এই দিনে

ইতিহাসে এই দিনে : ১৬ সেপ্টেম্বর
বাংলাদেশ

১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৬

সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে, কে আসবে না তা বিষয় নয়
প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, আন্দোলনের ভয়ে ভীত হয়ে নয়, সংবিধান সমুন্নত রাখার জন্য বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছি। আমাদের উদারতাকে দুর্বলতা ভাবলে ভুল করবেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৭ সালের নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সংবিধান অনুযায়ীই হবে। এতে কে নির্বাচনে আসবে আর কে আসবে না তা কোন বিষয় নয়। শনিবার মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পাথরিয়া ছোটলেখা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক বিশাল জনসভায় প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।

আলোচনার প্রস্তাবের পরই আবদুল মান্নান ভুইঁয়াকে হাসপাতালে পাঠানো হলো
বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, প্রধানমন্ত্রী দুই দলের মহাসচিব পর্যায়ে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়ার পরপরই আবদুল মান্নান ভুইঁয়াকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এটা প্রমাণ করে প্রধানমন্ত্রী সংস্কার চান না, সংলাপও চান না। তিনি আরো বলেন, ১৯৯৬ সালে খালেদা জিয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবী মানতে বাধ্য হয়েছিলেন।

আটক চোরাই পণ্য নিয়ে সংঘর্ষে বিডিআরের গুলিতে ২ জন নিহত
ছাতক সীমান্তে গতকাল শনিবার সকালে বিডিআর-গ্রামবাসী সংঘর্ষে দুইজন গ্রামবাসী নিহত এবং ছয়জন বিডিআর জওয়ান ও ১৪ জন গ্রামবাসী আহত হয়েছে। আহতদের ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ছাতকের নোয়াকুট সীমান্তে বাহাদুরপুর এলাকায় গতকাল সকালে চোরাচালানীরা বিপুল পরিমাণ বিড়ি ও চিনি নিয়ে এলে এলাকাবাসী দুজন চোরাচালানীকে মালামালসহ আটক করে। কিছুক্ষণ পর বিডিআর সদস্যরা গ্রামে এসে এসব মালামাল নিয়ে যেতে চাইলে গ্রামবাসী বাধা দেয়। গ্রামবাসী বিডিআর সদস্যদের উপর ইট-পাথর নিক্ষেপ করলে সংঘর্ষ বেধে যায়। বিডিআর গুলি চালায়। এতে গিয়াসউদ্দিন ও কয়েস মিয়া নামে দুইজন নিহত হয়। আহত হয় ৬ বিডিআর জওয়ানসহ ২০ জন।

আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না গেলে জাতীয় পার্টি তিনশ আসনেই প্রার্থী দেবে ——————এরশাদ

আরো ঘটনা : বাংলাদেশ
 

জন্ম

Dinesh

দীনেশ দাস
(১৬ সেপ্টেম্বর ১৯১৩ – ১৩ মার্চ ১৯৮৫)
বাঙ্গালি কবি

আদিগঙ্গার তীরে আলিপুরের চেতলা অঞ্চলে মামাবাড়ীতে দীনেশ দাসের জন্ম। বাবার নাম হৃষিকেশ দাস, মা কাত্যায়নী দেবী। ওনারা তিন ভাই ও এক বোন। সপ্তম শ্রেণীতে পড়বার সময়ে, বারো বছর বয়স থেকে দীনেশ দাস ছড়া লিখতে শুরু করেন। নবম শ্রেণীতে পড়বার সময়ে ১৫ বছর বয়সে উনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। পাশাপাশি ১৯৩০ সালে দীনেশ দাস ম্যাট্রিক ও ১৯৩২ সালে আই-এ পাস করেন। এরপর স্কটিশ চার্চ কলেজে ভর্তি হয়ে ১৯৩৮ সালে উনি বি এ পাস করেন।

১৯৩৪ সালে দীনেশ দাসের প্রথম কবিতা ‘শ্রাবণে’ দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ১৯৩৫ সালে উনি কার্শিয়াং-এর খয়াবাড়ি চা বাগানে চাকরিতে যোগ দেন। এক বছরের মাথায় ১৯৩৬ সালে উনি কলকাতায় ফিরে ‘প্রথমবৃষ্টির ফোঁটা’, ‘মৌমাছি’, ‘নখ’, ‘হাই’, ‘চায়ের কাপে’ সহ একেএকে নানা কবিতা লিখতে থাকেন। তখনও তাঁর কোন কবিতা সংকলন প্রকাশিত না হওয়া সত্বেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ওনার ‘বাংলা কাব্য পরিচয়’ সংকলন গ্রন্থে ‘মৌমাছি’ কবিতাটি অন্তর্ভুক্ত করেন। ফ্যাসিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কেবলমাত্র শ্রমিক, কৃষক ও সকল মেহনতী জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ জয়ী হতে পারে এই বিশ্বাস থেকে ১৯৩৭ সালে দীনেশ দাস রচনা করেন ‘কাস্তে’ কবিতাটি। ১৯৩৮ সালে কবিবন্ধু অরুণ মিত্রের সৌজন্যে তা আনন্দবাজার শারদীয়ায় প্রকাশিত হয়। পরে পুলিস তাঁর বাসস্থান তল্লাশি করে এবং তাকে লর্ড সিন্‌হা রোডে আটকে রাখা হয়।

১৯৩৯ সালে উনি ক্যালকাটা ন্যাশনাল ব্যা‍‌ঙ্কে (পরে নাম হয় এল আই সি) যোগ দেন। সাত বছর চাকরির পর ১৯৪৬ সালে কর্মস্থলে ইউনিয়ন গড়তে গিয়ে বাধা পেয়ে উনি কাজে ইস্তফা দেন। এই সময় উনি দৈনিক কৃষক ও মাতৃভূমি কাগজে কিছুদিন কাজ করেন। চলচিত্রে গীতিকার ও সহ পরিচালকের কাজেও যুক্ত ছিলেন। ১৯৪৮ সালে হাওড়া জেলার দেউলপুর বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের কাজ নেন উনি। এক বছর পর কলকাতায় ফিরে এসে স্থায়ীভাবে চেতলা বয়েজ স্কুলে বাংলার শিক্ষকতার কাজে যোগ দেন।

১৯৬১ ও ১৯৭৪ সালে দিল্লিতে জাতীয় কবি সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধি কবি রূপে আমন্ত্রিত হন উনি। ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত দীনেশ দাসের প্রথম শ্রেষ্ঠ কবিতা সংকলন ‘উল্টোরথ’ পুরস্কারে ভূষিত হয়। ১৯৮০ সালে ওনাকে নজরুল আকাদেমি থেকে প্রথম নজরুল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। ওনার শেষ কাব্যগ্রন্থ ‘রাম গেছে বনবাসে’র জন্য দীনেশ দাস ১৯৮২ সালে রবীন্দ্র পুরস্কারে সম্মানিত হন। দীনেশ দাস ১৯৩৯ সালে ঢাকার উচ্চপদস্থ সরকারী কর্মচারী যামিনী বিশ্বাসের তৃতীয়া কন্যা শ্রীমতি মণিকা বিশ্বাসকে বিয়ে করেন। ওনাদের দুই পুত্র শান্তনু ও ভারবী এবং এক কন্যা জোনাকি। ১৯৬১-এ উনি আর্থারাইটিস রোগে আক্রান্ত হন। ১৯৮৫ সালের ১৩ই মার্চ কবি দীনেশ দাস গোপালনগরের পিতৃগৃহে (৪/১ আফতাব মস্ক লেন) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

সূত্র: উইকিপিডিয়া

জন্ম-মৃত্যু : খ্যাতিমান বাঙালি ব্যক্তিত্ব
 
বহির্বিশ্ব

২০১৭: অমুসলিমদের বিয়ের সুযোগ পেলেন তিউনিসীয় নারীরা
তিউনিসিয়ার নারীরা এখন থেকে অমুসলিমদের বিয়ে করতে পারবেন। কয়েক দশক ধরে চলা একটি নিষেধাজ্ঞা বাতিল করায় এই সুযোগ পেতে যাচ্ছেন উত্তর আফ্রিকার সবচেয়ে প্রগতিশীল দেশটির নারীরা। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দেশটির প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে এমন ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে দেশটির প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের নারী মুখপাত্র সাঈদা গারাচ বলেন, ‘নিজের সঙ্গী বাছাইয়ের স্বাধীনতা ফিরে পাওয়ায় তিউনিসিয়ার নারীদের অভিনন্দন।’ জানা গেছে, ১৯৭৩ সাল থেকে চলা এই নিষেধাজ্ঞাটি প্রত্যাহারের কথা গত মাসে সরকারকে বলেছিলেন তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট বেজি সাঈদ এসেবসি।
এর আগে, কোনো মুসলিম নারীকে বিয়ে করতে চাইলে অমুসলিম পুরুষদের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে হতো। এর প্রমাণ হিসেবে তাকে সনদ দেখাতে হতো। মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠনগুলো ওই নিয়ম বাতিলের জন্য দীর্ঘ দিন ধরে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছিলো।নতুন নির্দেশনাটি এখন থেকেই কার্যকর হবে এবং দম্পতিরা নিজেদের বিয়ে সরকারি অফিসে তালিকাভুক্ত করতে পারবে। উল্লেখ্য, দেশটির ৯৯ ভাগ মানুষই মুসলমান। নারী অধিকারের প্রশ্নে আরব দেশগুলোর মধ্যে তিউনিসিয়া খুবই নমনীয়।

২০১৬: পাকিস্তানে মসজিদে বোমা হামলায় নিহত ২৫
পাকিস্তানের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলের একটি মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো ৩০ জন। শুক্রবার বিকালে আফগান সীমান্তবর্তী আধা-স্বায়ত্তশাসিত উপজাতীয় অঞ্চল মোহমান্দের পায়ি খান গ্রামে এই হামলা চালানো হয়। মোহমান্দ এজেন্সির উপ-প্রশাসক নাভিদ আকবর বলেন, বিস্ফোরণে মসজিদের একটি অংশ ও বারান্দা ধসে মুসল্লিদের উপর পড়ে। আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী মসজিদে মুসল্লিদের ভিড়ের মধ্যেই ছিল। সে ‘আল্লাহ হু আকবর’ বলে চিৎকার করার পরপরই বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে।”

আরো ঘটনা : বহির্বিশ্ব
 

জন্ম

Lee

লি কুয়ান ইউ
(১৬ সেপ্টেম্বর ১৯২৩ – ২৩ মার্চ ২০১৫)
সিঙ্গাপুরের প্রথম প্রধানমন্ত্রী

লি কুয়ান ইউ সিঙ্গাপুরে জন্মগ্রহণকারী বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ছিলেন। সিঙ্গাপুরের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মালয়েশিয়ার কাছ থেকে দেশ স্বাধীনতার পর ১৯৬৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত দেশ পরিচালনা করেন। তিন দশকেরও অধিক সময় রাষ্ট্রপরিচালনার সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন। তাঁকে ‘সিঙ্গাপুরের স্বাধীনতার জনক’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। এছাড়াও তাঁর নেতৃত্বে এক প্রজন্মের মধ্যেই দেশটি তৃতীয় বিশ্ব থেকে প্রথম বিশ্বের দেশে রূপান্তরিত হয়।

হক্কা ও চীনা পেরানাকান বংশোদ্ভূত চতুর্থ প্রজন্মের সিঙ্গাপুরী তিনি। ১৯৩১ সালে তেলক কুরাউ ইংলিশ স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। ১৯৩৫ সালে র‌্যাফল ইনস্টিটিউশনে ভর্তি হন। তাঁর সহপাঠী ও একমাত্র বালিকা এবং ভবিষ্যতের সহধর্মীনি কোয়া জিওক চু এখানেই পড়তেন। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ফিৎজউইলিয়াম কলেজ থেকে আইনে প্রথম শ্রেণীতে দ্বৈত তারকা প্রাপ্ত হন ও ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৫০ সালে মিডল টেম্পলে ব্যারিস্টার মনোনীত হন ও ১৯৫৯ পর্যন্ত আইনজীবী ছিলেন। ১৯৫৪ সালে পিপলস অ্যাকশন পার্টির (পিএপি) সহঃ প্রতিষ্ঠাতা হন ও ১৯৯২ সাল পর্যন্ত দলের মহাসচিব ছিলেন। ধারাবাহিকভাবে দলকে আটটি বিজয়ে নেতৃত্ব দেন। ১৯৬৩ সালে ব্রিটেনের ঔপনিবেশিক শাসন অবসানের পূর্ব পর্যন্ত প্রচারণা চালান। মালয়েশিয়া ফেডারেশন গঠিত হলে সিঙ্গাপুরকে মালয়, সাবাহ ও সারাওয়াকের সাথে একীভূত করা হয়। এরফলে জাতিগত বিরোধ ও রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষিতে দুই বছরের ব্যবধানে সিঙ্গাপুরের স্বাধীনতা অর্জিত হয়।

সিঙ্গাপুরকে সংসদীয় নিয়ন্ত্রণে নিয়ে লি ও তাঁর মন্ত্রীপরিষদের সদস্যরা ঔপনিবেশিক আমলে কোনরূপ প্রাকৃতিক সম্পদবিহীন অনুন্নত অঞ্চলটি পরিচালনায় মনোনিবেশ ঘটান। ১৯৬৫ থেকে ১৯৯০ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশ পরিচালনার পর পদত্যাগ করেন। তাঁর উত্তরসূরী গোহ চক তং তাঁকে জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেন। এ পদে তিনি ২০০৪ সাল পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে তাঁর জ্যেষ্ঠ সন্তান লি সিয়েন লুং দেশের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী হলে ২০১১ সাল পর্যন্ত তাঁকে মন্ত্রীপরিষদের উপদেষ্টা মনোনীত করেন। এরফলে তিনি ৫৬ বছর ধরে মন্ত্রী পর্যায়ের বিভিন্ন ধরণের দায়িত্ব সফলতার সাথে সমাপণ করেন। এছাড়াও, ২০১৫ সালে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত প্রায় ৬০ বছর তানজং পাগার নির্বাচনী এলাকা থেকে সংসদ সদস্য মনোনীত হয়েছেন। তাঁর নীতির অন্যতম দিক হচ্ছে, অভিবাসিত জনগোষ্ঠী ও পাশ্চাত্য দেশসমূহের সাথে যোগাযোগ রক্ষাকল্পে ইংরেজিকে প্রধান ভাষা করা। তাঁর অনেকগুলো নীতি অদ্যাবধি লি কুয়ান ইউ স্কুল অব পাবলিক পলিসিতে শিক্ষা দেয়া হয়। জনবিক্ষোভ, প্রচারমাধ্যম নিয়ন্ত্রণসহ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করার কারণে পশ্চিমাদের কাছ থেকে সমালোচিত হয়েছেন। কিন্তু, তিনি অর্থনৈতিক উন্নয়নে রাজনৈতিক স্থিতিশলীলতা আনয়ণ ও আইনের শাসন প্রয়োগ করাকেই এরজন্য দায়ী বলে জানান।

৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৫০ তারিখে কোয়া জিওক চুয়ের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। উভয়েই ইংরেজিকে তাঁদের মূল ভাষা হিসেবে ব্যবহার করতেন। ১৯৫৫ সালে ৩২ বছর বয়সে চীনা ভাষা শিখতে আরম্ভ করেন। যুব অবস্থায় জাপানী ভাষা শেখেন ও সিঙ্গাপুরে জাপানী আগ্রাসনকালীন তিনি জাপানী অনুবাদকের কাজ করেন। এ দম্পতির দুই পুত্র ও এক কন্যা রয়েছে। জ্যেষ্ঠ পুত্র সিঙ্গাপুর সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার-জেনারেল ছিলেন ও ২০০৪ সালে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী হন। ২৩ মার্চ, ২০১৫ তারিখে লুং তাঁর পিতার দেহাবসানের কথা ঘোষণা করেন। কিছুদিন জাতীয় শোক পালন করা হয়। ২৯ মার্চ রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে তাঁকে সমাহিত করা হয়। এ সময় বিশ্বনেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: উইকিপিডিয়া

জন্ম-মৃত্যু : খ্যাতিমান আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব
 

বিশ্ব ওজোন দিবস

democracy-day

১৬ সেপ্টেম্বর বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব ওজোন দিবস বা আন্তর্জাতিক ওজোনরক্ষা দিবস। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ১৯৯৪ সনের ১৯ ডিসেম্বর গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালন করা হয়। ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী দ্রব্যগুলোর ব্যবহার নিষিদ্ধ বা সীমিত করার জন্য ভিয়েনা কনভেনশনের আওতায় ওজোনস্তর ধ্বংসকারী পদার্থের ওপর মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হয়। বাংলাদেশ ১৯৯০ সালে এই মণ্ট্রিল প্রটোকল স্বাক্ষর করে।

পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগে স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তর বা সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি ধরে রাখছে তা মানুষের সৃষ্ট কিছু ক্ষতিকর গ্যাস/দ্রব্য যেমন সিএফসি, হ্যালন, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড, মিথাইল ব্রোমাইড ইত্যাদি দ্বারা ক্রমাগত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে চলেছে। বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীতে অতি বেগুনিরশ্মির আপতন বৃদ্ধির ফলে মানব স্বাস্থ্যসহ প্রাণীজগত ও উদ্ভিদজগতের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হবে। বেড়ে যাবে ক্যান্সার, হ্রাস পাবে শস্যের ফলন, ক্ষতিগ্রস্ত হবে সামুদ্রিক প্রাণিসম্পদ।
এই পরিস্থিতি মোকাবেলায়, জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি ও বিঞ্জানীদের সময়োচিত তৎপরতায় ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কানাডার মন্ট্রিলে ওজোরস্তর রক্ষায় একটি আর্ন্তজাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা ‘মন্ট্রিল প্রটোকল’ নামে খ্যাত। এই প্রটোকলের আওতায় একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্যসমূহের ব্যাবহার নিষিদ্ধ করা হবে।

দেশেবিদেশে : আজকের ছুটির দিন ও উদযাপনা

আজকের তারিখ ও এখনকার সময় (বাংলাদেশ)

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।