এই দিনে

ইতিহাসে এই দিনে : ১১ নভেম্বর
বাংলাদেশ

১১ নভেম্বর ২০০৬

Bangladesh

সংবিধানের আওতায় দু দলকে সমঝোতায় পৌঁছাতে হবে : বাউচার

মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিচার্ড এ বাউচার এক ঝটিকা সফরে ঢাকা এসে সারাদিন বিএনপি চেয়ারপার্সন, আওয়ামী লীগ সভনেত্রী, পররাষ্ট্র সচিব ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক করেন। বিকেলে গুলশানে আমেরিকান ক্লাবে এক জনাকীর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনে রিচার্ড বাউচার ‘বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা খুবই জটিল’ মন্তব্য করে বলেন, আমেরিকা চায় সবগুলো রাজনৈতিক দল আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। প্রতিটি ভোট গণনা করা হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার তার চরিত্র অনুযায়ী প্রকৃত অর্থে নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করবে। নির্বাচন কমিশনকে প্রমাণ করতে হবে যে, তারা সম্পূর্ণভাবে নিরপেক্ষতা নিয়ে কাজ করবে। যুক্তরাষ্ট্র চায় বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত থাকবে। থাইল্যাণ্ডের পরিস্থিতির তুলনা করে মার্কিন নীতি নির্ধারক সুস্পষ্টভাবে বলেন, থাইল্যান্ডের তুলনায় বাংলাদেশের পরিস্থিতি একেবারে ভিন্ন। সামরিক হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচনে কোন অবদানই রাখতে পারবে না।

ভোটাধিকার আদায়ে শান্তিপূর্ণ অবরোধ সফল করুন : শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪ দলের সর্বাত্মক ও শান্তিপূর্ণ অবরোধ কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা দিয়ে বলেন, আমাদের আন্দোলন জনগণের ভোটের অধিকার রক্ষার জন্য। ইনশাল্লাহ মানুষের ভোটের অধিকার আমরা প্রতিষ্ঠা করবোই। সংঘাত ও সহিংসতার বিরুদ্ধে জনগণের শান্তিপূর্ণ অবরোধ অবশ্যই সফল হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি দেশ, জাতি ও গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসার জন্য কৃষক, শ্রমিক, ব্যবসায়ী, ছাত্র, বুদ্ধিজীবী, আইনজীবী, সাংবাদিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, কৃষিবিদ, শিক্ষক, নারী ও যুবসমাজসহ সকলের প্রতি আহ্বান জানান। পুলিশ, বিডিআর, র‌্যাবসহ আইন-শৃংখলা বাহিনীর উদ্দেশে তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট নাশকতার সৃষ্টি করবে। আপনাদের জনগণের প্রতিপক্ষ হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করবে। তবে মনে রাখবেন, এদেশের মানুষ আপনাদেরই ভাই, বন্ধু বা আপনজন।

আওয়ামী লীগ নির্বাচন করতে চাচ্ছে না, তারা বিশৃংখলা চায় : খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য সৃষ্টির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেছেন, সংঘাত সৃষ্টি করবেন না, দেশের মানুষকে শান্তিতে থাকতে দিন। অন্যথায় পরিণতি শুভ হবে না। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচন করতে চাচ্ছে না। একারণে তারা বিশৃংখলা করতে চায়। আমরা সংঘাত চাই না। সংঘাত এড়াতে চাই। একারণে আজ এবং কাল সকল কর্মসূচী প্রত্যাহার করে নিয়েছি। বেগম জিয়া কোন চাপের কাছে মাথা নত না করার জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। রাতে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে পেশাজীবীদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে তিনি একথা বলেন। পেশাজীবীদের মধ্যে ডঃ মাহবুব উল্লাহ, প্রফেসর আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী, প্রফেসর জসিম উদ্দিন সরকার, আলমগীর মহিউদ্দিন, ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক, প্রফেসর গোলাম আলী ফকির, প্রফেসর আলী মর্তুজা, ডঃ সুকোমল বড়ণ্ডয়া, চাষী নজরুল ইসলাম, আমজাদ হোসেন, গাজীউল হাসান খান, সাইফুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

১১ নভেম্বর ২০০৮

Bangladesh

বিএনপি এখনো অনড়

সাত দফা দাবীতে বিএনপি এখনো অনড়। বিএনপি নেতারা বলছেন, তারা কোন ছাড় দেবেন না। বিএনপি তথ্যসচিব বলেছেন, নির্বাচনের পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি।

১১ নভেম্বর ২০১৩

Bangladesh

আরো ঘটনা : বাংলাদেশ
 

জন্ম

H.R.Chow

হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী
(১১ নভেম্বর ১৯২৮ – ১০ জুলাই ২০০১)
বাংলাদেশের খ্যাতনামা কূটনীতিবিদ

হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী বাংলাদেশের একজন খ্যাতনামা কূটনীতিবিদ ছিলেন। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ১৯৯৬ – ২০০১ পর্যন্ত স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার গৌরব অর্জন করেছিলেন তিনি। বাংলা, ইংরেজী, উর্দু, ফরাসি এবং ইতালীয় ভাষায় কথা বলতে পারতেন। এছাড়াও, আরবী, স্প্যানিশ, পর্তুগীজ, জার্মান এবং ইন্দোনেশিয়ান ভাষায়ও তার সম্যক দখল ছিল। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ২০১৮ সালে তিনি স্বাধীনতা পদক পান।

১৯৪৭ সালে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রী সম্পন্ন করেন হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী। তারপর ইংলিশ বারে অধ্যয়ন করেন ও লন্ডনের ইনার টেম্পলের একজন সদস্য হন। লন্ডনেরই ‘আন্তর্জাতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠান’ থেকে ডিপ্লোমা ডিগ্রী অর্জন করেন। এছাড়াও, ম্যাসাচুসেটসের ফ্লেচার স্কুল অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোমেসি থেকে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। গ্রেট ব্রিটেন ও ইউরোপে পাকিস্তান ছাত্র সংসদের সভাপতি ছিলেন। সে সুবাদেই তিনি যুক্তরাজ্যে প্রথম এশিয়ান স্টুডেন্টস কনফারেন্স আয়োজনে সক্ষমতা দেখান।

হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী ১৯৫৩ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের বৈদেশিক সম্পর্ক বিভাগে যোগদান করেন। এর ফলে তিনি ঐ বিভাগের আওতায় বিভিন্ন প্রশিক্ষণে অংশ নেন। এছাড়াও, লন্ডনের ব্রিটিশ বৈদেশিক কার্যালয় এবং কমনওয়েলথ কার্যালয়েও বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। কূটনীতিবিদ হিসেবে তিনি পৃথিবীর বিভিন্ন শহরে অবস্থান করেছিলেন। তন্মধ্যে রোম, বাগদাদ, প্যারিস, লিসবন, জাকার্তা এবং নতুন দিল্লী অন্যতম। ১৯৭১- ৭২ সালে তিনি নতুন দিল্লীতে বাংলাদেশ মিশনের প্রধান ছিলেন। ঐ সময় বাংলাদেশের স্বীকৃতির জন্য তিনি ৪০টিরও বেশি দেশে যোগাযোগ করেছিলেন। ১৯৭২ সালে তৎকালীন পশ্চিম জার্মানীতে বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। ১৯৭৬ সালের পর সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া এবং ভ্যাটিকানেও একই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। এছাড়াও, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা আইএইএ এবং জাতিসংঘের শিল্পাঞ্চল উন্নয়ন সংস্থা বা ইউনিডো’র প্রথম স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন তিনি।

সূত্র: উইকিপিডিয়া

জন্ম-মৃত্যু : খ্যাতিমান বাঙালি ব্যক্তিত্ব
 
বহির্বিশ্ব

২০১৭। সিরিয়ায় সামরিক সমাধান নয়, ট্রাম্প ও পুতিনের মতৈক্য

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সিরীয় সংকটের ‘সামরিক সমাধান না করার’ বিষয়ে একমত হয়েছেন। এশিয়া-প্যাসিফিক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে এক বৈঠকের পর এক যৌথ বিবৃতিতে একথা বলা হয়। ক্রেমলিনের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ‘দুই প্রেসিডেন্ট সিরিয়া সংঘাতের সামরিক সমাধানের না করার ব্যাপারে একমত হয়েছেন।’ তারা নিশ্চিত করেছেন যে আইএসকে পরাস্ত করতে তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে নিশ্চিত করেন।

প্রেসিডেন্টদের যৌথ বিবৃতিতে সিরিয়ায় তাদের সৈন্যদের মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানোয় তারা ‘সন্তোষ প্রকাশ’ করেছেন। গত কয়েকমাস ধরে যুদ্ধক্ষেত্রে আইএসের এর উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সিরিয়ার সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কিভাবে লাঘব করা যায় সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের ব্যাপারে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। তারা আগামী মাসগুলোতে সিরিয়ার সাধারণ মানুষকে মানবিক সহায়তার জন্য জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

আরো ঘটনা : বহির্বিশ্ব
 

মৃত্যু

Yasser_Arafat

ইয়াসির আরাফাত
(২৪ আগস্ট ১৯২৯ – ১১ নভেম্বর ২০০৪)
স্বাধীন ফিলিস্তিন আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা

দশকের পর দশক ধরে আরাফাত ফিলিস্তিনের জন্য লড়াই করে গেছেন। তাই তিনি ফিলিস্তিনিদের মুক্তি আন্দোলনের প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনিই ছিলেন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী সংগঠন পিএলওর মুখপাত্র হাভিয়ার আবু ইদের ভাষায়, ১৯৬৭ সালের সীমান্তকে স্বীকৃতি দেওয়া ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের লক্ষ্যে ফিলিস্তিনের ৭৮শতাংশ ভূখণ্ড পরিত্যাগ করার মতো সাহসী সিদ্ধান্ত আরাফাতই প্রথম নিয়েছিলেন। প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন বা পিএলওর চেয়ারম্যান হিসাবে আরাফাত ইসরায়েলী দখলদারির বিরুদ্ধে সারাজীবন সংগ্রাম করেন। তিনি প্যালেস্টিনিয়ান অথরিটির প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। জীবনের একটা দীর্ঘ সময় আরাফাত ধর্মনিরপেক্ষ ফাতাহ দলের নেতৃত্ব দেন। ১৯৫৮-১৯৬০ সালের মধ্যে তিনি এই দলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। প্রাথমিকভাবে ইসরায়েলের অস্তিত্বের সম্পূর্ণ বিরোধী থাকলেও পরে আরাফাত ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত ২৪২ মেনে নিয়ে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেন।

ফিলিস্তিনী নেতা ইয়াসির আরাফাত ১৯২৯ সালের ২৪ আগস্ট মিসরের কায়রোতে জন্মগ্রহণ করেন। তার প্রকৃত নাম মুহাম্মদ আবদেল রহমান আব্দেল রউফ আরাফাত আল-কুদওয়া আল-হুসেইনী। তার বাবা আবদেল রউফ আল-কুদওয়া আল-হুসেইনী ছিলেন ফিলিস্তিনের গাজার অধিবাসী। মা জোয়া আবুল সাউদ ছিলেন জেরুজালেমের অধিবাসী। মাত্র চার বছর বয়ে মাতৃহীন হয়ে যান আরাফাত। ১৯৪৪ সালে কায়রোর ইউনিভার্সিটি অব কিং ফুয়াদ ওয়ানে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হন এবং ১৯৫০ সালে গ্রাজুয়েট সম্পন্ন করেন। এরপরে তিনি ইহুদিবাদ ও জায়ানিজম সম্পর্কে পড়াশুনা করেন। বিভিন্ন সময়ে থিওডর হাজেল ও খ্যাতনামা জায়োনিস্টের সঙ্গে আলোচনা করেন। একই সময় ফিলিস্তিনের মুক্তি সংগ্রামের জন্য অস্ত্র সংগ্রহ শুরু করেন। ১৯৪৮ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময়ে অন্যান্য আরবদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করেন। ফিলিস্তিনের পক্ষে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তবে ফেদাইনের সঙ্গে যোগ না দিয়ে মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন। যদিও তিনি এ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। তিনি গাজা এলাকার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৪৯ সালের প্রথমদিকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না থাকায় কায়রো ফিরে যান। ফিরে এসে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন। ১৯৫২ সাল থেকে ৫৬ সাল পর্যন্ত জেনারেল ইউনিয়ন অব প্যালেস্টাইনিয়ান স্টুডেন্টস বা জিইউপিএসের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন।

প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন বা পিএলওর চেয়ারম্যান হিসাবে আরাফাত ইসরায়েলী দখলদারির বিরুদ্ধে সারাজীবন সংগ্রাম করেন। তিনি প্যালেস্টিনিয়ান অথরিটির প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। জীবনের একটা দীর্ঘ সময় আরাফাত ধর্মনিরপেক্ষ ফাতাহ দলের নেতৃত্ব দেন। ১৯৫৮-১৯৬০ সালের মধ্যে তিনি এই দলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। প্রাথমিকভাবে ইসরায়েলের অস্তিত্বের সম্পূর্ণ বিরোধী থাকলেও পরে আরাফাত ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত ২৪২ মেনে নিয়ে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেন। ১৯৬০ ও ৭০-এর দশকে আরাফাতের ফাতাহ দল জর্ডানের সাথে মতপার্থক্যজনিত কারণে গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে, যার ফলে আরাফাত বিতর্কিত হয়ে পড়েন। জর্ডান থেকে বিতাড়িত হয়ে তিনি লেবাননে অবস্থান নেন, যেখানে তিনি ও তাঁর ফাতাহ দল ইসরাইলের ১৯৭৮ ও ১৯৮২ সালের আগ্রাসন ও আক্রমণের শিকার হন। দল-মত-নির্বিশেষে ফিলিস্তিনী জনগোষ্ঠীর অধিকাংশ মানুষ আরাফাতকে বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ফিলিস্তিনীদের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক হিসাবে সম্মান করে থাকে। তবে অনেক ইসরাইলী তাঁকে সন্ত্রাসবাদী হিসাবে অভিহিত করে থাকে।

জীবনের শেষভাগে আরাফাত ইসরাইলী সরকারের সাথে কয়েক দফায় শান্তি আলোচনা শুরু করেন। ১৯৯১ সালের মাদ্রিদ সম্মেলন, ১৯৯৩ সালের অসলো চুক্তি এবং ২০০০ সালের ক্যাম্প ডেভিড সম্মেলন এর মাধ্যমে আরাফাত ইসরাইলীদের সাথে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান ঘটানোর প্রয়াস নেন। ইসরাইলীদের সাথে এই সমঝোতা স্থাপনের জন্য আরাফাতের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তাঁর নতজানু নীতির তীব্র নিন্দা করে। ১৯৯৪ সালে আরাফাত ইজহাক রাবিন ও শিমন পেরেজ এর সাথে অসলো শান্তি চুক্তির জন্য একত্রে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। কিন্তু একই সময়ে হামাস ও অন্যান্য জঙ্গীবাদী সংগঠনের উত্থান ঘটে, যারা ফাতাহ ও আরাফাতের ক্ষমতার ভিত্তি দুর্বল করে দিয়ে ফিলিস্তিনের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করে নেয়।

২০০২ হতে ২০০৪ সালের শেষভাগ পর্যন্ত আরাফাত ইসরাইলী সেনাবাহিনীর হাতে তাঁর রামাল্লার দপ্তরে কার্যত গৃহবন্দী হয়ে থাকেন। ২০০৪ এর শেষদিকে আরাফাত অসুস্থ হয়ে পড়েন, এবং কোমায় চলে যান। আরাফাতের অসুস্থতা ও মৃত্যুর কারণ সুনির্দিষ্টভাবে প্রকাশ পায়নি; কিন্তু চিকিৎসকদের মতে ,তিনি ইডিওপ্যাথিক থ্রম্বোসাইটোপেনিক পারপুরা এবং সিরোসিসে ভুগছিলেন। তিনি ২০০৪ সালের নভেম্বর ১১ তারিখে প্যারিসে চিকিৎসারত অবস্থায় ৭৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। হেলিকপ্টারে ইয়াসির আরাফাতের মরদেহ প্যারিস থেকে ফিলিস্তিনের রামাল্লায় এনে দাফন করা হয়।

তেজস্ক্রিয় পদার্থ প্রয়োগে ফিলিস্তিনি মুক্তি আন্দোলনের নেতা ইয়াসির আরাফাতের মৃত্যু হতে পারে, বলছে সুইস গবেষকরা। সুইজারল্যান্ডের বিজ্ঞানীরা বলছেন তারা ইয়াসের আরাফাতের দেহাবশেষ গবেষণার পর তার হাড়ে বিষাক্ত পোলোনিয়ামের সন্ধান পেয়েছেন।প্যারিসের একটি হাসপাতালে ২০০৪ সালের ১১ই নভেম্বর মারা যান ইয়াসের আরাফাত। তখন মৃত্যুর কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছিল। কিন্তু তাকে হত্যা করা হয়েছে এমন বিতর্ক বেশ কিছুদিন যাবত চলে আসছিল। বিষপ্রয়োগে তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে এমন সন্দেহ ওঠায় মৃত্যুর প্রায় আট বছর পর ইয়াসের আরাফাতের দেহাবশেষ কবর থেকে ২০১২ সালে তোলা হয়েছে। এক বছর তাতে গবেষণার পর সুইস বিজ্ঞানী বলছেন তার হাড়ে যে পরিমাণ পোলিনিয়াম নামে একটি তেজস্ক্রিয় পদার্থ পাওয়া গেছে তা মানবদেহের স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে ১৮ গুন বেশ।

সূত্র: উইকিপিডিয়া,
জন্ম-মৃত্যু : খ্যাতিমান আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব
 

Origami Day

origami-day

“A master of origami said he tried to express with paper the joy of life, and the last thought before a man dies.”
Tor Udall

There’s a birthday coming, and it’s an important one for all you paper folding fanatics. It’s the birthday of Lillian Oppenheimer, the founder of the first origami group in America. She also was instrumental in the founding of the British Origami Society and Origami USA. So if you love the art of folding paper and creating beautiful creations from paper, cloth, dollar bills, napkins, or anything that’ll hold a crease, Origami Day is for you!

The art of folding paper arose in several places throughout the world, including Europe, China, and Japan. It has accompanied traditions and celebrations of every kind, including funerals, birthdays, and more. The first actual reference to a paper model is in a poem, which somehow seems appropriate given that such things are traditionally written on paper. In that poem, a butterfly design was referenced in connection to Shinto weddings, but that’s just one of many ways that these designs were used.

In Europe, it was napkin folding that was all the rage, a tradition which was abundant during the 17th and 18th centuries as a sign of being a good host or hostess. Sadly, this particular tradition was going to fade out and become nearly forgotten until recently, when it’s beginning to see something of a resurgence. When Japan opened its borders in the late 1800’s, they started incorporating German paper folding techniques and two worlds came together in a glorious union. These days Origami has been used as a beacon of hope, with the tradition of folding a thousand cranes being done for people who are in the hospital fighting cancer, for instance.

Well, it’s quite simple really. Pick up a piece of paper and start folding it into something amazing. Ok, so it really isn’t THAT simple, but there’s plenty of opportunities for you to use online resources and books from your library to start making amazing creations out of paper. Got a wedding coming up? How about sending delightfully folded origami invitations? How about a birthday? Place settings made from folded paper or napkins could truly be striking. You could even help brighten up a reception, a retirement, or any other celebration by creating beautiful works of art from folding paper or cloth that will impress everyone.

দেশেবিদেশে : আজকের ছুটির দিন ও উদযাপনা

আজকের তারিখ ও এখনকার সময় (বাংলাদেশ)

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।