আহত অবস্থায় মো. শাহ আলম (২৫) এবং নেছার আহমদকে (২৬) হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যু হয়। অন্যদিকে বিএনপি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখা নিহত ২ জনকে ছাত্রদলের নেতা বলে দাবি করেছে। গতকাল বিকেলে পটিয়া উপজেলা সদরে এলডিপি পটিয়া শাখার উদ্যোগে কর্নেল অলির সংবর্ধনা ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এলডিপি’র বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী চট্টগ্রাম থেকে পটিয়া অভিমুখে আসার পথে যথাক্রমে শান্তিরহাট, মনসা চৌমুহনী ও নয়াহাট বাদামতল এলাকায় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের ওতপেতে থাকা ক্যাডারদের হামলার শিকার হয়।

আগামীকাল সিদ্ধান্ত জানাতে পারেন সিইসি

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রস্তাব সম্পর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বিচারপতি এম এ আজিজ এখনও পর্যন্ত তার সিদ্ধান্ত জানাননি। উপদেষ্টারা ধারণা দিয়েছিলেন সিইসি রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের সঙ্গে দেখা করে তার সিদ্ধান্ত জানাবেন। কিন্তু রাষ্ট্রপতি সারাদিনই সশস্ত্র বাহিনী দিবসের কর্মসূচিতে ব্যস্ত ছিলেন। তবে রাষ্ট্রপতি সফররত যুক্তরাজ্যের ডেপুটি চিফ অব আর্মস স্টাফ এডমিরাল চার্লস স্টাইল ও যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর উদ্দেশে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, দু’এক দিনের মধ্যে চলমান সংকটের সমাধান হবে। রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি আশা করছি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিদ্যমান মতপার্থক্যের অবসান হবে। অনুরূপ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. আকবর আলী খান। সচিবালয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমরা জানিয়েছিলাম ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে একটা ভালো সংবাদ পাবেন।

রাজধানী অবরুদ্ধ

দেশব্যাপী ১৪ দল আহূত অবরোধ কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে কয়েকটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবে অতিবাহিত হয়। রাজধানী ছিল সারাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন। বেশিরভাগ স্থানে অবরোধকারী এবং পুলিশ ছিল শান্তিপূর্ণ অবস্থানে। দুপুরে রাজধানীর পান্থপথে অবরোধকারীরা একটি প্রাইভেটকারে আগুন ধরিয়ে দিলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত আগুন নিভিয়ে ফেলে। এছাড়া রাজধানীতে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। রাজধানী ঢাকায় গতকাল সারাদিন অবরোধকারীরা চল্লিশটি স্থানে মিছিল-সমাবেশ করেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বিচারপতি এমএ আজিজের পদত্যাগসহ ১১ দফা দাবিতে আওয়ামী লীগসহ ১৪ দল এই নিয়ে তৃতীয় দফা অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে। ১৪ দলের এই অবরোধের সঙ্গে গতকালও সমর্থন দিয়ে মাঠে নেমেছে জাতীয় পার্টি (এ), এলডিপি, জাকের পার্টি, ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশ। অবরোধে রাজধানী থেকে দূরপাল্লার কোন বাস ছেড়ে যায়নি।

* চট্টগ্রামে চার ও চৌদ্দ দল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ; আহত ২০
* সংবিধান বহির্ভূত কিছু করলে পরিণতি হবে ভয়াবহ : ৪ দল

২১ নভেম্বর ২০১৫

Bangladesh

আরো ঘটনা : বাংলাদেশ
 

মৃত্যু

Kabir_bakul

কবির বকুল
(২১ নভেম্বর ১৯৬৬ – )
বাংলাদেশের গীতিকার ও সাংবাদিক

কবির বকুল সাংবাদিক হিসেবেও কাজ করছেন। সেরা গীতিকার হিসেবে তিনি একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। কবির বকুল ১৯৬৬ সালের ২১ নভেম্বর চাঁদপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর স্ত্রী সংগীত শিল্পী দিনাত জাহান মুন্নী।

কবির বকুল ১৯৯৩ সালে দৈনিক ভোরের কাগজে যোগ দেন। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে প্রথম আলোতে কর্মরত ছিলেন। মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের হেড অব ইভেন্ট অ্যান্ড প্ল্যানিং হিসেবে কর্মরত ছিলেন ২০১১ জুলাই থেকে ২০১৫ সালের ৩ এপ্রিল পর্যন্ত। ২০১৫ সালের ১ জুন থেকে তিনি তার পু​রনো কর্মস্থল দৈনিক প্রথম অালোতে আবার যোগ দিয়েছেন । তিনি ১৯৯৪ সালে অগ্নি সন্তান চলচ্চিত্রে প্রথম গান লেখেন। এ গানের জন্য বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতির পুরস্কার শ্রেষ্ঠ গীতিকারের মনোনয়ন পেয়েছিলেন।

কবির বকুল ১৯৮৬ সাল থেকে কবিতা, গান লেখালেখির সাথে জড়িত। ১৯৮৮ সালে তিনি প্রথম ১৩টি গান লিখে শিল্পী তপন চৌধুরীকে দেন। সেখান থেকে দুটি গান দুটি অ্যালবামে আসে। প্রথম গান ছিল ‘কাল সারা রাত তোমারই কাকন যেন মনে মনে রিনিঝিনি বেজেছে’ যার গায়ক ছিলেন শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু। দ্বিতীয় গানটি ছিলো ‘পথে যেতে যেতে খুঁজেছি তোমায়’ যার গায়ক ছিলেন শিল্পী নাসিম আলী খান। এখন পর্যন্ত তিনি ৮ শতাধিক ছায়াছবির গান লিখেছেন এবং সবমিলিয়ে প্রায় পাঁচ হাজারের বেশি গান লিখেছেন।

সূত্র: উইকিপিডিয়া

জন্ম-মৃত্যু : খ্যাতিমান বাঙালি ব্যক্তিত্ব
 
বহির্বিশ্ব

২০১৭ : অবশেষে পদত্যাগ করলেন রবার্ট মুগাবে

জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবে ৩৭ বছর শাসনের পরে পদত্যাগ করেছেন। দেশটির পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট জ্যাকব মুডেনডা জানিয়েছেন, সংবিধান অনুযায়ী তিনি স্পিকারের কাছে পদত্যাগ পত্র দিয়েছেন। এক চিঠিতে ৯৩ বছর বয়সী নেতা বলেছেন তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। তার এই পদত্যাগের ঘোষণা এমন সময় আসলো যখন পার্লামেন্টে তার অভিশংসনের বিষয়ে আলোচনা চলছে। গত সপ্তাহে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল ও পরবর্তীতে তার পদত্যাগের দাবিতে গনবিক্ষোভের মধ্যেও পদত্যাগ না করার সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন তিনি। জিম্বাবুয়ের স্বাধীনতার নেতা মুগাবে ১৯৮০ সাল থেকে দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

আরো ঘটনা : বহির্বিশ্ব
 

মৃত্যু

Voltaire

ভলতেয়ার ফরাসি লেখক, প্রাবন্ধিক ও দার্শনিক

ফ্রঁসোয়া-মারি আরুয়ে যিনি ছদ্মনাম ভলতেয়ার (Voltaire) নামেই বেশি পরিচিত। মত প্রকাশের স্বাধীনতা, নাগরিকের অধিকার, রাষ্ট্র থেকে চার্চের পৃথকীকরণ প্রভৃতি বিষয়ের পক্ষে তিনি কথা বলেছেন। তার চিন্তা ফরাসি এবং আমেরিকান বিপ্লবকে প্রভাবিত করেছিল। সাহিত্যের প্রায় সর্বত্র বিচরণ ছিল ভলতেয়ারের। বাকচাতুর্য ও দার্শনিক ছলাকলার জন্য তিনি বিখ্যাত ছিলেন। ব্যঙ্গ কবিতা রচনার মাধ্যমেই ভলতেয়ার সাহিত্যজগতে আত্মপ্রকাশ করেন। খ্রিস্টান গির্জা ও তৎকালীন ফরাসি সামাজিক আচার ছিল তার ব্যঙ্গবিদ্রুপের লক্ষ্য। ভলতেয়ার তার সাহিত্যজীবনে সর্বোচ্চ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন একজন গদ্যলেখক হিসেবে। ভলতেয়ারের সাহিত্যকর্মের মধ্যে দু’ হাজার গ্রন্থ এবং ২০ হাজার চিঠি রয়েছে। তিনি আজ পর্যন্ত স্মরনীয় হয়ে আছেন বিশ্বের একজন শ্রেষ্ঠ পত্রলেখক পরিচয়েও।

ভলতেয়ার ১৬৯৪ খ্রিস্টাব্দের ২১ নভেম্বর প্যারিসে জন্মগ্রহণ করেন। ভলতেয়ারের আসল নাম ফ্রাঙ্কো ম্যারিক এ্যারোয়েট। একসময় এ্যারোয়েট অজ্ঞাত কারনে ভলতেয়ার নাম গ্রহন করেন। ভলতেয়ারের বাবা ফ্রাঁসোয়া আরুরে ছিলেন নোটারি ও সরকারের ট্রেজারি দফতরের এক সাধারণ কর্মকর্তা। মা মার্গারেট দোমার। তাদের ৫ সন্তানের মধ্যে ভলতেয়ার ছিলেন সর্বকনিষ্ঠতম। ১৭০৪-১১ সাল পর্যন্ত ভলতেয়ার কলেজ লুই ল্য গ্রঁ নামক বিদ্যালয়ে জেস্যুট পাদ্রিদের কাছে পড়াশোনা করেন। এখানেই ল্যাতিন ও গ্রিক ভাষা শেখেন। পরবর্তী জীবনে ভলতেয়ার ইতালীয়, স্পেনীয় ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করেন।

নাগরিক স্বাধীনতা, বিশেষত ধর্মের স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের পক্ষে তার অবস্থান ছিল অটল। সে সময় ফ্রান্সের কঠোর সেন্সর আইন উপেক্ষা করে সামাজিক সংস্কারের অন্যতম প্রবক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন ভলতেয়ার। স্বৈরাচার, গীর্জা তথা খৃষ্টধর্মকে তিনি ফ্রান্সের সার্বিক বিকাশে বাধা হিসাবে দেখতেন এবং সে কারনেই তার রচনাবলী স্বদেশে নির্মমভাবে সমালোচিত হয়েছিল। কিছু কিছু সমালোচনায় তিনি নিজেও মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়ে বিদ্রুপ করেছিলেন আপাদ-মস্তক। তবে তাঁর উদ্দেশ্য ছিল গীর্জার ভন্ডামি, মুর্খতাকে জনসন্মুখে তুলে ধরা। তিনি ঘৃনা করতেন মানুষের অজ্ঞতা, মূর্খতা, বাটপারি, অন্যায়-অবিচার, উৎপীড়নকারী স্বভাবকে। সে কারনেই তিনি বলেছেন যেখানে “অজ্ঞতা যত বেশী” সেখানে “অসহিষ্ণুতা এবং নিষ্ঠুরতা তত বেশী”। মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রের ধর্মীয় অসহিষ্ণুতাকে নিজের লেখায় আক্রমণ করেন তিনি। ফলে রাষ্ট্রের রোষানলে পরে কারাবরণ এবং অবরোধের কবলে পড়েন।

সাহিত্যের প্রায় সর্বত্র সদম্ভ বিচরণ ছিল ভলতেয়ারের। তাঁর সাহিত্যকর্মের মধ্যে দুই হাজার গ্রন্থ এবং ২০ হাজার চিঠি রয়েছে। ভলতেয়ারের লেখনীকে প্রধানত চার ভাগে বিভক্ত করা হয়- কবিতা, নাটক, ঐতিহাসিক কাজ এবং দার্শনিক লেখা। এছাড়া তার আরও কিছু দার্শনিক কাজ ছোটগল্পের রূপ নিয়েছে; যেমন- মাইক্রোমেগাস এবং প্লেটোস ড্রিম। ১৭৬৪ সালে ভলতেয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দার্শনিক গ্রন্থ প্রকাশ করেন। এ গ্রন্থে বর্ণক্রমে ভলতেয়ার বিভিন্ন বিষয়ের ওপর তার দার্শনিক চিন্তাকে উপস্থাপন করেছেন। এসব বিষয়ের মধ্যে আছে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, ভাষা, আইন, প্রকৃতি, বিশ্বাস প্রভৃতি অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এমিলে ছিলেন সে যুগের একজন বিশিষ্ট গণিতবিদ। আইজ্যাক নিউটনের প্রিন্সিপিয়া ম্যাথমেটিকা অনুবাদ এবং সেটির ওপর আলোচনা করেছিলেন তিনি। ভলতেয়ার এবং এমিলে মিলে প্রায় ২১ হাজার বই সংগ্রহ করেছিলেন। ধারণা করা হয় নিউটনের ওপর ভলতেয়ারের লেখা ইলিমেন্টস অব নিউটনস ফিলসফি গ্রন্থের সহ-লেখক ছিলেন এমিলে। ১৭৭৮ সাল নাগাদ ফরাসিরা ভলতেয়ারের চিন্তাকে স্বীকৃতি দিতে শুরু করে। অষ্টাদশ শতকের কবি ও দার্শনিক ভলতেয়ার ১৭৭৮ সালের ৩০শে মে মৃত্যুবরন করেন।

সূত্র: উইকিপিডিয়া,
জন্ম-মৃত্যু : খ্যাতিমান আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব
 

World Hello Day

hello-day

“One of the most telling things about a person is how they say hello, handshakes.
Migual

World Hello Day may sound extremely basic, as it encourages us to take the opportunity to simply greet people, and to recognize how important simple communication is in our daily lives. The story of how it came to be, however, is a long and interesting one.

World Hello Day was first created in 1973 in order to show people, especially the people of the Middle East that conflicts can and should be resolved through communication, and not violence. The idea is that clear, honest communication breeds peace. In the 1970s, the conflict between Egypt and Israel was quite severe, and many people began to fear yet another huge war would end up coming of it. World Hello Day was in fact created as a direct response to the Yom Kippur War that had just finished in October of 1973, during which thousands of both soldiers and innocent civilians were killed. Some soldiers had also been tortured and flat out executed.

Participating in World Hello Day is quite simple: all you have to do is say hello to at least 10 people during that one day. This is supposed to send a message of openness and goodwill to others, and the creators of the holiday hoped this small gesture alone would demonstrate how communication can be instrumental in resolving disputes and preventing conflicts.
Many people do not know how good it actually feels to admit you were in the wrong and say sorry—instead, they see such behavior as a display of weakness, when it is actually a display of strength and confidence. People also often make the mistake of thinking that the other person will lose respect for you if you apologize to them, and this too is incorrect. Most people will respect you more for being able to admit you were in the wrong, than if you decide to stubbornly hold onto your convictions after being proven incorrect. It may seen a bit daunting at first, but if the person you’ve fought with is important enough to you, it will always be worth the struggle to make the first move and extend your hand to them in a gesture of peace.

দেশেবিদেশে : আজকের ছুটির দিন ও উদযাপনা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Show Buttons
Hide Buttons
error: Content is protected !!